ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে পূর্ণকালীন ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ হয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোদির সক্রিয় উপস্থিতি ও ভিডিও প্রকাশ নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বুধবার (২৯ জুলাই) মহারাষ্ট্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দীপকে বলেন, “মোদি একজন ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে দারুণ কাজ করছেন। যদি তিনি এই কাজেই এত দক্ষ হন, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব অন্য কারও হাতে তুলে দিয়ে ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবেই কাজ করা উচিত।”
এর আগে কংগ্রেস সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও মোদির একটি ইনস্টাগ্রাম ভিডিও নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। তিনি বলেন, শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট দিয়ে তরুণদের আকৃষ্ট করা সম্ভব নয়; তাদের আস্থা অর্জনের জন্য সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন প্রয়োজন।
এদিকে সম্প্রতি লোকসভায় পাস হওয়া প্রশ্নপত্র ফাঁসবিরোধী আইন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অভিজিৎ দীপকে। তার মতে, শুধু নতুন আইন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন সততা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা।
তিনি অভিযোগ করেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও প্রথম শুনানিই সিবিআইয়ের আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় পিছিয়ে যায়। এতে সরকারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সম্প্রতি নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের প্রতিবাদে সিজেপির নেতৃত্বে হাজারো শিক্ষার্থী সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ করেন। আন্দোলনকারীরা তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেন। পরে তিনি পদত্যাগ করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহার না হলে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন দীপকে। তার দাবি, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ এখনো প্রশমিত হয়নি এবং এ ইস্যুর রাজনৈতিক প্রভাব আগামী নির্বাচনে পড়তে পারে।
এছাড়া বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াতের ‘জেন জি’ নিয়ে করা মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কঙ্গনাকে ‘খণ্ডকালীন রাজনীতিবিদ’ আখ্যা দিয়ে এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি।
সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

ডেস্ক রিপোর্ট 



















