ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে তারা মালয়েশিয়া এজেন্সি সিন্ডিকেটে জড়িত নয়: জামায়াত আমির ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি রাকিবুল ডিবি হেফাজতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকে জামিন না দেওয়ায় জেল সুপারকে শোকজ বিচারকের তারেক রহমানের শুভেচ্ছা পেয়ে ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রেতা ছিলেন: ফজলুর রহমান মাহবুবা হাকিমের হলফনামায় তথ্য গোপন নয়, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল’ জাকির নায়েকের সঙ্গে আজহারির সাক্ষাৎ, উপহার পেলেন ‘বিশেষ আতর’ আবারও বাড়ল নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম ঢাবির বিজয় একাত্তর হলের ক্লাব রুমের নাম ফলক ভাঙচুর ইরানের সরকার পতন ও হামাস-হিজবুল্লাহকে নির্মূল করব: নেতানিয়াহু

নতুন করে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়ার পরই ভারতের বড় সিদ্ধান্ত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

এবার নতুন করে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের বিহার ও আসাম রাজ্য সরকার। নিটইউজি প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনে অংশ নেয়া বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহার, আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি ব্যবস্থা না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দুই রাজ্য। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ জুলাই বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোর ডাকা বিহার বনধ্ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সময় মোট ৬৯৪ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ৩৩৯ জন অপ্রাপ্তবয়স্ককে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি ৩৫৫ জনের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী মামলা করা হয় এবং তাদের বিচার সংশ্লিষ্ট আদালতে চলছিল।

এছাড়া ২২ জুলাই অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা)-এর কর্মীদের একটি মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর রাজ্যে যে অস্থিরতা শুরু হয়, তার জেরে গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে ছিলেন সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের বিধায়ক সন্দীপ সৌরভ এবং বিহারের সাবেক মন্ত্রী তেজ প্রতাপ যাদব। সন্দীপ সৌরভকে বিহার বনধ্ কর্মসূচির এক দিন আগে এবং তেজ প্রতাপ যাদবকে শনিবার সন্ধ্যায় বনধ্ কর্মসূচি বাস্তবায়নের চেষ্টা করার সময় আটক করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্দোলনে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা সব এফআইআর, ফৌজদারি অভিযোগ এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রত্যাহারের আইনি প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে। এতে আরও বলা হয়, সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার বা আটক সবাইকে দ্রুত মুক্তি দেয়া হবে। ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনও ব্যবস্থা নেয়া হবে না। এছাড়া বিহারের পর সোমবার একই ধরনের ঘোষণা দেয় আসাম সরকারও। রাজ্যটির স্বরাষ্ট্র ও রাজনৈতিক বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিটইউজি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে হওয়া আন্দোলনের ঘটনায় আসামে পাঁচটি মামলা হয়েছিল। এসব মামলায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৬ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার আগে হওয়া এসব মামলার ক্ষেত্রে সব দিক বিবেচনা করে এবং পরীক্ষা ও উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি ও সংস্কার জোরদারের প্রয়োজনীয়তা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে আন্দোলনে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাজ্যের কোনও পুলিশ কর্তৃপক্ষ আর কোনও বিরূপ আইনি ব্যবস্থা নেবে না। এতে আরও বলা হয়, মামলাগুলো যে পর্যায়েই থাকুক না কেন, আইন অনুযায়ী দ্রুত সেগুলো প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ইতোমধ্যে যাদের গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়েছে, তাদের মুক্তির প্রক্রিয়াও দ্রুত শুরু করা হবে। সরকার জানিয়েছে, আন্দোলনে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আর কোনও ব্যবস্থা নেয়া হবে না এবং এ বিষয়টিকে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে তারা মালয়েশিয়া এজেন্সি সিন্ডিকেটে জড়িত নয়: জামায়াত আমির

নতুন করে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়ার পরই ভারতের বড় সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ০১:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

এবার নতুন করে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের বিহার ও আসাম রাজ্য সরকার। নিটইউজি প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনে অংশ নেয়া বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহার, আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি ব্যবস্থা না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দুই রাজ্য। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ জুলাই বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোর ডাকা বিহার বনধ্ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সময় মোট ৬৯৪ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ৩৩৯ জন অপ্রাপ্তবয়স্ককে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি ৩৫৫ জনের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী মামলা করা হয় এবং তাদের বিচার সংশ্লিষ্ট আদালতে চলছিল।

এছাড়া ২২ জুলাই অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা)-এর কর্মীদের একটি মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর রাজ্যে যে অস্থিরতা শুরু হয়, তার জেরে গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে ছিলেন সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের বিধায়ক সন্দীপ সৌরভ এবং বিহারের সাবেক মন্ত্রী তেজ প্রতাপ যাদব। সন্দীপ সৌরভকে বিহার বনধ্ কর্মসূচির এক দিন আগে এবং তেজ প্রতাপ যাদবকে শনিবার সন্ধ্যায় বনধ্ কর্মসূচি বাস্তবায়নের চেষ্টা করার সময় আটক করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্দোলনে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা সব এফআইআর, ফৌজদারি অভিযোগ এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রত্যাহারের আইনি প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে। এতে আরও বলা হয়, সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার বা আটক সবাইকে দ্রুত মুক্তি দেয়া হবে। ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনও ব্যবস্থা নেয়া হবে না। এছাড়া বিহারের পর সোমবার একই ধরনের ঘোষণা দেয় আসাম সরকারও। রাজ্যটির স্বরাষ্ট্র ও রাজনৈতিক বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিটইউজি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে হওয়া আন্দোলনের ঘটনায় আসামে পাঁচটি মামলা হয়েছিল। এসব মামলায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৬ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার আগে হওয়া এসব মামলার ক্ষেত্রে সব দিক বিবেচনা করে এবং পরীক্ষা ও উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি ও সংস্কার জোরদারের প্রয়োজনীয়তা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে আন্দোলনে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাজ্যের কোনও পুলিশ কর্তৃপক্ষ আর কোনও বিরূপ আইনি ব্যবস্থা নেবে না। এতে আরও বলা হয়, মামলাগুলো যে পর্যায়েই থাকুক না কেন, আইন অনুযায়ী দ্রুত সেগুলো প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ইতোমধ্যে যাদের গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়েছে, তাদের মুক্তির প্রক্রিয়াও দ্রুত শুরু করা হবে। সরকার জানিয়েছে, আন্দোলনে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আর কোনও ব্যবস্থা নেয়া হবে না এবং এ বিষয়টিকে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।