ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশি অভিযান বন্ধ না হলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচদের হাসনাত-সারজিস গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বেঈমানি করার কারণে ছাত্র উপদেষ্টা হতে পারেননি: রাশেদ খাঁন ইরানের অনুরোধেই যুদ্ধ বন্ধ, সমঝোতা না হলে আবারও হামলা: ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ২৯ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত কুকুর উদ্ধার আমি কাকে কী বিক্রি করব, সেটা কেউ ঠিক করে দেয় না: তুরস্ককে যুদ্ধবিমান বিক্রিতে নেতানিয়াহুর আপত্তি নিয়ে ট্রাম্প মধ্যরাতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে মোদি সরকারের বৈঠক পরিত্যক্ত বাড়িতে জবাই করা হতো ঘোড়া, মাংস যেত রাজধানীর রেস্তোরাঁয় ২০২৪ সালের আজকের দিনে ৬ সমন্বয়ককে দিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ায় ডিবি ‘পালিয়ে যাব না বলে যে পালিয়ে যায়, সে আসি আসি বলে কখনও আসবে না’ বিয়ে না হওয়ায় ৬ মাসে প্রাণ দিলেন ২৯ যুবক

মধ্যরাতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে মোদি সরকারের বৈঠক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

এবার আন্দোলন প্রত্যাহারের পরও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি হয়রানির অভিযোগে ভারতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হলেও মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর পরিস্থিতি আপাতত শান্ত হয়েছে। বৈঠকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সংগঠনটি জানায়, কোনো বিক্ষোভকারীকে একা ফেলে রাখা হবে না, সবাই একসঙ্গেই থাকবে।

সংগঠনটির দাবি, সরকার বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারির আশ্বাস দিয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে ককরোচ জনতা পার্টি অভিযোগ করেছিল, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা ভঙ্গ করা হচ্ছে। এ নিয়ে তারা নতুন করে আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেয়। পরে বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কপি সংগঠনটির কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার, ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া এবং আটক ব্যক্তিদের মুক্তির কথা উল্লেখ রয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, কেন্দ্রীয় সরকার আবারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপিএনডিএ শাসিত অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।  তিনি বলেন, সরকারের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন হবে কি না, সে বিষয়ে তাদের উদ্বেগের কথা বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে। জবাবে সরকারের প্রতিনিধিরা বিহার স্বরাষ্ট্র বিভাগের বিজ্ঞপ্তি দেখিয়েছেন, যেখানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সৌরভ দাস আরও জানান, অন্য রাজ্যগুলো থেকেও একই ধরনের প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবারের (২৮ জুলাই) মধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা অভিযোগ করেন, সমঝোতা সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীরা এখনও পুলিশি পদক্ষেপের মুখে পড়ছেন। তিনি বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লিসহ বিভিন্ন রাজ্যে শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ তুলে সব মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকারের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা বাস্তবায়ন না হলে তারা আবারও আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশি অভিযান বন্ধ না হলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচদের

মধ্যরাতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে মোদি সরকারের বৈঠক

আপডেট সময় ১০:৪৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

এবার আন্দোলন প্রত্যাহারের পরও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি হয়রানির অভিযোগে ভারতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হলেও মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর পরিস্থিতি আপাতত শান্ত হয়েছে। বৈঠকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সংগঠনটি জানায়, কোনো বিক্ষোভকারীকে একা ফেলে রাখা হবে না, সবাই একসঙ্গেই থাকবে।

সংগঠনটির দাবি, সরকার বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারির আশ্বাস দিয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে ককরোচ জনতা পার্টি অভিযোগ করেছিল, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা ভঙ্গ করা হচ্ছে। এ নিয়ে তারা নতুন করে আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেয়। পরে বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কপি সংগঠনটির কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার, ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া এবং আটক ব্যক্তিদের মুক্তির কথা উল্লেখ রয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, কেন্দ্রীয় সরকার আবারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপিএনডিএ শাসিত অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।  তিনি বলেন, সরকারের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন হবে কি না, সে বিষয়ে তাদের উদ্বেগের কথা বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে। জবাবে সরকারের প্রতিনিধিরা বিহার স্বরাষ্ট্র বিভাগের বিজ্ঞপ্তি দেখিয়েছেন, যেখানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সৌরভ দাস আরও জানান, অন্য রাজ্যগুলো থেকেও একই ধরনের প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবারের (২৮ জুলাই) মধ্যেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা অভিযোগ করেন, সমঝোতা সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীরা এখনও পুলিশি পদক্ষেপের মুখে পড়ছেন। তিনি বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লিসহ বিভিন্ন রাজ্যে শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ তুলে সব মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকারের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা বাস্তবায়ন না হলে তারা আবারও আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।