ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘জিহাদ ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই’: মোজতবা খামেনি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:১৯:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

হিজবুল্লাহকে রক্ষা এবং লেবাননের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখাকে ইরানের কৌশলগত দায়িত্ব বলে ঘোষণা করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘জিহাদ ও প্রতিরোধ ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই।’

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় খামেনি বলেন, লেবাননের ওপর ইসরায়েলের হামলা সম্পূর্ণ ও শর্তহীনভাবে বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির কোনো চুক্তি সম্ভব নয়।

তিনি হিজবুল্লাহর ধৈর্য ও আত্মত্যাগের প্রশংসা করে বলেন, সংগঠনটি এখন শুধু একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী নয়, বরং মুসলিম বিশ্বের গর্বে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি সাবেক হিজবুল্লাহ প্রধান সাইয়েদ হাসান নাসরুল্লাহ এবং সংঘাতে নিহত অন্যান্য কমান্ডারদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

এদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বৈঠকে লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ, লেবাননের সেনাবাহিনীকে মার্কিন সহায়তা এবং দেশটির পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘জিহাদ ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই’: মোজতবা খামেনি

আপডেট সময় ০৩:১৯:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

হিজবুল্লাহকে রক্ষা এবং লেবাননের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখাকে ইরানের কৌশলগত দায়িত্ব বলে ঘোষণা করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘জিহাদ ও প্রতিরোধ ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই।’

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় খামেনি বলেন, লেবাননের ওপর ইসরায়েলের হামলা সম্পূর্ণ ও শর্তহীনভাবে বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির কোনো চুক্তি সম্ভব নয়।

তিনি হিজবুল্লাহর ধৈর্য ও আত্মত্যাগের প্রশংসা করে বলেন, সংগঠনটি এখন শুধু একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী নয়, বরং মুসলিম বিশ্বের গর্বে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি সাবেক হিজবুল্লাহ প্রধান সাইয়েদ হাসান নাসরুল্লাহ এবং সংঘাতে নিহত অন্যান্য কমান্ডারদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

এদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বৈঠকে লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ, লেবাননের সেনাবাহিনীকে মার্কিন সহায়তা এবং দেশটির পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।