ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বড় লক্ষ্য অর্জনে কি ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বলির পাঁঠা বানালেন মোদি? সন্তানদের ওপর রাগ করে ফের বিয়ে করলেন ৮০ বছরের বৃদ্ধ সৌদি আরবকে বাঁচাতে অভিনব কায়দায় ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সমঝোতা শিগগিরই দেশে আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনা সদস্যদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পছন্দের উর্ধ্বে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইরাকের এরবিলে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রায় সব’ সামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের দাবি ইরানের পদার্থে দুটি ভুলের পর এবার রসায়ন পরীক্ষায় ৮ সৃজনশীলের ৪টিতেই ভুল! জোড়া গোল করেই পরের ম্যাচে নিষিদ্ধ নেইমার এমপি নজরুলের একের পর এক বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর ভিডিও এতিমখানা থেকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে স্বপ্নযাত্রায় ‘কিকি’ রামোস

সৌদি আরবকে বাঁচাতে অভিনব কায়দায় ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সমঝোতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

এবার পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে নেপথ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রধান আহমাদ বাহিদির সঙ্গে একটি যৌথ তেল পরিবহন উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে এই সমঝোতা সম্ভব হয়।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এক মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক কূটনীতিক, একটি আঞ্চলিক গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট আরেক ব্যক্তি জানিয়েছেন, গত মার্চের শেষ দিকে এই সমঝোতা হয়। তখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের প্রাথমিক পর্যায় চলছিল। তাদের দাবি, যুদ্ধের শুরুতে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ ইরানের হামলার ঝুঁকিতে থাকলেও সমঝোতার পর সৌদি আরব কার্যত এসব হামলা থেকে রক্ষা পায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত বছরের শেষ দিক থেকে ইরান থেকে পাকিস্তানে তেল পরিবহনের একটি যৌথ উদ্যোগ পরিচালিত হয়ে আসছে, যার সঙ্গে আসিম মুনির ও আহমাদ বাহিদির সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও এই উদ্যোগ থেকে উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পাওয়া গেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে তিন মাসের বেশি সময় সৌদি আরবের দিকে কোনো হামলা না হলেও, গত সপ্তাহান্তে তেহরান একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ওই কূটনীতিকের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর জেনারেল মুনির আহমাদ বাহিদিকে সতর্কবার্তা পাঠান এবং জানান, এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকলে তাদের যৌথ উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এরপর থেকে সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে আর কোনো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেনি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গোয়েন্দা সূত্রটির দাবি, এই মধ্যস্থতার মাধ্যমে পাকিস্তান সৌদি আরবের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করতে চেয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে রিয়াদ নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক ইস্যুতে ইসলামাবাদের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় লক্ষ্য অর্জনে কি ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বলির পাঁঠা বানালেন মোদি?

সৌদি আরবকে বাঁচাতে অভিনব কায়দায় ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সমঝোতা

আপডেট সময় ১২:৩১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

এবার পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে নেপথ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রধান আহমাদ বাহিদির সঙ্গে একটি যৌথ তেল পরিবহন উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে এই সমঝোতা সম্ভব হয়।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এক মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক কূটনীতিক, একটি আঞ্চলিক গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট আরেক ব্যক্তি জানিয়েছেন, গত মার্চের শেষ দিকে এই সমঝোতা হয়। তখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের প্রাথমিক পর্যায় চলছিল। তাদের দাবি, যুদ্ধের শুরুতে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ ইরানের হামলার ঝুঁকিতে থাকলেও সমঝোতার পর সৌদি আরব কার্যত এসব হামলা থেকে রক্ষা পায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত বছরের শেষ দিক থেকে ইরান থেকে পাকিস্তানে তেল পরিবহনের একটি যৌথ উদ্যোগ পরিচালিত হয়ে আসছে, যার সঙ্গে আসিম মুনির ও আহমাদ বাহিদির সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও এই উদ্যোগ থেকে উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পাওয়া গেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে তিন মাসের বেশি সময় সৌদি আরবের দিকে কোনো হামলা না হলেও, গত সপ্তাহান্তে তেহরান একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ওই কূটনীতিকের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর জেনারেল মুনির আহমাদ বাহিদিকে সতর্কবার্তা পাঠান এবং জানান, এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকলে তাদের যৌথ উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এরপর থেকে সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে আর কোনো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেনি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গোয়েন্দা সূত্রটির দাবি, এই মধ্যস্থতার মাধ্যমে পাকিস্তান সৌদি আরবের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করতে চেয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে রিয়াদ নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক ইস্যুতে ইসলামাবাদের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়।