রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। সূত্রগুলোর দাবি, আজ অথবা আগামী এক-দুই দিনের মধ্যেই তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। পদত্যাগের পর রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে ওঠার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানা গেছে।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দিতে হয়। তবে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বর্তমানে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে থাকায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিলম্ব হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি।

বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পদত্যাগপত্রের খসড়া প্রস্তুত থাকলেও বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত তাতে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর হয়নি। একই সঙ্গে কয়েকজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, রাষ্ট্রপতি ইতোমধ্যে বঙ্গভবনের কর্মকর্তাদের চলতি মাসের মধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন।

এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্ভাব্য কারণ নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে নানা দাবি থাকলেও সরকার বা রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

সব মিলিয়ে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে জোর আলোচনা থাকলেও, বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সরকারি ঘোষণা আসেনি। তাই এখন সবার নজর রয়েছে পরবর্তী আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের দিকে।