ঢাকা , বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা এডুকেশন হাব: শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা নীলা ইসরাফিলের তিতুমীরে হল কমিটি ছাত্রদলের, পদ পাওয়া নেত্রীরাও বলছেন—‘আমরা রাজনীতি চাই না’ বিজয়ের দলকে সমর্থন কংগ্রেসের, কেমন হবে ক্ষমতার ভাগাভাগি মাদ্রাসায় ধর্ষণে ১২ বছরের শিশু অন্তঃসত্ত্বা: অভিযুক্ত সেই শিক্ষককে আটক করেছে র‍্যাব ইরানে ‘সামরিক অভিযান’ শেষ: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের শপিং কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত অন্তত ৮, আহত ৩৬ বিএনপি আড়াই মাসে যতটুকু উন্নয়ন করেছে, এটা গত ১৭ বছরেও হয়নি: বুলু জাতিসংঘে হরমুজ নিয়ে ভোটের প্রস্তুতি, চীন-রাশিয়াকে ভেটো না দেয়ার আহ্বান লিমন ও বৃষ্টিকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দিচ্ছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়

আবুল সরকারের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে: মাওলানা মামুনুল হক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:০০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩০০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক আজ (২৭ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে বলেন—বাউল আবুল সরকারের প্রকাশ্য আল্লাহদ্রোহী, অবমাননাকর ও ঈমান-বিধ্বংসী বক্তব্য দেশজুড়ে গভীর ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, এমন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনগণের ন্যায্য দাবির প্রেক্ষিতে তার গ্রেপ্তার আইনের শাসন রক্ষারই স্বস্তিদায়ক পদক্ষেপ।

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, আবুল সরকারের সমর্থকরা মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে উসকানিমূলক আচরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালিয়েছে, যা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত। তিনি আরও জানান, একটি রাজনৈতিক দল, কিছু বুদ্ধিজীবী ও ইসলামবিরোধী চক্র আল্লাহর প্রতি চরম অবমাননাকর বক্তব্যকে আড়াল করে বাউলের পক্ষাবলম্বন করছে। এমনকি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের মহাসচিবও ঠাকুরগাঁওয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৌহিদী জনতার ন্যায্য প্রতিবাদকে “উগ্রবাদী-ধর্মান্ধ চক্রের কাজ” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

মাওলানা বলেন, আবুল সরকারের পক্ষাবলম্বী সব গোষ্ঠীর অসত্যোপাসনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা অপরাধীর ধর্মবিরোধী বক্তব্য নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি; বরং মুসলিম জনতার স্বতঃস্ফূর্ত শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে ‘উগ্রবাদ’ বলেছে, যা বিগত ফ্যাসিবাদী ভাষাচর্চার পুনরাবৃত্তি।

তিনি বলেন, তৌহিদী জনতার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে ‘ধর্মান্ধতা’ বলা সংঘাত উসকে দেওয়ার শামিল। আবুল সরকারের আল্লাহদ্রোহী বক্তব্য জঘন্য ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তার বিরুদ্ধে তৌহিদী জনতার প্রতিক্রিয়া ছিল শান্তিপূর্ণ ও ঈমানি দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ। অপরাধীকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রতিবাদকারীদের ওপর দোষ চাপানো অবিচার এবং ইসলামী চেতনার প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞা।

মাওলানা মামুনুল হক সরকারের প্রতি দাবি জানান—আবুল সরকারের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারীদের প্রতি শূন্য সহনশীলতার নীতি কার্যকর করতে হবে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক মহলকে ধর্মীয় বিষয়ে সংযত, দায়িত্বশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদানের চর্চা গড়ে তুলতে হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা এডুকেশন হাব: শিক্ষামন্ত্রী

আবুল সরকারের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে: মাওলানা মামুনুল হক

আপডেট সময় ০৭:০০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক আজ (২৭ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে বলেন—বাউল আবুল সরকারের প্রকাশ্য আল্লাহদ্রোহী, অবমাননাকর ও ঈমান-বিধ্বংসী বক্তব্য দেশজুড়ে গভীর ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, এমন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনগণের ন্যায্য দাবির প্রেক্ষিতে তার গ্রেপ্তার আইনের শাসন রক্ষারই স্বস্তিদায়ক পদক্ষেপ।

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, আবুল সরকারের সমর্থকরা মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে উসকানিমূলক আচরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালিয়েছে, যা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত। তিনি আরও জানান, একটি রাজনৈতিক দল, কিছু বুদ্ধিজীবী ও ইসলামবিরোধী চক্র আল্লাহর প্রতি চরম অবমাননাকর বক্তব্যকে আড়াল করে বাউলের পক্ষাবলম্বন করছে। এমনকি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের মহাসচিবও ঠাকুরগাঁওয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৌহিদী জনতার ন্যায্য প্রতিবাদকে “উগ্রবাদী-ধর্মান্ধ চক্রের কাজ” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

মাওলানা বলেন, আবুল সরকারের পক্ষাবলম্বী সব গোষ্ঠীর অসত্যোপাসনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা অপরাধীর ধর্মবিরোধী বক্তব্য নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি; বরং মুসলিম জনতার স্বতঃস্ফূর্ত শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে ‘উগ্রবাদ’ বলেছে, যা বিগত ফ্যাসিবাদী ভাষাচর্চার পুনরাবৃত্তি।

তিনি বলেন, তৌহিদী জনতার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে ‘ধর্মান্ধতা’ বলা সংঘাত উসকে দেওয়ার শামিল। আবুল সরকারের আল্লাহদ্রোহী বক্তব্য জঘন্য ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তার বিরুদ্ধে তৌহিদী জনতার প্রতিক্রিয়া ছিল শান্তিপূর্ণ ও ঈমানি দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ। অপরাধীকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রতিবাদকারীদের ওপর দোষ চাপানো অবিচার এবং ইসলামী চেতনার প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞা।

মাওলানা মামুনুল হক সরকারের প্রতি দাবি জানান—আবুল সরকারের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারীদের প্রতি শূন্য সহনশীলতার নীতি কার্যকর করতে হবে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক মহলকে ধর্মীয় বিষয়ে সংযত, দায়িত্বশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদানের চর্চা গড়ে তুলতে হবে।