ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের পাশে স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসকেরা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনে বিজেপি ও শরিকদের অস্বস্তি রান্নার সময় মাংসের রং হলো সবুজ, কড়াই নিয়ে থানায় হাজির শিশুকে বলাৎকার করে মাদরাসাশিক্ষক বললেন, ‘মনে করো তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ তারেক রহমানের পাঙ্খা গজাইছে, সব পাঙ্খা ভেঙে মাটিতে পড়ে যাবে: পাটওয়ারী যে মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে লাল কার্ড ধরিয়ে দিতে চান পাটওয়ারী, সেই মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন সারজিস আলম সরকারি নির্দেশেই দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ, দাবি টেলিকম সংস্থাগুলোর বাবাকে হারিয়েও থামেনি জীবন, রাতের ডিউটি শেষে সকালে এইচএসসি পরীক্ষা দিলেন ইকন মেয়েটা যে অরক্ষিত হলো, এই দায়ভার কে নেবে: মনিরা শারমিন

উজানের বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীর পানি, প্লাবনের ঝুঁকিতে উত্তরাঞ্চল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

দেশের অভ্যন্তরে এবং ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলে টানা ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের প্রধান নদনদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে কুড়িগ্রামের দুধকুমার নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পাশাপাশি তিস্তা, সুরমা, কুশিয়ারা ও যাদুকাটা নদী বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে দেশের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি বা বিদ্যমান পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র প্রকাশিত সর্বশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বুলেটিন অনুযায়ী, কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরী স্টেশনে দুধকুমার নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে নদীটির পানি বেড়েছে ৯৩ সেন্টিমিটার। একই সময়ে তিস্তা, সুরমা, কুশিয়ারা ও যাদুকাটা নদীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পানি সতর্কসীমায় অবস্থান করছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী এবং সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। সর্বোচ্চ ১৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরীতে। একই সময়ে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আসামের উজান এলাকাতেও অতিভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশের নদনদীতেও পড়ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দুই দিন রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগসহ উজানের ভারতীয় অঞ্চলগুলোতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে ব্রহ্মপুত্রযমুনা অববাহিকার নদীগুলোর পানি আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত বাড়তে পারে। ২ থেকে ৪ জুলাইয়ের মধ্যে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা এবং ৪৮ ঘণ্টায় ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। কুড়িগ্রামের চলমান বন্যা পরিস্থিতিও আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে সিলেট, সুনামগঞ্জ, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণার নিম্নাঞ্চলেও আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সাময়িক প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের প্রধান নদীগুলো এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী

উজানের বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীর পানি, প্লাবনের ঝুঁকিতে উত্তরাঞ্চল

আপডেট সময় ১০:৪৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

দেশের অভ্যন্তরে এবং ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলে টানা ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের প্রধান নদনদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে কুড়িগ্রামের দুধকুমার নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পাশাপাশি তিস্তা, সুরমা, কুশিয়ারা ও যাদুকাটা নদী বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে দেশের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি বা বিদ্যমান পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র প্রকাশিত সর্বশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বুলেটিন অনুযায়ী, কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরী স্টেশনে দুধকুমার নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে নদীটির পানি বেড়েছে ৯৩ সেন্টিমিটার। একই সময়ে তিস্তা, সুরমা, কুশিয়ারা ও যাদুকাটা নদীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পানি সতর্কসীমায় অবস্থান করছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী এবং সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। সর্বোচ্চ ১৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরীতে। একই সময়ে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আসামের উজান এলাকাতেও অতিভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশের নদনদীতেও পড়ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দুই দিন রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগসহ উজানের ভারতীয় অঞ্চলগুলোতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে ব্রহ্মপুত্রযমুনা অববাহিকার নদীগুলোর পানি আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত বাড়তে পারে। ২ থেকে ৪ জুলাইয়ের মধ্যে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা এবং ৪৮ ঘণ্টায় ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। কুড়িগ্রামের চলমান বন্যা পরিস্থিতিও আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে সিলেট, সুনামগঞ্জ, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণার নিম্নাঞ্চলেও আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সাময়িক প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের প্রধান নদীগুলো এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।