ঢাকা , সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘নতুন ধান্দা, কেউ টাকা দিবেন না’: হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে হামিম ৯৬ কার্ডের সুবিধা মিলবে এক ইউনিভার্সাল কার্ডে! সালমান মুক্তাদির ভিকটিম নাকি ভূমিদস্যুর সহযোগী: প্রশ্ন তারেক রহমানের ভারতে ৬ শতাব্দী পুরোনো মসজিদ ভাঙা ঠেকাতে রাতেও পাহারা দিচ্ছেন মুসল্লিরা মিরপুরে রাড্ডার হামলাকে ইসরায়েলি হামলার সঙ্গে তুলনা করলেন ব্যারিস্টার ‍ফুয়াদ ইউক্রেনকে ক্ষমা চাইতে হবে: দক্ষিণ কোরিয়া চাঁদাবাজির বিকল্প হিসেবে গণভিক্ষা কর্মসূচির ঘোষণা হাসনাতের, দানবাক্স উন্মুক্ত আজ এমন সাইবার সুরক্ষা আইন করতে চাই যেন সমাজের সব মানুষ রক্ষা পায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাড্ডা ক্লিনিক দখলমুক্ত ঘোষণা, সাইনবোর্ড টানালেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন সাকিব আল হাসান

১০ দেশ মিলে ক্রিকেট দর্শক সংখ্যা বাংলাদেশের এককভাবে তৈরি সংখ্যার সমান: সাবেক পাক তারকা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

এবার পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) তীব্র সমালোচনা করেছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার পর তিনি এর ধারাবাহিকতা ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারত থেকে বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো আরেক আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানায় বাংলাদেশ। আইসিসি জানিয়ে দেয়, তাদেরকে ভারতেই খেলতে হবে। তারপরও বাংলাদেশ অনড় অবস্থানে থাকায় তাদের বাদ দেওয়া হয়।

এদিকে আইসিসি বাংলাদেশের নিরাপত্তা উদ্বেগ পর্যালোচনা করেছিল। তবে যৌক্তিক কোনো শঙ্কা তারা খুঁজে পায়নি। বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ করে দিয়েছে তারা। আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে হতাশা ব্যক্ত করেছেন ইউসুফ। বাংলাদেশের বিশাল টেলিভিশন দর্শকগোষ্ঠীর কথা তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন।

ইউসুফ তার এক্স অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, স্কটল্যান্ড, নেপাল, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের সম্মিলিত ক্রিকেট দর্শক সংখ্যা মোটামুটিভাবে বাংলাদেশের এককভাবে তৈরি করা দর্শক সংখ্যার সমান। ১০টি দেশ মিলে: ১৭৮ মিলিয়ন। এককভাবে বাংলাদেশ: ১৭৬ মিলিয়ন।’

ইউসুফ আইসিসির শাসনব্যবস্থা নিয়ে আরও গুরুতর প্রশ্ন তুলে উল্লেখ করেন যে, প্রভাব-প্রতিপত্তি বা বেছে বেছে সুবিধা দেওয়ার ভিত্তিতে ক্রিকেট চালানো উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী দর্শকদের দ্বারা পরিচালিত একটি খেলায়, বাংলাদেশের যৌক্তিক নিরাপত্তা উদ্বেগকে একপাশে সরিয়ে রাখা ধারাবাহিকতা এবং সুশাসন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। যখন সুবিধা প্রদান নির্বাচনমূলক হয়ে যায়, তখন ন্যায্যতা বিলুপ্ত হয়। ক্রিকেট প্রভাব দ্বারা পরিচালিত হতে পারে না— এটি কেবল নীতি দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘নতুন ধান্দা, কেউ টাকা দিবেন না’: হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে হামিম

১০ দেশ মিলে ক্রিকেট দর্শক সংখ্যা বাংলাদেশের এককভাবে তৈরি সংখ্যার সমান: সাবেক পাক তারকা

আপডেট সময় ০৯:৫৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

এবার পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) তীব্র সমালোচনা করেছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার পর তিনি এর ধারাবাহিকতা ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারত থেকে বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো আরেক আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানায় বাংলাদেশ। আইসিসি জানিয়ে দেয়, তাদেরকে ভারতেই খেলতে হবে। তারপরও বাংলাদেশ অনড় অবস্থানে থাকায় তাদের বাদ দেওয়া হয়।

এদিকে আইসিসি বাংলাদেশের নিরাপত্তা উদ্বেগ পর্যালোচনা করেছিল। তবে যৌক্তিক কোনো শঙ্কা তারা খুঁজে পায়নি। বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ করে দিয়েছে তারা। আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে হতাশা ব্যক্ত করেছেন ইউসুফ। বাংলাদেশের বিশাল টেলিভিশন দর্শকগোষ্ঠীর কথা তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন।

ইউসুফ তার এক্স অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, স্কটল্যান্ড, নেপাল, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের সম্মিলিত ক্রিকেট দর্শক সংখ্যা মোটামুটিভাবে বাংলাদেশের এককভাবে তৈরি করা দর্শক সংখ্যার সমান। ১০টি দেশ মিলে: ১৭৮ মিলিয়ন। এককভাবে বাংলাদেশ: ১৭৬ মিলিয়ন।’

ইউসুফ আইসিসির শাসনব্যবস্থা নিয়ে আরও গুরুতর প্রশ্ন তুলে উল্লেখ করেন যে, প্রভাব-প্রতিপত্তি বা বেছে বেছে সুবিধা দেওয়ার ভিত্তিতে ক্রিকেট চালানো উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী দর্শকদের দ্বারা পরিচালিত একটি খেলায়, বাংলাদেশের যৌক্তিক নিরাপত্তা উদ্বেগকে একপাশে সরিয়ে রাখা ধারাবাহিকতা এবং সুশাসন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। যখন সুবিধা প্রদান নির্বাচনমূলক হয়ে যায়, তখন ন্যায্যতা বিলুপ্ত হয়। ক্রিকেট প্রভাব দ্বারা পরিচালিত হতে পারে না— এটি কেবল নীতি দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত।’