ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র-সৌদির হামলা, প্রাণ গেল ২০ জনের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

ইরাকের সাতটি প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ বিমান হামলায় অন্তত ২০ জন যোদ্ধা নিহত এবং আরও ৩২ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ পিএমএফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হতাহতের এ সংখ্যা প্রাথমিক। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন শেষে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংগঠনটি জানায়, হামলায় বাগদাদ, নিনেভ, বসরাসহ সাতটি প্রদেশের একাধিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। এতে ভবন, সামরিক যানবাহন ও বিভিন্ন সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পিএমএফ-সংশ্লিষ্ট নেতারা এএফপিকে জানান, নিনেভ ও মধ্য ইরাকের দিয়ালা প্রদেশে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

অন্যদিকে, ওয়াশিংটন ও রিয়াদ দাবি করেছে, সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার জবাব হিসেবেই ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অবস্থানে এই হামলা চালানো হয়েছে। আধাসামরিক জোট পিএমএফও এ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, সোমবার (২৭ জুলাই) সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ইরাকের দিক থেকে উড়ে আসা কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। ড্রোনগুলোর লক্ষ্য ছিল সৌদির তেল স্থাপনা। তবে ওই হামলার দায় তখন ইরাকের কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র-সৌদির হামলা, প্রাণ গেল ২০ জনের

আপডেট সময় ১০:৪৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ইরাকের সাতটি প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ বিমান হামলায় অন্তত ২০ জন যোদ্ধা নিহত এবং আরও ৩২ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ পিএমএফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হতাহতের এ সংখ্যা প্রাথমিক। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন শেষে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংগঠনটি জানায়, হামলায় বাগদাদ, নিনেভ, বসরাসহ সাতটি প্রদেশের একাধিক ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। এতে ভবন, সামরিক যানবাহন ও বিভিন্ন সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পিএমএফ-সংশ্লিষ্ট নেতারা এএফপিকে জানান, নিনেভ ও মধ্য ইরাকের দিয়ালা প্রদেশে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

অন্যদিকে, ওয়াশিংটন ও রিয়াদ দাবি করেছে, সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার জবাব হিসেবেই ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অবস্থানে এই হামলা চালানো হয়েছে। আধাসামরিক জোট পিএমএফও এ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, সোমবার (২৭ জুলাই) সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ইরাকের দিক থেকে উড়ে আসা কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। ড্রোনগুলোর লক্ষ্য ছিল সৌদির তেল স্থাপনা। তবে ওই হামলার দায় তখন ইরাকের কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।