ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার চেয়ে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাই বেশি কার্যকর হতে পারে বলে মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা আর্থিক চাপ তেহরানের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১৩ দিনের টানা হামলার পর আপাতত সামরিক অভিযান স্থগিত থাকলেও দুই দেশের আলোচনায় এখন গুরুত্ব পাচ্ছে নিষেধাজ্ঞা শিথিল ও অবরুদ্ধ অর্থ ছাড়ের বিষয়টি। ওমান, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক যোগাযোগও চলছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, অর্থনৈতিক চাপের কারণে ইরানে ব্যাংকিং খাতে সংকট দেখা দিয়েছে। এমনকি দেশটি তাদের যোদ্ধাদের বেতন পরিশোধেও সমস্যায় পড়েছে বলে গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে।
তবে বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ইরানকে পুরোপুরি চাপে রাখা সহজ হবে না। কারণ, চলতি বছরের প্রথমার্ধেই তেল রপ্তানি থেকে দেশটি প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে।
এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিলেও প্রয়োজন হলে সামরিক ও অর্থনৈতিক—দুই ধরনের পদক্ষেপই নেওয়ার বিকল্প খোলা রাখা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















