ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঝগড়ার পর ৯৯৯-এ ফোন দিলেন স্ত্রী, ৫৪টি জাল নোটসহ স্বামী গ্রেপ্তার কেউ ব্যক্তি আক্রমণ করলে আমি তাকে চুমু দেব, এমন সুশীল আমি না: রাশেদ খান অস্ট্রেলিয়াকে হারাবে বাংলাদেশ, আশা করেননি ডি ভিলিয়ার্স ‘তারেক রহমান ভারতে না এলে সুযোগ হারাবে, বন্ধ হতে পারে যোগাযোগের পথ’ মহাসড়কে এআই ক্যামেরা স্থাপন করায় পরিবহনে চাঁদাবাজি কমে আসবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করছেন পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম আমরা টহল দেওয়া শুরু করলে অনেক এলাকা থেকে জামায়াত-শিবির নাই হয়ে যাবে: নুর বলিউড সিনেমা বানিয়ে যুদ্ধের পরাজয় মুছে ফেলা যায় না: পাকিস্তানের সেনাবাহিনী অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ভারতজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড়, আইএসআই সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক শত শত

শিক্ষার্থীকে উলঙ্গ করে পেটালো ছাত্রদল, গ্রেপ্তারের দাবিতে থানায় শিক্ষার্থীরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • ১১৭৯ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলামকে গত ১৮ মে নির্জন কক্ষে নিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন, উলঙ্গ করে ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হলেও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না করায় আজ রবিবার (২৫ মে) ‘লংমার্চ টু তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা’ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, সকাল ১১টায় ক্যাম্পাস থেকে লংমার্চ শুরু করে বেলা ১২টায় তারা তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় পৌঁছান। পরে সেখানে তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল থানায় পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে বলে জানা গেছে।

এদিকে শিক্ষার্থীরা জানান, গত ১৮ মে ছাত্রদল নেতারা রাকিবুল ইসলামকে উলঙ্গ করে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং সেই নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে। পরে আমরা থানায় মামলা করেছি। কিন্তু মামলা করার পরেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই আমরা লংমার্চ ও থানার সামনে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছি।

তারা আরও জানান, “বর্তমানে আমাদের প্রতিনিধি দল পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করছে। আলোচনার ফলাফল অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।” এর আগে ভুক্তভোগী রাকিবুল ইসলাম তার ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস ও একটি ভিডিও পোস্ট করেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি রাকিবুল ইসলাম, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের তৃতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। ১৮ মে দুপুরে ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী আমার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন চেক করে এবং বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়। পরে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ২৩-২৪ সেশনের ৮-১০ জন ছাত্র আমার রুমে ঢুকে জোরপূর্বক আমাকে তুলে নিয়ে যায়।’

অভিযুক্তরা হলেন- সৈকত (ইলেকট্রনিক্স), স্বাধীন (ইলেকট্রিক্যাল), ফয়েজ (সিভিল), নাফিউর রহমান (ইলেকট্রনিক্স), অনিক (ইলেকট্রনিক্স), সচিন (ইলেকট্রিক্যাল), মুন্না (কম্পিউটার), মেহেদী (মেকানিক্যাল), নিজুম (মেকানিক্যাল)।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝগড়ার পর ৯৯৯-এ ফোন দিলেন স্ত্রী, ৫৪টি জাল নোটসহ স্বামী গ্রেপ্তার

শিক্ষার্থীকে উলঙ্গ করে পেটালো ছাত্রদল, গ্রেপ্তারের দাবিতে থানায় শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় ০২:০৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

এবার ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলামকে গত ১৮ মে নির্জন কক্ষে নিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন, উলঙ্গ করে ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হলেও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না করায় আজ রবিবার (২৫ মে) ‘লংমার্চ টু তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা’ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, সকাল ১১টায় ক্যাম্পাস থেকে লংমার্চ শুরু করে বেলা ১২টায় তারা তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় পৌঁছান। পরে সেখানে তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল থানায় পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে বলে জানা গেছে।

এদিকে শিক্ষার্থীরা জানান, গত ১৮ মে ছাত্রদল নেতারা রাকিবুল ইসলামকে উলঙ্গ করে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং সেই নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে। পরে আমরা থানায় মামলা করেছি। কিন্তু মামলা করার পরেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই আমরা লংমার্চ ও থানার সামনে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছি।

তারা আরও জানান, “বর্তমানে আমাদের প্রতিনিধি দল পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করছে। আলোচনার ফলাফল অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।” এর আগে ভুক্তভোগী রাকিবুল ইসলাম তার ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস ও একটি ভিডিও পোস্ট করেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি রাকিবুল ইসলাম, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের তৃতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। ১৮ মে দুপুরে ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী আমার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন চেক করে এবং বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়। পরে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ২৩-২৪ সেশনের ৮-১০ জন ছাত্র আমার রুমে ঢুকে জোরপূর্বক আমাকে তুলে নিয়ে যায়।’

অভিযুক্তরা হলেন- সৈকত (ইলেকট্রনিক্স), স্বাধীন (ইলেকট্রিক্যাল), ফয়েজ (সিভিল), নাফিউর রহমান (ইলেকট্রনিক্স), অনিক (ইলেকট্রনিক্স), সচিন (ইলেকট্রিক্যাল), মুন্না (কম্পিউটার), মেহেদী (মেকানিক্যাল), নিজুম (মেকানিক্যাল)।