ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

অব্যবহৃত মোবাইল ডাটার মেয়াদ নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৫১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে

মোবাইল ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হলে অব্যবহৃত ডাটা কেটে নেওয়া এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিমানভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানোর ঘটনায় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সদস্যরা। এসব বিষয়ে জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ১৫তম কার্যদিবসে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিষয়গুলো তুলে ধরেন সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য মোবাইল ডাটা কিনলেও অনেক ক্ষেত্রে মেয়াদ শেষে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডাটা অব্যবহৃত থেকে যায়। কিন্তু সেই ডাটার সুবিধা গ্রাহক আর পান না। ফলে গ্রাহকদের অর্থের একটি অংশ কার্যত অপচয় হয়। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তিনি।

একই সঙ্গে মোবাইল অপারেটরদের কাছে সরকারের বিপুল অঙ্কের পাওনা থাকার বিষয়ও উল্লেখ করেন জয়নুল আবদিন ফারুক। তার দাবি, চারটি মোবাইল অপারেটরের কাছে সরকারের প্রায় ১৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে, যা দ্রুত আদায়ে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

বিমানভাড়া নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। সংসদ সদস্যের অভিযোগ, সপ্তাহের শেষ দিকে বিশেষ করে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান টিকিটের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এতে সাধারণ যাত্রীদের অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে।

তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, বিমানভাড়ার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি দীর্ঘদিন ধরেই জনভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে সরকারের পাওনা অর্থ আদায়ের বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের পর ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এসব বিষয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় নোটিশ দিলে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের সুযোগ রয়েছে।

মোবাইল ডাটার মেয়াদ, গ্রাহকস্বার্থ এবং বিমানভাড়ার অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো নিয়ে সংসদে আলোচনার ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বায়ুদূষণে প্রতিদিন ২৪২ জনের মৃত্যু: বছরে ক্ষতি ২৩ বিলিয়ন ডলার

অব্যবহৃত মোবাইল ডাটার মেয়াদ নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

আপডেট সময় ০১:৫১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

মোবাইল ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হলে অব্যবহৃত ডাটা কেটে নেওয়া এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিমানভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানোর ঘটনায় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সদস্যরা। এসব বিষয়ে জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ১৫তম কার্যদিবসে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিষয়গুলো তুলে ধরেন সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য মোবাইল ডাটা কিনলেও অনেক ক্ষেত্রে মেয়াদ শেষে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডাটা অব্যবহৃত থেকে যায়। কিন্তু সেই ডাটার সুবিধা গ্রাহক আর পান না। ফলে গ্রাহকদের অর্থের একটি অংশ কার্যত অপচয় হয়। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তিনি।

একই সঙ্গে মোবাইল অপারেটরদের কাছে সরকারের বিপুল অঙ্কের পাওনা থাকার বিষয়ও উল্লেখ করেন জয়নুল আবদিন ফারুক। তার দাবি, চারটি মোবাইল অপারেটরের কাছে সরকারের প্রায় ১৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে, যা দ্রুত আদায়ে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

বিমানভাড়া নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। সংসদ সদস্যের অভিযোগ, সপ্তাহের শেষ দিকে বিশেষ করে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান টিকিটের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এতে সাধারণ যাত্রীদের অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে।

তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, বিমানভাড়ার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি দীর্ঘদিন ধরেই জনভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে সরকারের পাওনা অর্থ আদায়ের বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের পর ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এসব বিষয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় নোটিশ দিলে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের সুযোগ রয়েছে।

মোবাইল ডাটার মেয়াদ, গ্রাহকস্বার্থ এবং বিমানভাড়ার অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো নিয়ে সংসদে আলোচনার ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে।