ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘রবার্ট ক্লাইভ-মীর জাফরের চুক্তির মতোই ইউনূসের সঙ্গে আমেরিকার চুক্তি’ পাকিস্তানের ‘জেএফ-১৭ ব্লক ৩’ সিমুলেটর ঢাকায়, যুদ্ধবিমান চুক্তির ইঙ্গিত দেখছেন বিশ্লেষকরা স্ত্রীর পরকীয়া, ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে জীবন দিলেন ব্যবসায়ী চীন থেকে দেশে ফেরার পথেই তাইওয়ানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি মেসি আর খেলবেন না, ভাবতেই মন খারাপ হয় কোচ স্ক্যালোনির কারিনা, তোমার মতো সাহসী মানুষের দরকার ছিল বাংলাদেশে: তাসনিম জারা ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামে বাঁচছে ইরানের লাখ লাখ শিশু, বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ ক্লাইভের সঙ্গে মীর জাফরের চুক্তি আর আমেরিকার সঙ্গে ইউনূসের চুক্তি একইঃ ফজলুর রহমান ভারতে মসজিদকে মন্দির ঘোষণা আদালতের, নামাজ পড়তে পারবেন না মুসল্লিরা পাকিস্তানের সঙ্গে অতিরিক্ত সম্পর্ক আমাদের জাতিকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাবে: ফজলুর রহমান

দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবো: প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবো, এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২৫ ফেব্রুয়ারিজাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে, বিডিআর সদর দফতর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলেন। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্বসহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে, দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটিশহীদ সেনা দিবসহিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।

পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতাসার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিলনাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবোএই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘রবার্ট ক্লাইভ-মীর জাফরের চুক্তির মতোই ইউনূসের সঙ্গে আমেরিকার চুক্তি’

দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবো: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবো, এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২৫ ফেব্রুয়ারিজাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে, বিডিআর সদর দফতর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলেন। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্বসহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে, দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটিশহীদ সেনা দিবসহিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।

পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতাসার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিলনাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবোএই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।