ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাড্ডায় বাসা থেকে ঢাবি ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা শিক্ষকের নাম গত ৩ বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে: বিজিএমইএ আবার আগ্রাসন হলে ‘প্রত্যাশার চেয়ে ভয়াবহ’ পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের খাগড়াছড়িতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ‘নতুন কমিটির’ সব নেতার নামে মামলা ফজরের নামাজ পড়েই কৃষকের ধান কাটতে নামেন এমপি এনামুল ‘সংবিধানের কোথায় লেখা আছে জয় বাংলা বলা যাবে না’ এবার অবিবাহিতদের প্রেমের আগ্রহ বাড়াতে টাকা দিচ্ছে জাপান সরকার! এক প্লেট চটপটি, পেটে ঢুকছে ৭ কোটি মলমূত্রের জীবাণু!: গবেষণা ‘সিলটি’ ভাষাকে দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করার দাবি বাংলাদেশের পতাকাবাহী সব জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গণভোট অধ্যাদেশ ল্যাপস হয়ে গেছে, গণভোটের কার্যকারিতাও শেষ: আইনমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৫০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে

এবার বিশেষ কমিটির পর্যালোচনার পরআপাতত১৩৩টি অধ্যাদেশের কোনোটিই চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবেগণভোট অধ্যাদেশ’-এর বর্তমান আইনি অবস্থান নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সুস্পষ্ট করে তিনি বলেছেন, ‘গণভোট অধ্যাদেশ তো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে গেছে বা ইনফ্যাকচুয়াস (অকার্যকর) হয়ে গেছে। এর তো আর কার্যকারিতাই নেই। ওইটির অধীনে একটি গণভোট হয়েছিল, সেটির কার্যকারিতাও শেষ। আমরা বিষয়টিকে সেভাবেই দেখছি।রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সরকার সরাসরি বাতিলের পথে না হেঁটে একটি নিয়মতান্ত্রিক আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘১৩৩টি আইনের ওপর আমাদের বিশেষ কমিটির বিস্তারিত আলোচনার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, কোনো আইনই চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে না। আমরা এগুলোকে আরও যাচাইবাছাই করে, স্টেকহোল্ডারদের (অংশীজন) সঙ্গে কথা বলে ফ্রেশ (নতুন) বিল আকারে পার্লামেন্টে আনব।

আইন প্রণয়ন, সংশোধন বা বাতিলের সাংবিধানিক ও সংসদীয় রীতির বিষয়টিও মন্ত্রীর ব্রিফিংয়ে উঠে আসে। আইনগুলো কবে নাগাদ চূড়ান্ত হবেএমন প্রশ্নের জবাবে আগামী ২ তারিখের মধ্যে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন দেওয়ার কথা জানান আইনমন্ত্রী। পুরো প্রক্রিয়াটি ৩০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিষয়ে আশ্বস্ত করে আইনি কাঠামোর ধাপগুলো তিনি তুলে ধরেন। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এই আইনগুলোকে বিল আকারে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। আইন মন্ত্রণালয় সেটি ভেটিং করার পর আমরা পার্লামেন্টে তুলব। এরপর পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে।

যেসব বিল শেষ পর্যন্ত সংসদ অনুমোদন করবে না, সেগুলোর আইনি পরিণতি কী হবে, সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, “যেগুলো আমরা পাস করব না, সেগুলো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে যাবে।তবে ঠিক কয়টি আইন বা বিল যাচাইবাছাইয়ের জন্য পাঠানো হচ্ছে কিংবা শেষ পর্যন্ত কতগুলো বাতিল হতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা উল্লেখ করেননি তিনি। এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন আইনমন্ত্রী।

বিদ্যমান বিতর্কিত আইনগুলোর মধ্যেসাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টএবং নতুন সংস্কারের অংশ হিসেবেপুলিশ কমিশনগঠনের বিষয়ে জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী তাৎক্ষণিক বা সরাসরি কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, আইনি ও কাঠামোগত এই বিষয়গুলো যাচাইবাছাই করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য ও দিকনির্দেশনা থাকবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড্ডায় বাসা থেকে ঢাবি ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা শিক্ষকের নাম

গণভোট অধ্যাদেশ ল্যাপস হয়ে গেছে, গণভোটের কার্যকারিতাও শেষ: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৫০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

এবার বিশেষ কমিটির পর্যালোচনার পরআপাতত১৩৩টি অধ্যাদেশের কোনোটিই চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবেগণভোট অধ্যাদেশ’-এর বর্তমান আইনি অবস্থান নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সুস্পষ্ট করে তিনি বলেছেন, ‘গণভোট অধ্যাদেশ তো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে গেছে বা ইনফ্যাকচুয়াস (অকার্যকর) হয়ে গেছে। এর তো আর কার্যকারিতাই নেই। ওইটির অধীনে একটি গণভোট হয়েছিল, সেটির কার্যকারিতাও শেষ। আমরা বিষয়টিকে সেভাবেই দেখছি।রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সরকার সরাসরি বাতিলের পথে না হেঁটে একটি নিয়মতান্ত্রিক আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘১৩৩টি আইনের ওপর আমাদের বিশেষ কমিটির বিস্তারিত আলোচনার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, কোনো আইনই চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে না। আমরা এগুলোকে আরও যাচাইবাছাই করে, স্টেকহোল্ডারদের (অংশীজন) সঙ্গে কথা বলে ফ্রেশ (নতুন) বিল আকারে পার্লামেন্টে আনব।

আইন প্রণয়ন, সংশোধন বা বাতিলের সাংবিধানিক ও সংসদীয় রীতির বিষয়টিও মন্ত্রীর ব্রিফিংয়ে উঠে আসে। আইনগুলো কবে নাগাদ চূড়ান্ত হবেএমন প্রশ্নের জবাবে আগামী ২ তারিখের মধ্যে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন দেওয়ার কথা জানান আইনমন্ত্রী। পুরো প্রক্রিয়াটি ৩০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিষয়ে আশ্বস্ত করে আইনি কাঠামোর ধাপগুলো তিনি তুলে ধরেন। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এই আইনগুলোকে বিল আকারে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। আইন মন্ত্রণালয় সেটি ভেটিং করার পর আমরা পার্লামেন্টে তুলব। এরপর পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে।

যেসব বিল শেষ পর্যন্ত সংসদ অনুমোদন করবে না, সেগুলোর আইনি পরিণতি কী হবে, সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, “যেগুলো আমরা পাস করব না, সেগুলো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে যাবে।তবে ঠিক কয়টি আইন বা বিল যাচাইবাছাইয়ের জন্য পাঠানো হচ্ছে কিংবা শেষ পর্যন্ত কতগুলো বাতিল হতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা উল্লেখ করেননি তিনি। এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন আইনমন্ত্রী।

বিদ্যমান বিতর্কিত আইনগুলোর মধ্যেসাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টএবং নতুন সংস্কারের অংশ হিসেবেপুলিশ কমিশনগঠনের বিষয়ে জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী তাৎক্ষণিক বা সরাসরি কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, আইনি ও কাঠামোগত এই বিষয়গুলো যাচাইবাছাই করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য ও দিকনির্দেশনা থাকবে।