ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেল আবিবের রাস্তায় নেমে এল হাজার হাজার মানুষ ২ মাসের মধ্যে তেল শোধন ক্ষমতা ৮০ শতাংশে ফেরাতে চায় ইরান জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজির মাধ্যমে সংসদে যাত্রা শুরু করেছে বিএনপি: জামায়াতে আমির এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে কোনো দলের ব্যানারে দেখতে চাই না: সারজিস আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়লো ইরানি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসঘাতকতা ও বিদ্বেষের কথা আমরা ভুলব না: ইরান সরকারের সিদ্ধান্তেই ইন্টারনেট বন্ধ হয়: জয়-পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আইএসপিএবি সভাপতি ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

এলপিজি আমদানি সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

এলপিজি আমদানি সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি সহজ করতে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একক গ্রাহকের ঋণসীমার ২৫ শতাংশ শর্ত এলপিজি আমদানিকারকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। এই সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে বুধবার (২৫ মার্চ) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইনে এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে যে ২৫ শতাংশ ঊর্ধ্বসীমা রয়েছে, তা আপাতত বহাল থাকবে না। এর বদলে কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা কত হবে, তা বাংলাদেশ ব্যাংক আলাদাভাবে নির্ধারণ করবে।

একইসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে, এই সুবিধা শুধু এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। অন্য কোনো পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে একক ঋণগ্রহীতা সীমা অতিক্রমের সুযোগ থাকছে না।

জানা যায়, এই সুবিধার দাবিতে গত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি আবেদন করেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা। পরে নতুন সরকার গঠিত হলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে একই দাবি উত্থাপন করেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক শর্ত শিথিলের সিদ্ধান্ত নেয়।

 

তবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এলপিজি বাজারে যাদের বাজার হিস্যা সবচেয়ে বেশি, তারা ১৩টি ব্যাংকের মাধ্যমে আমদানি করে। একক গ্রাহকের ঋণসীমা নিয়ে তাদের সমস্যা হচ্ছে না। যেসব ব্যবসায়ী প্রভাবশালী ও এক ব্যাংকনির্ভর, তারাই এ সুবিধার জন্য তোড়জোড় করেন। তাদের ঋণ পরিশোধের অতীত রেকর্ডও ভালো নয়। এরপরও গভর্নর তাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন।

এর আগে, গত জানুয়ারিতে সরবরাহ সংকট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার জারি করে বাকিতে এলপিজি আমদানির সুযোগ দেয়। তখন বলা হয়েছিল, অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ার্স বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটে এলপিজি আমদানি করা যাবে। সে জন্য এলপিজিকে শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করা হবে এবং ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন।

সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পরে শুল্ক-ভ্যাটেও ছাড় দেয় সরকার। ফেব্রুয়ারি মাসে এলপিজির স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতির প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম

এলপিজি আমদানি সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ০৮:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

এলপিজি আমদানি সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি সহজ করতে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একক গ্রাহকের ঋণসীমার ২৫ শতাংশ শর্ত এলপিজি আমদানিকারকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। এই সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে বুধবার (২৫ মার্চ) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইনে এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে যে ২৫ শতাংশ ঊর্ধ্বসীমা রয়েছে, তা আপাতত বহাল থাকবে না। এর বদলে কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা কত হবে, তা বাংলাদেশ ব্যাংক আলাদাভাবে নির্ধারণ করবে।

একইসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে, এই সুবিধা শুধু এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। অন্য কোনো পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে একক ঋণগ্রহীতা সীমা অতিক্রমের সুযোগ থাকছে না।

জানা যায়, এই সুবিধার দাবিতে গত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি আবেদন করেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা। পরে নতুন সরকার গঠিত হলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে একই দাবি উত্থাপন করেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক শর্ত শিথিলের সিদ্ধান্ত নেয়।

 

তবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এলপিজি বাজারে যাদের বাজার হিস্যা সবচেয়ে বেশি, তারা ১৩টি ব্যাংকের মাধ্যমে আমদানি করে। একক গ্রাহকের ঋণসীমা নিয়ে তাদের সমস্যা হচ্ছে না। যেসব ব্যবসায়ী প্রভাবশালী ও এক ব্যাংকনির্ভর, তারাই এ সুবিধার জন্য তোড়জোড় করেন। তাদের ঋণ পরিশোধের অতীত রেকর্ডও ভালো নয়। এরপরও গভর্নর তাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন।

এর আগে, গত জানুয়ারিতে সরবরাহ সংকট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার জারি করে বাকিতে এলপিজি আমদানির সুযোগ দেয়। তখন বলা হয়েছিল, অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ার্স বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটে এলপিজি আমদানি করা যাবে। সে জন্য এলপিজিকে শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করা হবে এবং ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন।

সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পরে শুল্ক-ভ্যাটেও ছাড় দেয় সরকার। ফেব্রুয়ারি মাসে এলপিজির স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতির প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।