ঢাকা , রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফ্যাসিস্ট সরকার বিদ্যুৎ খাতকে চুরির ভান্ডারে পরিণত করেছিল: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সৌদির অর্থ-তুরস্কের প্রযুক্তি-পাকিস্তানের পরমাণু শক্তি, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ভারতের ‘আমির হামজাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গণঅধিকার পরিষদের সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে’ মধ্যরাতে দক্ষিণ স্পেনে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ করায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যা প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান প্রস্তাব হাসনাতের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের ভিডিও কলে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ সমাধান আমাদের হাতে কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে, প্রধানমন্ত্রীকে হাসনাত কিছু হলেই আওয়ামী লীগকে পেটাতে হবে, এই জুলুম বন্ধ করেন ভাই: ফাহাম

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৫৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে

এবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান বলেন, সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এত মানুষ মারা গেলেও রাষ্ট্রের তিন বাহিনীর প্রধান হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারতেন, কিন্তু সে সময় তিনি কোনো ভূমিকা রাখেননি। ৫ আগস্ট পর্যন্ত আয়নাঘর, গুমখুন ইত্যাদির বিষয়ে তিনি কোনো প্রতিবাদ করেননি। এসব অপরাধে তার মৌন সম্মতি ছিল, তাই এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদিন ট্রাইব্যুনালে ব্রিফিংকালে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি জানায়, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা গণহত্যা ছাড়াও গুমখুনসহ বাংলাদেশে যত হত্যাকাণ্ড হয়েছে, এই ঘটনাগুলোর সময় আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। আইনজীবীরা প্রায়ই একটি কথা বলে থাকেনসুপিরিয়র রিসপনসিবিলিটি। অর্থাৎ, একটি গণহত্যার সময় সেখানে রাষ্ট্রের বা দলের সর্বোচ্চ যে ব্যক্তি থাকেন, তার ওপর মূলত ওই অপরাধের দায় বর্তায়। তৎকালীন সময়ের রাষ্ট্রপতিরা তিন বাহিনীর প্রধান হয়েও যারা ফ্যাস্টিস্ট সরকারকে সহায়তা দিয়েছেন, নিরাপত্তা দিয়েছেন, অন্যায়গুলোর প্রতিবাদ করেননি এবং ক্ষমতার সুবিধাভোগী হয়েছেন সেজন্য তারা এসব অন্যায়ের দায় এড়াতে পারে না। এ কারণে বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করার অভিযোগ এনে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে পৃথক একটি অভিযোগ দাখিল করেছে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম। রোববার ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিস্ট সরকার বিদ্যুৎ খাতকে চুরির ভান্ডারে পরিণত করেছিল: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের

আপডেট সময় ০২:৫৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

এবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান বলেন, সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এত মানুষ মারা গেলেও রাষ্ট্রের তিন বাহিনীর প্রধান হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারতেন, কিন্তু সে সময় তিনি কোনো ভূমিকা রাখেননি। ৫ আগস্ট পর্যন্ত আয়নাঘর, গুমখুন ইত্যাদির বিষয়ে তিনি কোনো প্রতিবাদ করেননি। এসব অপরাধে তার মৌন সম্মতি ছিল, তাই এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদিন ট্রাইব্যুনালে ব্রিফিংকালে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি জানায়, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা গণহত্যা ছাড়াও গুমখুনসহ বাংলাদেশে যত হত্যাকাণ্ড হয়েছে, এই ঘটনাগুলোর সময় আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। আইনজীবীরা প্রায়ই একটি কথা বলে থাকেনসুপিরিয়র রিসপনসিবিলিটি। অর্থাৎ, একটি গণহত্যার সময় সেখানে রাষ্ট্রের বা দলের সর্বোচ্চ যে ব্যক্তি থাকেন, তার ওপর মূলত ওই অপরাধের দায় বর্তায়। তৎকালীন সময়ের রাষ্ট্রপতিরা তিন বাহিনীর প্রধান হয়েও যারা ফ্যাস্টিস্ট সরকারকে সহায়তা দিয়েছেন, নিরাপত্তা দিয়েছেন, অন্যায়গুলোর প্রতিবাদ করেননি এবং ক্ষমতার সুবিধাভোগী হয়েছেন সেজন্য তারা এসব অন্যায়ের দায় এড়াতে পারে না। এ কারণে বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করার অভিযোগ এনে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে পৃথক একটি অভিযোগ দাখিল করেছে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম। রোববার ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।