ঢাকা , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় যাত্রাবিরতিতে ভুটানের রাজা, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুককে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার ভোরে সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেন ভুটানের রাজা।

ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ‘BNP Media Cell’-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টার অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানান।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান ভুটানের রাজা। জবাবে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি।

আলাপকালে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ ও ভুটানের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান। বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার বাবা রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও শুভকামনার কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।

এ সময় শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন ভুটানের রাজা।

এ ছাড়া তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক। এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

প্রকল্পটির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আঞ্চলিক বিভিন্ন রূপান্তরমূলক উদ্যোগে ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় যাত্রাবিরতিতে ভুটানের রাজা, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০১:৪১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুককে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার ভোরে সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেন ভুটানের রাজা।

ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ‘BNP Media Cell’-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টার অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানান।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান ভুটানের রাজা। জবাবে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি।

আলাপকালে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ ও ভুটানের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান। বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার বাবা রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও শুভকামনার কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।

এ সময় শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন ভুটানের রাজা।

এ ছাড়া তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক। এ উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

প্রকল্পটির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আঞ্চলিক বিভিন্ন রূপান্তরমূলক উদ্যোগে ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।