ঢাকা , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খাগড়াছড়িতে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে চারজন আহত চলন্ত বিমান থেকে লাফ দিলেন যাত্রী, অতঃপর… শাপলা গণহত্যা: শুধু ঢাকাতেই ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ মিলেছে এখন থেকে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ব্যবস্থা, হতে পারে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ছাত্রশিবিরের বিগত ১৬ বছরে মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা ডাকাতি হয়েছে: সারজিস ইসরাইলি বাহিনীর ঘুম হারাম করছে হিজবুল্লাহর ‘ফাইবার-অপটিক ড্রোন’ ফেসবুকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখে পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’, পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের স্লোগান জানা গেল ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ

এলডিপি দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে ১০ হাজার নেতাকর্মীর যোগদান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮২৯ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ সৃষ্টি হয়েছে। এলডিপির মহাসচিব, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ বিএনপিতে যোগ দিয়ে চান্দিনাসহ কুমিল্লা উত্তর জেলার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছেন। দীর্ঘদিন সক্রিয় এলডিপি বিলুপ্ত হয়ে বিএনপিতে একীভূত হওয়ায় মাঠ পর্যায়ের রাজনীতি আরও সংগঠিত ও শক্তিশালী হয়েছে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন ড. রেদোয়ান। এর আগে চান্দিনায় এলডিপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্থানীয়ভাবে এলডিপির সাংগঠনিক শক্তি থাকলেও জাতীয় রাজনীতিতে তাদের প্রভাব সীমিত ছিল, তাই বিএনপির সঙ্গে একীভূত হওয়া ‘রাজনৈতিক বাস্তবতা মেনে নেওয়া’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ড. রেদোয়ান আহমেদের সঙ্গে কুমিল্লা উত্তর জেলা, চান্দিনা উপজেলা, পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নের প্রায় ৮ হাজার নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। দেশব্যাপী এই সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এলডিপির সক্রিয় নেতাকর্মীদের যোগদান শুধু সংখ্যাগত নয়, সাংগঠনিক দিক থেকেও বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
যোগদানের পর চান্দিনায় আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। উপজেলা সদর, মাধাইয়া, জোয়াগ, মহিচাইল, নবাবপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষ প্রতীক হাতে মিছিল বের হয়। ড. রেদোয়ান আহমেদের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রীর ইমেজও বিএনপির জন্য অতিরিক্ত সুবিধা এনে দেবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চান্দিনায় বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আগের চেয়ে সুসংহত হয়েছে। এলডিপির বিলুপ্তি স্থানীয় বিরোধী ভোট বিভাজনও কমাবে। ফলশ্রুতিতে, আসনের রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও স্পষ্ট হবে এবং বিএনপির অবস্থান মাঠ পর্যায়ে শক্তিশালী হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়িতে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে চারজন আহত

এলডিপি দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে ১০ হাজার নেতাকর্মীর যোগদান

আপডেট সময় ১০:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ সৃষ্টি হয়েছে। এলডিপির মহাসচিব, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ বিএনপিতে যোগ দিয়ে চান্দিনাসহ কুমিল্লা উত্তর জেলার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছেন। দীর্ঘদিন সক্রিয় এলডিপি বিলুপ্ত হয়ে বিএনপিতে একীভূত হওয়ায় মাঠ পর্যায়ের রাজনীতি আরও সংগঠিত ও শক্তিশালী হয়েছে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন ড. রেদোয়ান। এর আগে চান্দিনায় এলডিপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্থানীয়ভাবে এলডিপির সাংগঠনিক শক্তি থাকলেও জাতীয় রাজনীতিতে তাদের প্রভাব সীমিত ছিল, তাই বিএনপির সঙ্গে একীভূত হওয়া ‘রাজনৈতিক বাস্তবতা মেনে নেওয়া’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ড. রেদোয়ান আহমেদের সঙ্গে কুমিল্লা উত্তর জেলা, চান্দিনা উপজেলা, পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নের প্রায় ৮ হাজার নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। দেশব্যাপী এই সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এলডিপির সক্রিয় নেতাকর্মীদের যোগদান শুধু সংখ্যাগত নয়, সাংগঠনিক দিক থেকেও বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
যোগদানের পর চান্দিনায় আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। উপজেলা সদর, মাধাইয়া, জোয়াগ, মহিচাইল, নবাবপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষ প্রতীক হাতে মিছিল বের হয়। ড. রেদোয়ান আহমেদের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রীর ইমেজও বিএনপির জন্য অতিরিক্ত সুবিধা এনে দেবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চান্দিনায় বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আগের চেয়ে সুসংহত হয়েছে। এলডিপির বিলুপ্তি স্থানীয় বিরোধী ভোট বিভাজনও কমাবে। ফলশ্রুতিতে, আসনের রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও স্পষ্ট হবে এবং বিএনপির অবস্থান মাঠ পর্যায়ে শক্তিশালী হবে।