ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশের বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক শিশুর অনুরোধে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ‘চুক্তিতে’ স্বাক্ষর করলেন স্কালোনি সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের এবার ইরানে স্থলসেনা নামানোর ছক যুক্তরাষ্ট্রের, ভয়ংকর পরিকল্পনা ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষায় ছাত্রদলের দুই নেতার হাতাহাতি ইরানে হামলায় যুক্তরাজ্যের কোনো ঘাঁটি ব্যবহৃত হলে তা হবে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসি কৃষক সেজে ফসলি মাঠ থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে ধরল পুলিশ সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারী অপরাধের বিচার সম্ভব, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে কোন বাধা নেই: শিশির মনির

ছাত্রলীগ নেতাকে বিয়ে করে সরকারি চাকরি করছিলেন মনিরা শারমিন: আবু হানিফ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

এনসিপির নেত্রী মনিরা শারমিনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। তার দাবি, মনিরা শারমিন ছাত্রলীগ নেতাকে বিয়ে করে সরকারি চাকরি করছিলো।

 

শনিবার (১৩ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আবু হানিফ দাবি করেন, মনিরা শারমিন আমাদের সাথে ২০১৮ সালে কিছুদিন আন্দোলন সংগ্রামে ছিলো। এর পর ক্যারিয়ার মূখ্য হয়ে উঠে তার কাছে। কথিত আছে ছাত্রলীগ নেতাকে বিয়ে করে সরকারি চাকরি করছিলো মনিরা শারমিন। এর পর আর কোন দিন অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে দেখা যায় নি, জুলাই অভ্যুত্থানের শেষ দিকে এসে অনেকটা হাইরা দিয়েই বড় নেত্রী বনে গেছেন। তার চেয়ে নুসরাত তাবাসসুমদের ভূমিকা হাজার গুণ বেশী। হাসিনার পতন না হলে মনিরা শারমিনরা এখনও আরামে সরকারি চাকরি করতো। ফ্যাসিবাদের আচড়ও তার গায়ে লাগতো না।

 

একই পোস্টে আবু হানিফ গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের রাজনৈতিক ভূমিকার পক্ষে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, নুরুল হক নুর ১৯ সালে বলেছিলো শেখ হাসিনার চেহারায় মায়ের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। অবশ্য এর পরের দিনই মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনে হাসিনাকে স্বৈরাচার বলেছিলো। এমনকি অসংখ্য বার হাসিনার পতন চেয়ে রাজপথে আন্দোলন করেছে। যার ফলে বার বার হামলার শিকার হয়েছে নুরুল হক নুরসহ গণঅধিকার পরিষদের অসংখ্য নেতাকর্মী। সবশেষ জুলাই আন্দোলনের সময়ও নুরুল হক নুর রিমান্ডে ছিলো। হাসিনার পতন না হলে নুরের কতদিন জেলে থাকা লাগতো বা আদৌ মুক্ত হত কিনা তা বলা কঠিন।

 

পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, নুরুল হক নুরের যখন আর কোন দোষ খুঁজে না পায় তখনই ঐই এক গান বার বার বাজায় এই মনিরা শারমিন রা। অথচ সারা বাংলাদেশের জনগণ জানে এই গণঅভ্যুত্থানের উদ্যোক্তা সংগঠন গণঅধিকার পরিষদ ও নুরুল হক নুর। ক্রেডিট নেওয়ার অনেক উপায় আছে কিন্তু নুরুল নুরকে অবদানকে অস্বীকার করে নিজেদের কে মহান করার কোন সুযোগ নাই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান

ছাত্রলীগ নেতাকে বিয়ে করে সরকারি চাকরি করছিলেন মনিরা শারমিন: আবু হানিফ

আপডেট সময় ১১:৪৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

এনসিপির নেত্রী মনিরা শারমিনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। তার দাবি, মনিরা শারমিন ছাত্রলীগ নেতাকে বিয়ে করে সরকারি চাকরি করছিলো।

 

শনিবার (১৩ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আবু হানিফ দাবি করেন, মনিরা শারমিন আমাদের সাথে ২০১৮ সালে কিছুদিন আন্দোলন সংগ্রামে ছিলো। এর পর ক্যারিয়ার মূখ্য হয়ে উঠে তার কাছে। কথিত আছে ছাত্রলীগ নেতাকে বিয়ে করে সরকারি চাকরি করছিলো মনিরা শারমিন। এর পর আর কোন দিন অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে দেখা যায় নি, জুলাই অভ্যুত্থানের শেষ দিকে এসে অনেকটা হাইরা দিয়েই বড় নেত্রী বনে গেছেন। তার চেয়ে নুসরাত তাবাসসুমদের ভূমিকা হাজার গুণ বেশী। হাসিনার পতন না হলে মনিরা শারমিনরা এখনও আরামে সরকারি চাকরি করতো। ফ্যাসিবাদের আচড়ও তার গায়ে লাগতো না।

 

একই পোস্টে আবু হানিফ গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের রাজনৈতিক ভূমিকার পক্ষে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, নুরুল হক নুর ১৯ সালে বলেছিলো শেখ হাসিনার চেহারায় মায়ের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। অবশ্য এর পরের দিনই মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনে হাসিনাকে স্বৈরাচার বলেছিলো। এমনকি অসংখ্য বার হাসিনার পতন চেয়ে রাজপথে আন্দোলন করেছে। যার ফলে বার বার হামলার শিকার হয়েছে নুরুল হক নুরসহ গণঅধিকার পরিষদের অসংখ্য নেতাকর্মী। সবশেষ জুলাই আন্দোলনের সময়ও নুরুল হক নুর রিমান্ডে ছিলো। হাসিনার পতন না হলে নুরের কতদিন জেলে থাকা লাগতো বা আদৌ মুক্ত হত কিনা তা বলা কঠিন।

 

পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, নুরুল হক নুরের যখন আর কোন দোষ খুঁজে না পায় তখনই ঐই এক গান বার বার বাজায় এই মনিরা শারমিন রা। অথচ সারা বাংলাদেশের জনগণ জানে এই গণঅভ্যুত্থানের উদ্যোক্তা সংগঠন গণঅধিকার পরিষদ ও নুরুল হক নুর। ক্রেডিট নেওয়ার অনেক উপায় আছে কিন্তু নুরুল নুরকে অবদানকে অস্বীকার করে নিজেদের কে মহান করার কোন সুযোগ নাই।