ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্পেন ম্যাচের আগে কোচের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ উরুগুয়ে শিবিরে জব্দ হেরোইনও কখনো ‘আটা-ময়দা’ হয়ে যায়, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গ থেকে পুশইনের চেষ্টা ঠেকাতে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্কে আজান নিষিদ্ধের নতুন উদ্যোগ, আইনি বৈধতা যাচাই শুরু বাংলাদেশ–মিয়ানমার হয়ে নতুন করিডোরের প্রস্তাব চীনের জার্মানিকে হারানোর আনন্দে জাতীয় ছুটি দিল ইকুয়েডর ইউক্রেনকে ইউরেনিয়াম সহায়তায় ক্ষোভে ফুঁসছে রাশিয়া আটকে থাকা ইরানি তহবিল দিয়ে ইরানের জন্যই মার্কিন কৃষিপণ্য কিনতে চান ট্রাম্প এক বছরের মধ্যেই গুমের সব মামলার নিষ্পত্তি: ট্রাইব্যুনাল অব্যবহৃত মোবাইল ডাটার মেয়াদ নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

বাংলাদেশ–মিয়ানমার হয়ে নতুন করিডোরের প্রস্তাব চীনের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে যুক্ত করে একটি ইকোনোমিক করিডোর গড়ে তোলার প্রস্তাব উঠেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকে। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক বাণিজ্য, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আলোচনায় বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি ইকোনোমিক করিডোর প্রতিষ্ঠার বিষয়টি উঠে এসেছে। এই করিডোরের মাধ্যমে আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিধি বৃদ্ধি এবং বহুমুখী পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন সম্ভব হবে।

মাহাদী আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, করিডোরটি বাস্তবায়িত হলে পণ্য পরিবহন ও ট্রানজিট সুবিধা বাড়বে, পাশাপাশি তিন দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে।

এর আগে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনের বীরদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

চীন সফরের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দেশটির শীর্ষ নেতা ঝাও লেজির সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শন। সফর শেষে শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রস্তাবিত বাংলাদেশ–মিয়ানমার–চীন ইকোনোমিক করিডোর বাস্তবায়িত হলে এটি আঞ্চলিক সংযোগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেন ম্যাচের আগে কোচের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ উরুগুয়ে শিবিরে

বাংলাদেশ–মিয়ানমার হয়ে নতুন করিডোরের প্রস্তাব চীনের

আপডেট সময় ০৩:০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে যুক্ত করে একটি ইকোনোমিক করিডোর গড়ে তোলার প্রস্তাব উঠেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকে। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক বাণিজ্য, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আলোচনায় বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি ইকোনোমিক করিডোর প্রতিষ্ঠার বিষয়টি উঠে এসেছে। এই করিডোরের মাধ্যমে আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিধি বৃদ্ধি এবং বহুমুখী পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন সম্ভব হবে।

মাহাদী আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, করিডোরটি বাস্তবায়িত হলে পণ্য পরিবহন ও ট্রানজিট সুবিধা বাড়বে, পাশাপাশি তিন দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে।

এর আগে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনের বীরদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

চীন সফরের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দেশটির শীর্ষ নেতা ঝাও লেজির সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শন। সফর শেষে শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রস্তাবিত বাংলাদেশ–মিয়ানমার–চীন ইকোনোমিক করিডোর বাস্তবায়িত হলে এটি আঞ্চলিক সংযোগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।