ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মার্কিন হামলার পর খার্গ দ্বীপের তেল অবকাঠামো পরিদর্শন ইরানি কর্মকর্তাদের বৈষম্যের চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাচ্ছে বিএনপি: ডা. তাহের সপরিবারে স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে পিন্টু: পুলিশ কথায় কথায় ওয়াকআউট করলে ক্ষতি হবে গণতন্ত্রের: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি জুলাই সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান, বিএনপি নেতাকে শোকজ সরকার পূর্ণ সংস্কারকে পাশ কাটিয়ে আংশিক সংস্কার করতে চাইছে, এমন অভিযোগে ওয়াকআউট করে বিরোধীদল মেহেরপুর থানায় একটি মাত্র জিডি, ফিরিয়ে পাচ্ছেন হারানো মুঠোফোন ও নগদ অর্থ রাশিয়ায় গ্যাস পাইপলাইন বিস্ফোরণে ১ বাংলাদেশি নিহত, জানা গেল পরিচয়

ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় বিএনপি এক নেতাকে দলীয় সব পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি খোকন আহমেদ ডিলার ও সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বকুলকে দল থেকে অব্যাহতির বিষয়টি জানানো হয়।

 

 

অব্যাহতি পাওয়া ওই নেতার নাম রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুল (৫০)। তিনি কেন্দুয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এ মামলার আরেক আসামি আবু মিয়া (৩৬)কে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুলকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুলসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযোগ করা হয়েছে, সে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর বকুল তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বকুলের সহযোগী এক নারী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুলের নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ও তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে ১৮ আগস্ট একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা পরীক্ষা করানো হলে চিকিৎসকেরা তাকে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান। এরপর তার বাবা থানায় মামলা করেন।

 

 

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘মামলার আসামি আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন হামলার পর খার্গ দ্বীপের তেল অবকাঠামো পরিদর্শন ইরানি কর্মকর্তাদের

ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি

আপডেট সময় ১১:২৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় বিএনপি এক নেতাকে দলীয় সব পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি খোকন আহমেদ ডিলার ও সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বকুলকে দল থেকে অব্যাহতির বিষয়টি জানানো হয়।

 

 

অব্যাহতি পাওয়া ওই নেতার নাম রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুল (৫০)। তিনি কেন্দুয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এ মামলার আরেক আসামি আবু মিয়া (৩৬)কে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুলকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুলসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযোগ করা হয়েছে, সে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর বকুল তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বকুলের সহযোগী এক নারী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুলের নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ও তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রীর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে ১৮ আগস্ট একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা পরীক্ষা করানো হলে চিকিৎসকেরা তাকে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান। এরপর তার বাবা থানায় মামলা করেন।

 

 

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘মামলার আসামি আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’