ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দলবদ্ধ ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, বিএনপি নেতাকে খুঁজছে পুলিশ বাংলাদেশের সিনেমার শুটিংয়ে গিয়ে নেপালে আটকা পড়েছেন টালিউডের জনপ্রিয় দুই অভিনেতা ‘মক্কা চুক্তি’তে যোগ দিলে বাংলাদেশের জন্য থাকছে যত সুযোগ-সম্ভাবনা চোরকে ধরে ১০০ রাকাত নামাজ পড়ালেন দোকান মালিক রাতের আঁধারে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে লাগানো গাছের চারা ধ্বংস নেপাল-চীন সীমান্তে বন্যা: নিখোঁজ ১৫০০, ৮০০ জনই বিদেশি ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের জন্য ভারতকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে ইরানি রিয়ালের মানে সর্বনিম্ন পতন, প্রায় ২ কোটিতে মেলে ১ কেজি মাংস ভূমিকম্প নয়, হিমবাহ ধসেই নেপালে ভয়াবহ বন্যা সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আসছে আজ

ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের জন্য ভারতকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১৩:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ—আরএসএসের প্রধান মোহন ভাগবতের যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউএস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম—ইউএসসিআইআরএফ।

ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মোহন ভাগবতের মার্কিন ভিসা বাতিল এবং তার ওপর সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

ইউএসসিআইআরএফের চেয়ার আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে সহিংসতা ও উসকানি দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তার ভাষ্য, ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িত আরএসএস সদস্য ও ভারতীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা বিবেচনা করা উচিত। এর অংশ হিসেবে মোহন ভাগবতের ভিসা বাতিল এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কথাও বলেন তিনি।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণসহিংসতা প্রতিরোধ, তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তি দিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হয়েছে।

এ ধরনের সহিংসতার পেছনে দেশটির কঠোর ধর্মান্তরবিরোধী আইনকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ করেছে ইউএসসিআইআরএফ।

প্রতিবেদনে আসামের ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস—এনআরসি এবং সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট—সিএএর আওতায় মুসলিম নাগরিকদের জোরপূর্বক বহিষ্কারের অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি, বিজেপি সরকারের সময়ে সুশীল সমাজ ও ধর্মীয় সংগঠনগুলোর কাজের পরিসর সংকুচিত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

ইউএসসিআইআরএফের ভাইস চেয়ার সিসি হেইল বলেন, ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি নিয়ে দেশটিকে জবাবদিহির আওতায় আনার সুযোগ রয়েছে মার্কিন সরকারের সামনে। তা না হলে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও তাদের উপাসনালয়ের ওপর হামলা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।

এদিকে, ইউএসসিআইআরএফের ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশ’ বা সিপিসি হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। সংস্থাটির অভিযোগ, ভারতে পদ্ধতিগত, ধারাবাহিক ও চরম মাত্রায় ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘন হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দলবদ্ধ ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, বিএনপি নেতাকে খুঁজছে পুলিশ

ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের জন্য ভারতকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে

আপডেট সময় ১১:১৩:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ—আরএসএসের প্রধান মোহন ভাগবতের যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউএস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম—ইউএসসিআইআরএফ।

ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মোহন ভাগবতের মার্কিন ভিসা বাতিল এবং তার ওপর সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

ইউএসসিআইআরএফের চেয়ার আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে সহিংসতা ও উসকানি দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তার ভাষ্য, ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িত আরএসএস সদস্য ও ভারতীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা বিবেচনা করা উচিত। এর অংশ হিসেবে মোহন ভাগবতের ভিসা বাতিল এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কথাও বলেন তিনি।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণসহিংসতা প্রতিরোধ, তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তি দিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হয়েছে।

এ ধরনের সহিংসতার পেছনে দেশটির কঠোর ধর্মান্তরবিরোধী আইনকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ করেছে ইউএসসিআইআরএফ।

প্রতিবেদনে আসামের ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস—এনআরসি এবং সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট—সিএএর আওতায় মুসলিম নাগরিকদের জোরপূর্বক বহিষ্কারের অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি, বিজেপি সরকারের সময়ে সুশীল সমাজ ও ধর্মীয় সংগঠনগুলোর কাজের পরিসর সংকুচিত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

ইউএসসিআইআরএফের ভাইস চেয়ার সিসি হেইল বলেন, ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি নিয়ে দেশটিকে জবাবদিহির আওতায় আনার সুযোগ রয়েছে মার্কিন সরকারের সামনে। তা না হলে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও তাদের উপাসনালয়ের ওপর হামলা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।

এদিকে, ইউএসসিআইআরএফের ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশ’ বা সিপিসি হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। সংস্থাটির অভিযোগ, ভারতে পদ্ধতিগত, ধারাবাহিক ও চরম মাত্রায় ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘন হচ্ছে।