- বাংলা চলচ্চিত্রে মাত্র চার বছরের (আদিতে ~৩.৫ বছর) অভিনয়জীবনে “ক্ষণজন্মা নায়ক” হয়ে উঠেছিলেন সালমান শাহ।
- ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, মাত্র ২৫ বছর বয়সে তিনি ঢাকার নিউ এসকাটনের বাসায় মৃত পাওয়া যান।
- প্রথমদিকে তাঁর মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বা ‘অপ্রাকৃতিক মৃত্যু’ হিসেবে দেখানো হয়।
🕵️ মামলা ও নতুন মোড়
- মৃত্যুর পর প্রথমে রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়।
- ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর, ঢাকা ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা (ধরা হয়েছে ৩০২ ধারা) হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
- এরপর ২১ অক্টোবর, সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় ১১ জনকে আসামি করে হত্যার মামলা দায়ের করেন। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক।
- পুলিশ ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের খুঁজছে।
✅ কেন নতুন সিদ্ধান্ত?
- বয়ান অনুযায়ী ঘটনায় যুগোপযোগী তথ্য ও যুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে।
- দীর্ঘদিন ধরে মামলাটি “মৃত্যুর কারণ ঠিক হয়নি” এমন প্রশ্নের মধ্যে ছিল।
- রিভিশন মঞ্জুরের মাধ্যমে ‘অপ্রাকৃতিক মৃত্যু’ ধারা বাতিল করে ‘হত্যা’ ধারা অনুসন্ধানের পথ খুলে দেওয়া হয়েছে।
❗ বর্তমান অবস্থান ও করণীয়
- মামলাটি এখন হত্যার ধারা অনুযায়ী অনুসন্ধান করা হবে।
- অভিযোগ অনুযায়ী, মূল আসামিদের ক্ষেত্রে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
- স্বস্তিকর না হলেও, দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর একটি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে আইন ক্ষেত্রে ব্যাবহারযোগ্য উদাহরণ হতে পারে।
- মিডিয়া ও সমাজে এই মামলা আবার আলোচনায় এসেছে—নিযুক্ত কর্তৃপক্ষ-তদন্ত সংস্থা-ভুক্তভোগীদের জন্য নজরকাড়া পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

