ঢাকা , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা বাউফলে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেল প্রতি গুনতে হবে ১ ডলার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ফের খুলছে শ্রমবাজার আবু সাঈদের মরদেহে গুলির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়নি: আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলিকপ্টারে গিয়ে নয়, নিজ কক্ষে বসেই দেখব কোন স্কুলে কী হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ভোট বর্জন করলেন শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে রাশিয়ান দূতাবাসে মাওলানা মামুনুল হক এই সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচনেই কারচুপি-অনিয়ম ঘটছে: পরওয়ার ‘জঙ্গি এমপি’ অপবাদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের নোটিশ

সম্মানের নিদর্শন হিসেবে ২০টি তেলের জাহাজ দিচ্ছে ইরান: ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৪৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে সম্মান জানাতে ২০টি বড় তেলবাহী ট্যাঙ্কার পাঠাচ্ছে। রোববার (২৯ মার্চ) ওয়াশিংটন ডিসিতে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল থেকেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে এসব তেলবাহী জাহাজ যাত্রা শুরু করবে। তিনি এই উদ্যোগকেশ্রদ্ধার প্রতীকহিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি তেহরানের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ বার্তা বহন করছে। তার এই বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলছে, সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন এক মোড় নিতে পারে।

ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার বিষয়ে ট্রাম্প আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দুই দেশের মধ্যে দ্রুত একটি বড় ধরনের সমঝোতা হতে পারে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ও পরোক্ষ উভয়ভাবেই তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং আলোচনা ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। গত সপ্তাহে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৫ দফা শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করলেও, ট্রাম্পের দাবিনতুন পরিস্থিতিতে ইরান সেই প্রস্তাবের বেশিরভাগ শর্ত মেনে নিয়েছে। তার মতে, তেলের ট্যাঙ্কার পাঠানোর ঘোষণাই প্রমাণ করে যে ইরান আলোচনায় আন্তরিক।

ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানে এখন একটি নতুন নেতৃত্ব গড়ে উঠেছে, যাদের সঙ্গে আগে কখনো যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ হয়নি। এই নেতৃত্বকে তিনিযুক্তিবাদীবলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি কিছু না বললেও ইঙ্গিত দেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নানা বিকল্প খোলা রয়েছে। তবে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, একটি চূড়ান্ত চুক্তির সম্ভাবনা এখন অনেক বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই দাবি সত্য হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন স্বাভাবিক হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে। তবে এখনো ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে, পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায় তা জানতে এখন বিশ্বের নজর হরমুজ প্রণালির দিকেই। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা

সম্মানের নিদর্শন হিসেবে ২০টি তেলের জাহাজ দিচ্ছে ইরান: ট্রাম্প

আপডেট সময় ১২:৪৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে সম্মান জানাতে ২০টি বড় তেলবাহী ট্যাঙ্কার পাঠাচ্ছে। রোববার (২৯ মার্চ) ওয়াশিংটন ডিসিতে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল থেকেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে এসব তেলবাহী জাহাজ যাত্রা শুরু করবে। তিনি এই উদ্যোগকেশ্রদ্ধার প্রতীকহিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি তেহরানের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ বার্তা বহন করছে। তার এই বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলছে, সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন এক মোড় নিতে পারে।

ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার বিষয়ে ট্রাম্প আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দুই দেশের মধ্যে দ্রুত একটি বড় ধরনের সমঝোতা হতে পারে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ও পরোক্ষ উভয়ভাবেই তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং আলোচনা ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। গত সপ্তাহে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৫ দফা শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করলেও, ট্রাম্পের দাবিনতুন পরিস্থিতিতে ইরান সেই প্রস্তাবের বেশিরভাগ শর্ত মেনে নিয়েছে। তার মতে, তেলের ট্যাঙ্কার পাঠানোর ঘোষণাই প্রমাণ করে যে ইরান আলোচনায় আন্তরিক।

ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানে এখন একটি নতুন নেতৃত্ব গড়ে উঠেছে, যাদের সঙ্গে আগে কখনো যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ হয়নি। এই নেতৃত্বকে তিনিযুক্তিবাদীবলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি কিছু না বললেও ইঙ্গিত দেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নানা বিকল্প খোলা রয়েছে। তবে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, একটি চূড়ান্ত চুক্তির সম্ভাবনা এখন অনেক বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই দাবি সত্য হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন স্বাভাবিক হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে। তবে এখনো ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে, পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায় তা জানতে এখন বিশ্বের নজর হরমুজ প্রণালির দিকেই। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি