ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারী বর্ষণে তলিয়ে যাচ্ছে সোনালী ফসল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের হাওড়ে গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট অকাল বন্যায় ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার ২ হাজার একর জমির পাকা ধান তলিয়ে গেছে। এতে হাওড়ের হাজার হাজার কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ইটনা সদর ইউনিয়নের জিউলের হাওড়ে গিয়ে দেখা যায় কোমর সমান পানিতে তলিয়ে যাওয়া পাকা ধান কাটছে কয়েক জন কৃষক।

 

এদের মধ্যে কৃষক পুর্ব গ্রামের হেলিম মিয়া জানান কয়েক দিন আগে শীলা বৃষ্টিতে আমাদের অর্ধেক ফসল নষ্ট হয়েছে আর এখন অকাল বন্যায় চোখের সামনে। আমাদের একটি মাত্র ফসল সোনালী ধান তলিয়ে যাচ্ছে। দার দেনা করে ফসল করেছি। এখন সব হারিয়ে হাওড় বাসী নিঃস্ব। মোল্লা পাড়া গ্রামের কৃষক রহিছ আলী বলেন আমরা ঋণ গ্রস্থ কৃষক সরকারের নিকট দাবী জানাই হাওড়ের কৃষকদের সুদসহ ৫০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মওকুফ করার ব্যাপারে উদ্যোগ নিবেন।

 

 

উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম কামাল হোসেন বলেন আমি নিজে ও একজন কৃষক। আমার জমির ফসল ও পানিতে তলিয়ে গেছে। এটি মুলত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। হাওড়ে খাল বিল নদী পলিমাটি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়ায় হাওড়ে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এই জন্যই প্রায়ই জলাবদ্ধতা ও অকাল বন্যায় ফসল তলিয়ে যায়। হাওড়ের কৃষকদের বাঁচাতে খাল বিল নদী দ্রুত খনন করার জন্য সরকারের নিকট দাবি জানাই।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন ইটনা উপজেলায় ২৭ হাজার ৪ শত ১০ হেক্টর জমি আবাদ করা হয়েছিল এর মধ্যে অর্ধেকর বেশী জমির ধান কর্তন করা হয়েছে কিন্তু হঠাৎ অকাল বন্যায় হাওড়ে ধান তলিয়ে গেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা কৃষি অফিস, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহায়তায় প্রণয়ন করে কৃষকদের মাঝে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারী বর্ষণে তলিয়ে যাচ্ছে সোনালী ফসল

আপডেট সময় ০৯:১১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জের হাওড়ে গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট অকাল বন্যায় ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার ২ হাজার একর জমির পাকা ধান তলিয়ে গেছে। এতে হাওড়ের হাজার হাজার কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ইটনা সদর ইউনিয়নের জিউলের হাওড়ে গিয়ে দেখা যায় কোমর সমান পানিতে তলিয়ে যাওয়া পাকা ধান কাটছে কয়েক জন কৃষক।

 

এদের মধ্যে কৃষক পুর্ব গ্রামের হেলিম মিয়া জানান কয়েক দিন আগে শীলা বৃষ্টিতে আমাদের অর্ধেক ফসল নষ্ট হয়েছে আর এখন অকাল বন্যায় চোখের সামনে। আমাদের একটি মাত্র ফসল সোনালী ধান তলিয়ে যাচ্ছে। দার দেনা করে ফসল করেছি। এখন সব হারিয়ে হাওড় বাসী নিঃস্ব। মোল্লা পাড়া গ্রামের কৃষক রহিছ আলী বলেন আমরা ঋণ গ্রস্থ কৃষক সরকারের নিকট দাবী জানাই হাওড়ের কৃষকদের সুদসহ ৫০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মওকুফ করার ব্যাপারে উদ্যোগ নিবেন।

 

 

উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম কামাল হোসেন বলেন আমি নিজে ও একজন কৃষক। আমার জমির ফসল ও পানিতে তলিয়ে গেছে। এটি মুলত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। হাওড়ে খাল বিল নদী পলিমাটি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়ায় হাওড়ে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এই জন্যই প্রায়ই জলাবদ্ধতা ও অকাল বন্যায় ফসল তলিয়ে যায়। হাওড়ের কৃষকদের বাঁচাতে খাল বিল নদী দ্রুত খনন করার জন্য সরকারের নিকট দাবি জানাই।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন ইটনা উপজেলায় ২৭ হাজার ৪ শত ১০ হেক্টর জমি আবাদ করা হয়েছিল এর মধ্যে অর্ধেকর বেশী জমির ধান কর্তন করা হয়েছে কিন্তু হঠাৎ অকাল বন্যায় হাওড়ে ধান তলিয়ে গেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা কৃষি অফিস, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহায়তায় প্রণয়ন করে কৃষকদের মাঝে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে।