ঢাকা , সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানে পরমাণু হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা বিচার করে দেওয়ার কথা বলে নারীকে আবাসিক হোটেল নিয়ে গেলেন বিএনপির নেতা ভারতীয় ত্রাণ সীমান্তেই ফিরিয়ে দিচ্ছে নেপাল বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার জুলাই সনদ চাইবেন, আবার বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন না, দুটি বিপরীতমুখী: বিরোধীদলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে দিল্লির সেমিনার পুলিশি বাধায় বাতিল সাগর-রুনি হত্যায় জড়িত জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচী আলোচিত সবুজ মাংস: ল্যাব রিপোর্টে জানা গেল ঘটনার আসল রহস্য স্পিকারকে পিটিয়ে হত্যা ও জুতা ছোড়াছুড়ির কালো ইতিহাসে ফিরতে চাই না: সংসদে তাহের রাজনীতি আর কোনো নির্বাচনে এক ভোটও কারচুপি হতে দেবো না: সেলিম উদ্দীন

সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে এক গ্রাম সোনার আংটি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:২৪:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদীতে একটি কুকুরের গলায় ইট বেঁধে সেতু থেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে এক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায়ও তীব্র নিন্দার ঝড় বইছে।

জানা গেছে, গত ২৪ জুন সকালে নরসিংদী সদর উপজেলার নাগরিয়াকান্দি এলাকায় একটি কুকুরের গলায় দড়ি দিয়ে ইট বেঁধে সেতু থেকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে বিষয়টি নজরে আসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী (২৫) সদর উপজেলার কামারগাঁও এলাকার আব্দুর রবের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কসাই এবং স্থানীয় বাজারে গরু জবাই ও দিনমজুরির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

তবে ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন অভিযুক্তের স্ত্রী পাখি আক্তার। তিনি বলেন, তার স্বামী নেশাগ্রস্ত হলেও নিজের সিদ্ধান্তে কুকুরটিকে হত্যা করেননি। তার দাবি, কুকুরটি ছিল প্রতিবেশী শাহিনারা ও তার ছেলে সোহাগ মিয়ার পালিত। তাদের নির্দেশেই মোহাম্মদ আলী কুকুরটিকে নাগরিয়াকান্দি সেতুতে নিয়ে গিয়ে গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেন।

পাখি আক্তার আরও বলেন, যদি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে নির্দেশদাতাদের বিরুদ্ধেও একইভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও কারা এতে জড়িত ছিলেন, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে পরমাণু হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা

সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে এক গ্রাম সোনার আংটি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

আপডেট সময় ০৫:২৪:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

নরসিংদীতে একটি কুকুরের গলায় ইট বেঁধে সেতু থেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে এক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায়ও তীব্র নিন্দার ঝড় বইছে।

জানা গেছে, গত ২৪ জুন সকালে নরসিংদী সদর উপজেলার নাগরিয়াকান্দি এলাকায় একটি কুকুরের গলায় দড়ি দিয়ে ইট বেঁধে সেতু থেকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে বিষয়টি নজরে আসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী (২৫) সদর উপজেলার কামারগাঁও এলাকার আব্দুর রবের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কসাই এবং স্থানীয় বাজারে গরু জবাই ও দিনমজুরির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

তবে ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন অভিযুক্তের স্ত্রী পাখি আক্তার। তিনি বলেন, তার স্বামী নেশাগ্রস্ত হলেও নিজের সিদ্ধান্তে কুকুরটিকে হত্যা করেননি। তার দাবি, কুকুরটি ছিল প্রতিবেশী শাহিনারা ও তার ছেলে সোহাগ মিয়ার পালিত। তাদের নির্দেশেই মোহাম্মদ আলী কুকুরটিকে নাগরিয়াকান্দি সেতুতে নিয়ে গিয়ে গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেন।

পাখি আক্তার আরও বলেন, যদি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে নির্দেশদাতাদের বিরুদ্ধেও একইভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও কারা এতে জড়িত ছিলেন, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।