ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১ হাজার ৫২১ ‘ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের কোনো জায়গা নেই’, নির্বাচনের আগে কঠোর অবস্থানে নেতানিয়াহু র্নীতি কেলেঙ্কারির জেরে পদত্যাগ আর্জেন্টিনার শীর্ষ কর্মকর্তার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের মান নিয়ে আশ্বস্ত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আর্জেন্টিনার পথ এড়াতে কি ইচ্ছাকৃত ড্র পর্তুগালের? ইউরোপজুড়ে রেকর্ড তাপপ্রবাহ, ফ্রান্সে প্রাণহানি ছাড়াল হাজার লেবাননে অভিযানে প্রাণ গেল ইসরায়েলি প্লাটুন কমান্ডারের ডিগ্রির ব্যবসার অবসান নিয়ে কী বললেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ? অবশেষে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে কেপ ভার্দে’, এবার ভবিষ্যদ্বাণী ঘানার তান্ত্রিক বোন্সামের

‘ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের কোনো জায়গা নেই’, নির্বাচনের আগে কঠোর অবস্থানে নেতানিয়াহু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৩২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা সম্পূর্ণভাবে নাকচ করার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, ভূমধ্যসাগর থেকে জর্ডান নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ভূখণ্ডে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সহাবস্থানের কোনো সুযোগ নেই।

মিডল ইস্ট আইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি যে জাতীয় সরকারের নেতৃত্ব দিতে চান, তার অন্যতম প্রধান নীতি হবে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের বিরোধিতা।

তিনি বলেন, “আমি যে জাতীয় সরকারের নেতৃত্ব দিতে চাই, তার অন্যতম মূলনীতি হলো এখানে দুটি রাষ্ট্রের কোনো জায়গা নেই। সমুদ্র ও জর্ডান নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে দুই রাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকতে পারে না।”

নেতানিয়াহুর দাবি, তিন বছর আগে যুদ্ধ শুরুর আগে ইসরায়েলের জনগণের মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের প্রশ্নে মতপার্থক্য ছিল। তবে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির পর অধিকাংশ ইসরায়েলি নাগরিক এ ধারণার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং এটি এখন জাতীয় ঐকমত্যে পরিণত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সাক্ষাৎকারে লেবাননের সঙ্গে সম্পাদিত ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তিকেও একটি ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। তার ভাষায়, এই চুক্তি ইরান ও তাদের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর জন্য বড় ধরনের ধাক্কা।

তিনি আরও বলেন, লেবানন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া নতুন বোঝাপড়ার ফলে দক্ষিণ লেবাননে একটি নির্দিষ্ট নিরাপত্তা বলয় বজায় রাখার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের অধিকার স্বীকৃতি পেয়েছে। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখবে ইসরায়েল।

নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন আন্তর্জাতিক মহলের একটি বড় অংশ এখনো ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১ হাজার ৫২১

‘ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের কোনো জায়গা নেই’, নির্বাচনের আগে কঠোর অবস্থানে নেতানিয়াহু

আপডেট সময় ০৬:৩২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা সম্পূর্ণভাবে নাকচ করার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, ভূমধ্যসাগর থেকে জর্ডান নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ভূখণ্ডে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সহাবস্থানের কোনো সুযোগ নেই।

মিডল ইস্ট আইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি যে জাতীয় সরকারের নেতৃত্ব দিতে চান, তার অন্যতম প্রধান নীতি হবে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের বিরোধিতা।

তিনি বলেন, “আমি যে জাতীয় সরকারের নেতৃত্ব দিতে চাই, তার অন্যতম মূলনীতি হলো এখানে দুটি রাষ্ট্রের কোনো জায়গা নেই। সমুদ্র ও জর্ডান নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে দুই রাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকতে পারে না।”

নেতানিয়াহুর দাবি, তিন বছর আগে যুদ্ধ শুরুর আগে ইসরায়েলের জনগণের মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের প্রশ্নে মতপার্থক্য ছিল। তবে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির পর অধিকাংশ ইসরায়েলি নাগরিক এ ধারণার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং এটি এখন জাতীয় ঐকমত্যে পরিণত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সাক্ষাৎকারে লেবাননের সঙ্গে সম্পাদিত ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তিকেও একটি ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। তার ভাষায়, এই চুক্তি ইরান ও তাদের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর জন্য বড় ধরনের ধাক্কা।

তিনি আরও বলেন, লেবানন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া নতুন বোঝাপড়ার ফলে দক্ষিণ লেবাননে একটি নির্দিষ্ট নিরাপত্তা বলয় বজায় রাখার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের অধিকার স্বীকৃতি পেয়েছে। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখবে ইসরায়েল।

নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন আন্তর্জাতিক মহলের একটি বড় অংশ এখনো ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই