ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতের কেরালায় ইসলাম ত্যাগের চেয়ে ইসলাম গ্রহণের হার বাড়ছে নিখোঁজের ৫০ দিন পর রান্নাঘরের মাটি খুঁড়ে মিলল বৃদ্ধের মরদেহ দীপিকা-ক্যাটরিনাকে ছাড়িয়ে শীর্ষে আলিয়া ভাট বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জানাজা: ৯ জুলাই চিরবিদায় খামেনির সংঘর্ষের পর স্লিপার বাসে আগুন, মুহূর্তেই ঝরল ৭ জনের প্রাণ খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশুর মৃত্যু কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে: প্রেসিডেন্ট মারিয়া নেভেস যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হরমুজে শুল্কারোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান

প্রশ্নের সেট ‘পদ্মা’ হলে কাশি দেবেন, পরীক্ষার হলে বারবার কাশি দিয়ে ধরা পড়লেন চাকরিপ্রার্থী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৯৩৩ বার পড়া হয়েছে

এবার দিনাজপুর শহরের কসবা এলাকায় কেরী মেমোরিয়াল হাইস্কুলের পরীক্ষা কেন্দ্রে খাদ্য অধিদপ্তরের ‘উপখাদ্য পরিদর্শক’ পদের লিখিত পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে এক চাকরিপ্রার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে দুটি ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে তাকে আটক করা হয়। আটক পরীক্ষার্থীর নাম কৃষ্ণকান্ত রায়। তিনি বিরল উপজেলার সিঙ্গুল পূর্ব রাজারামপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত বছর স্নাতক সম্পন্ন করেন। দিনাজপুর শহরের ফকিরপাড়া এলাকায় একটি ছাত্রাবাসে ভাড়া থাকতেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, চাকরির পরীক্ষার হলে বারবার কাশি দিচ্ছিলেন কৃষ্ণকান্ত রায়। বিষয়টি সন্দেহ হওয়ায় তাকে তল্লাশি চালায় কৃর্তপক্ষ। এসময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় দুটি ডিভাইস। এর মধ্যে একটি তার কানে বিশেষ প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিল। অন্যটি যুক্ত ছিল পরনের গেঞ্জির মধ্যে। পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে তাকে তাৎক্ষণিক আটক করেছে পুলিশ।

তারা আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে কৃষ্ণকান্ত রায় চাকরির পরীক্ষায় জালিয়াতির কথা স্বীকার করেছেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত ঢাকার একটি চক্রের মাধ্যমে এসব ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষায় বসেছিলেন। যোগাযোগ ডিভাইসের অন্য প্রান্ত থেকে তাকে বলা হয়েছিল, প্রশ্নের সেট ‘পদ্মা’ হলে যেন কাশি দেন। বিষয়টি বুঝতে না পেরে বারবার কাশি দিতে গিয়ে ধরা পড়েন ওই চাকরিপ্রার্থী।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল, ওই কেন্দ্রে এক পরীক্ষার্থী ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন; কিন্তু সেটি কোন কক্ষে এবং কোন পরীক্ষার্থী— সেটি অস্পষ্ট ছিল। আমরা বিশেষ নজরদারিতে রেখেছিলাম। পরে ১০১ নম্বর রুমের ওই শিক্ষার্থীকে সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে আমরা তাকে তল্লাশি করি এবং সত্যটি বেরিয়ে আসে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

প্রশ্নের সেট ‘পদ্মা’ হলে কাশি দেবেন, পরীক্ষার হলে বারবার কাশি দিয়ে ধরা পড়লেন চাকরিপ্রার্থী

আপডেট সময় ০২:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

এবার দিনাজপুর শহরের কসবা এলাকায় কেরী মেমোরিয়াল হাইস্কুলের পরীক্ষা কেন্দ্রে খাদ্য অধিদপ্তরের ‘উপখাদ্য পরিদর্শক’ পদের লিখিত পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে এক চাকরিপ্রার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে দুটি ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে তাকে আটক করা হয়। আটক পরীক্ষার্থীর নাম কৃষ্ণকান্ত রায়। তিনি বিরল উপজেলার সিঙ্গুল পূর্ব রাজারামপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত বছর স্নাতক সম্পন্ন করেন। দিনাজপুর শহরের ফকিরপাড়া এলাকায় একটি ছাত্রাবাসে ভাড়া থাকতেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, চাকরির পরীক্ষার হলে বারবার কাশি দিচ্ছিলেন কৃষ্ণকান্ত রায়। বিষয়টি সন্দেহ হওয়ায় তাকে তল্লাশি চালায় কৃর্তপক্ষ। এসময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় দুটি ডিভাইস। এর মধ্যে একটি তার কানে বিশেষ প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিল। অন্যটি যুক্ত ছিল পরনের গেঞ্জির মধ্যে। পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে তাকে তাৎক্ষণিক আটক করেছে পুলিশ।

তারা আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে কৃষ্ণকান্ত রায় চাকরির পরীক্ষায় জালিয়াতির কথা স্বীকার করেছেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত ঢাকার একটি চক্রের মাধ্যমে এসব ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষায় বসেছিলেন। যোগাযোগ ডিভাইসের অন্য প্রান্ত থেকে তাকে বলা হয়েছিল, প্রশ্নের সেট ‘পদ্মা’ হলে যেন কাশি দেন। বিষয়টি বুঝতে না পেরে বারবার কাশি দিতে গিয়ে ধরা পড়েন ওই চাকরিপ্রার্থী।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল, ওই কেন্দ্রে এক পরীক্ষার্থী ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন; কিন্তু সেটি কোন কক্ষে এবং কোন পরীক্ষার্থী— সেটি অস্পষ্ট ছিল। আমরা বিশেষ নজরদারিতে রেখেছিলাম। পরে ১০১ নম্বর রুমের ওই শিক্ষার্থীকে সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে আমরা তাকে তল্লাশি করি এবং সত্যটি বেরিয়ে আসে।