ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খুব শিগগিরই ইরানের ইসলামি শাসনব্যবস্থার পতন: নেতানিয়াহু জামায়াত নেতাকে যুবলীগ কর্মীর ছুরিকাঘাত ইমরান খানের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, তা বর্বরতা- বললেন তাঁর বাংলাদেশি বন্ধু সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপি-গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের মারামারি গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মমতা নেপালকে বড় অর্থ সহায়তা দিলো বাংলাদেশ ট্রাস্টের নামে অর্থ আত্মসাৎ: হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ইসলামে অনুমতি নেই’ দাবি করে আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল সরকার র‌্যাব বিলুপ্তিতে একমত: নতুন বাহিনী নিয়ে সংসদে ‘বাহাস’ র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে উত্থাপন

জেন-জি ফার্মের মুরগি না, তারা আবাবিল পাখির মতো: চিফ প্রসিকিউটর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৭৬ বার পড়া হয়েছে

এবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, জেন-জি প্রজন্ম ফার্মের মুরগি না, তারা আবাবিল পাখির মত। তিনি বলেন, এই জেন-জি প্রজন্ম স্বৈরাচারের পতনই শুধু ঘটায়নি, দিল্লি পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে গেছে। আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। একুশ পূর্ণ করে বাইশ বছরে পদার্পণ করল দৈনিক নয়া দিগন্ত।

তাজুল ইসলাম বলেন, ন্যারেটিভ তৈরিতে সংবাদপত্রের বিশাল ভূমিকা। শেখ হাসিনার ন্যারেটিভ দেশকে খাদের তলায় নিয়ে যায়। কিন্তু জেন-জি প্রজন্ম সেই অতীতের মিথ ভেঙে দিয়েছে। এক শ বছরে এমন ঘটনা বিরল। ‘এর আগে সাংবাদিকতা ছিল তোষামোদির শিল্প। প্রশ্নে জর্জরিত করার বদলে তৈলমর্দন করা হতো। হাসিনাকে জিজ্ঞেস করা হতো, কেন আপনি নোবেল প্রাইজ পাচ্ছেন না? যে কথা আমরা ইনিয়ে-বিনিয়ে বলতে চাই, তা জেন-জি প্রজন্ম স্রেফ একটা সংলাপের মধ্য দিয়ে বলে গেছে।’

জেন-জি প্রজন্মের প্রশংসা করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবে জেন-জি’র নেটওয়ার্কিং ছিল কল্পনার বাইরে। জেন-জি প্রজন্মকে আমরা বলতাম ফার্মের মুরগি, অথচ তারা আবাবিল পাখির মতো। যারা স্বৈরাচারের পতনই শুধু ঘটায়নি, দিল্লি পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে গেছে।’

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা বুঝতে হবে নয়া দিগন্তকে। অভিযোজনের মাধ্যমে টিকে থাকতে না পারলে এই পত্রিকার অবস্থা ইত্তেফাকের মত হবে। আমাদের পত্রপত্রিকা বিগত সরকারের ভয়ের সংস্কৃতি তুলে আনতে পারেনি। এখন গণমাধ্যমের দায়িত্ব সেগুলোকে তুলে আনা, যাতে গুমের মত ঘটনা আর না ঘটে। শহীদদের কথা তুলে আনতে হবে। নয়তো আগামীর বাংলাদেশে বাস করার অধিকার আমাদের থাকবে না।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খুব শিগগিরই ইরানের ইসলামি শাসনব্যবস্থার পতন: নেতানিয়াহু

জেন-জি ফার্মের মুরগি না, তারা আবাবিল পাখির মতো: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় ০২:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

এবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, জেন-জি প্রজন্ম ফার্মের মুরগি না, তারা আবাবিল পাখির মত। তিনি বলেন, এই জেন-জি প্রজন্ম স্বৈরাচারের পতনই শুধু ঘটায়নি, দিল্লি পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে গেছে। আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। একুশ পূর্ণ করে বাইশ বছরে পদার্পণ করল দৈনিক নয়া দিগন্ত।

তাজুল ইসলাম বলেন, ন্যারেটিভ তৈরিতে সংবাদপত্রের বিশাল ভূমিকা। শেখ হাসিনার ন্যারেটিভ দেশকে খাদের তলায় নিয়ে যায়। কিন্তু জেন-জি প্রজন্ম সেই অতীতের মিথ ভেঙে দিয়েছে। এক শ বছরে এমন ঘটনা বিরল। ‘এর আগে সাংবাদিকতা ছিল তোষামোদির শিল্প। প্রশ্নে জর্জরিত করার বদলে তৈলমর্দন করা হতো। হাসিনাকে জিজ্ঞেস করা হতো, কেন আপনি নোবেল প্রাইজ পাচ্ছেন না? যে কথা আমরা ইনিয়ে-বিনিয়ে বলতে চাই, তা জেন-জি প্রজন্ম স্রেফ একটা সংলাপের মধ্য দিয়ে বলে গেছে।’

জেন-জি প্রজন্মের প্রশংসা করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবে জেন-জি’র নেটওয়ার্কিং ছিল কল্পনার বাইরে। জেন-জি প্রজন্মকে আমরা বলতাম ফার্মের মুরগি, অথচ তারা আবাবিল পাখির মতো। যারা স্বৈরাচারের পতনই শুধু ঘটায়নি, দিল্লি পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে গেছে।’

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা বুঝতে হবে নয়া দিগন্তকে। অভিযোজনের মাধ্যমে টিকে থাকতে না পারলে এই পত্রিকার অবস্থা ইত্তেফাকের মত হবে। আমাদের পত্রপত্রিকা বিগত সরকারের ভয়ের সংস্কৃতি তুলে আনতে পারেনি। এখন গণমাধ্যমের দায়িত্ব সেগুলোকে তুলে আনা, যাতে গুমের মত ঘটনা আর না ঘটে। শহীদদের কথা তুলে আনতে হবে। নয়তো আগামীর বাংলাদেশে বাস করার অধিকার আমাদের থাকবে না।’