টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুসহ নিহত পাঁচজনের পরিচয় মিলেছে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ২ সদস্যসহ তাদের এক আত্মীয় রয়েছেন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত ৮টার দিকে কালিহাতী উপজেলার ধলাটেংগর এলাকায় মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- গাইবান্ধার সদুল্লাপুর উপজেলার নীজপাড়া গ্রামের হামিদুল ইসলামের স্ত্রী নার্গিস (৩৫) ও তার ছেলে নিরব (১২) এবং সম্পর্কে নার্গিসের বেয়াইন দোলা (৩৫)। তারা সবাই গার্মেন্টস কর্মী। এরমধ্যে নার্গিস টাঙ্গাইলের গোড়াই হাঁটুভাঙা এলাকার সাউথ ইস্ট নামের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। ঈদের ছুটি শেষে ছোট ছেলে ও বেয়াইনকে নিয়ে কর্মস্থলে ফিরছিলেন তিনি।
এছাড়াও মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনায় নিহত অন্যরা হলেন- গাইবান্ধার সদুল্লাপুর উপজেলার নীজপাড়া গ্রামের রাইজেলের ছেলে সুলতান (৩৫) ও আব্দুর রশিদের মেয়ে রিফা। টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে কালিহাতী উপজেলার ধলাটেংগর এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে ওই ৫ জন নিহত হন। জানা গেছে, রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের ধলাটেংগর এলাকায় ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের তেল শেষ হয়ে যায়। ওই সময় বাস থেকে নার্গিসসহ অন্য যাত্রীরা মহাসড়কের পাশের রেললাইনে বসে ছিলেন। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী ‘সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি ওই এলাকা অতিক্রম করার সময় লাইনে বসে থাকা নার্গিসসহ অন্যরা কাটা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই নার্গিস ও তার ছেলেসহ ৫ জন নিহত হন।
টাঙ্গাইল রেলওয়ে স্টেশন ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান জানান, নিহতদের সবার বাড়ি গাইবান্ধা জেলায়। এরমধ্যে নার্গিস ছোট ছেলে ও বেয়াইনকে নিয়ে ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছিলেন নার্গিস। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 























