ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
টিফিনে শিক্ষার্থীদের কাঁচা কলা খাওয়ানো সেই শিক্ষিকা বরখাস্ত প্রেমিকের সঙ্গে থাকার দাবিতে মোবাইল টাওয়ারে উঠলেন বিবাহিত নারী মঙ্গলবার দেশের কোথাও লোডশেডিং হয়নি: বিদ্যুৎ বিভাগ সরকার চাইলে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে পারে: রুমিন ফারহানা দেশের ৩৭৮১৪ পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টাকা দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁন যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি, প্রতিরোধের পূর্ণ প্রস্তুতিতে ইরান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের হাজার হাজার সৈন্য রক্ত দিয়ে গেছে: ফজলুর রহমান ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে শিশু হত্যা মামলা হওয়া প্রয়োজন: আইনজীবী সুব্রত ভুয়া বিল দেখিয়ে ৬৪ লাখ টাকা নিয়েছেন উপদেষ্টা ফারুকী: মাসুদ কামাল

বিএনপি কর্তৃক জামায়াতকর্মী হত্যা, নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র: মামুনুল হক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৩১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

এবার শেরপুরে জামায়াত কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও বিচার দাবি করেছেন ঢাকা-১৩ আসনে ১১ দল মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মামুনুল হক। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) তার নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে চতুর্থ দিনের ‘জাগরণী পদযাত্রা’ চলাকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ দাবি জানান। মামুনুল হক বলেন, শেরপুরে জামায়াত কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা অত্যন্ত দুঃখজনক একটি ঘটনা। আমরা এ ধরনের সহিংসতা কখনোই কামনা করি না। দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করে বিচারের ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি। তিনি ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। কোনোভাবেই নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হতে দেওয়া যাবে না।

তিনি নির্বাচন কমিশন ও বিএনপির ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়া বা অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করা নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা। এক্ষেত্রে বিএনপিরও ব্যর্থতা রয়েছে। বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের যে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়া দরকার ছিল, তা তারা নিচ্ছে না। বরং তাদের নেতৃবৃন্দ নারীদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও অসভ্য বক্তব্য দিচ্ছেন। প্রকাশ্যে নারীদের বিবস্ত্র করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যা সভ্যতা ও ভদ্রতার সকল সীমা লঙ্ঘন করেছে। নেতাদের এমন উসকানিমূলক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া মাঠের কর্মীদের মধ্যে পড়ছে বলে আমি মনে করি।

একই সময়ে নিজের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর তোলা আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন আল্লামা মামুনুল হক। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘনের যে অভিযোগ করেছেন, এর দ্বারা বোঝা যায় তিনি বিধিমালা সম্পর্কে অবগত নন। নির্বাচনী আচরণবিধিতে সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে রঙিন বিলবোর্ড টানানোর সুযোগ আছে। আমি সেই নিয়ম মেনেই বিলবোর্ড লাগিয়েছি। শুধু আমি নই, সবাই লাগিয়েছে; ববি হাজ্জাজ নিজেও লাগিয়েছেন।

মামুনুল হক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, আচরণবিধিতে সুস্পষ্ট উল্লেখ আছে যে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড লাগাতে পারবেন। আমি যদি একটি বিলবোর্ডও বেশি লাগিয়েছি বলে কেউ প্রমাণ করতে পারে, তবে আমি নিজেই সব বিলবোর্ড নামিয়ে ফেলব। অথচ ববি হাজ্জাজ প্রকাশ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা অল্প জায়গায় তার ২৬ টির মতো বিলবোর্ড দেখেছি। আমার ধারনা, তিনি ৫০ এর অধিক বিলবোর্ড টানিয়েছেন। আরও বিভিন্ন আচরণবিধি তিনি লঙ্ঘন করেছেন। আমরা মনে করি, এটি আইনের প্রতি চরম ধৃষ্টতা এবং অবজ্ঞা প্রদর্শন। এখন নির্বাচন কমিশন তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

টিফিনে শিক্ষার্থীদের কাঁচা কলা খাওয়ানো সেই শিক্ষিকা বরখাস্ত

বিএনপি কর্তৃক জামায়াতকর্মী হত্যা, নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র: মামুনুল হক

আপডেট সময় ০৪:৩১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

এবার শেরপুরে জামায়াত কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও বিচার দাবি করেছেন ঢাকা-১৩ আসনে ১১ দল মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মামুনুল হক। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) তার নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে চতুর্থ দিনের ‘জাগরণী পদযাত্রা’ চলাকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ দাবি জানান। মামুনুল হক বলেন, শেরপুরে জামায়াত কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা অত্যন্ত দুঃখজনক একটি ঘটনা। আমরা এ ধরনের সহিংসতা কখনোই কামনা করি না। দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করে বিচারের ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি। তিনি ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। কোনোভাবেই নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হতে দেওয়া যাবে না।

তিনি নির্বাচন কমিশন ও বিএনপির ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়া বা অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করা নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা। এক্ষেত্রে বিএনপিরও ব্যর্থতা রয়েছে। বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের যে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়া দরকার ছিল, তা তারা নিচ্ছে না। বরং তাদের নেতৃবৃন্দ নারীদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও অসভ্য বক্তব্য দিচ্ছেন। প্রকাশ্যে নারীদের বিবস্ত্র করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যা সভ্যতা ও ভদ্রতার সকল সীমা লঙ্ঘন করেছে। নেতাদের এমন উসকানিমূলক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া মাঠের কর্মীদের মধ্যে পড়ছে বলে আমি মনে করি।

একই সময়ে নিজের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর তোলা আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন আল্লামা মামুনুল হক। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘনের যে অভিযোগ করেছেন, এর দ্বারা বোঝা যায় তিনি বিধিমালা সম্পর্কে অবগত নন। নির্বাচনী আচরণবিধিতে সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে রঙিন বিলবোর্ড টানানোর সুযোগ আছে। আমি সেই নিয়ম মেনেই বিলবোর্ড লাগিয়েছি। শুধু আমি নই, সবাই লাগিয়েছে; ববি হাজ্জাজ নিজেও লাগিয়েছেন।

মামুনুল হক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, আচরণবিধিতে সুস্পষ্ট উল্লেখ আছে যে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড লাগাতে পারবেন। আমি যদি একটি বিলবোর্ডও বেশি লাগিয়েছি বলে কেউ প্রমাণ করতে পারে, তবে আমি নিজেই সব বিলবোর্ড নামিয়ে ফেলব। অথচ ববি হাজ্জাজ প্রকাশ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা অল্প জায়গায় তার ২৬ টির মতো বিলবোর্ড দেখেছি। আমার ধারনা, তিনি ৫০ এর অধিক বিলবোর্ড টানিয়েছেন। আরও বিভিন্ন আচরণবিধি তিনি লঙ্ঘন করেছেন। আমরা মনে করি, এটি আইনের প্রতি চরম ধৃষ্টতা এবং অবজ্ঞা প্রদর্শন। এখন নির্বাচন কমিশন তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।