সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কমিটির সুপারিশ চূড়ান্ত হলেই তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। অনুমোদন মিললেই দ্রুত জারি হবে প্রজ্ঞাপন।

বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। কাজ এগিয়ে চলছে এবং বাস্তবায়নে আর বেশি সময় লাগবে না।

নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে আইএমএফের ঋণ কর্মসূচিতে প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেন, আইএমএফের ঋণের সঙ্গে বেতনকাঠামোর কোনো সম্পর্ক নেই। তবে রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন ১০ সদস্যের কমিটি ইতোমধ্যে সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে। সর্বশেষ প্রস্তাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মূল বেতন এবং পরবর্তী অর্থবছরে বিভিন্ন ভাতা ধাপে ধাপে কার্যকর করা হতে পারে।

এর আগে নবম জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে। প্রস্তাবে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ১১ বছর পর চালু হতে যাওয়া এই নতুন বেতনকাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।