ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুর্নীতিবাজ, দখলবাজ ও চাঁদাবাজদের দলে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়ে নজর রাখছে ভারত টানা ৪০ বছর দায়িত্ব পালন, ঘোড়ারগাড়িতে বাড়ি ফিরলেন মুয়াজ্জিন শুক্কুর আলী দুধ দিয়ে গোসল করে প্রেমের ইতি টানলেন যুবক ‘আগে বিদ্যুতের জন্য ফোন চার্জ দিতে পারতাম না, এখন ২ ফোনেই চার্জ’ মিনাবে স্কুলে হামলা কখনো ‘ভুলবে না’ কিংবা ‘ক্ষমাও করবে না’ ইরান: আরাঘচি ইমরান খানের সুচিকিৎসার দাবি জানালেন কামিন্স পটুয়াখালীতে যুবদলের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ভাঙচুর বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬ এর জমকালো সমাপনী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন উত্তর দিতে পারেন না তখন শাহবাগ-পল্টন নিয়ে আসেন: সারজিস

 ইরাকে হামলার পর জরুরি বৈঠকে ট্রাম্প-সৌদি প্রিন্স

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরাকে দুই দেশের যৌথ হামলার পর জরুরি আলোচনার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। মিডিলিস্ট আইয়ের প্রতিবেদন অনযায়ী, মার্কিন একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে বুধবার (২৯ জুলাই)  বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জানায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফরসূচিতে এই বৈঠকটি যুক্ত করা হয়। ওই বৈঠকে তিনি ভ্যান্সকে জানান, সৌদি আরব ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর পক্ষে। যদিও চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব যৌথভাবে ইরানপন্থী ইরাকি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে।

সূত্রটি জানায়, এই বৈঠকগুলোর উদ্দেশ্য ছিল যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পক্ষ থেকে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং অঞ্চলের পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি বার্তা পৌঁছে দেয়া। সৌদি আরব এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান মিত্র। গত পাঁচ মাসে বিভিন্ন সময়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলেও, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রিয়াদ একাধিকবার ট্রাম্পের ইরাননীতি প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছে।

যুবরাজ মোহাম্মদের ভাই এবং ঘনিষ্ঠ আস্থাভাজন প্রিন্স খালিদের গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফরে যাওয়ার কথা ছিল। তবে ইরাকে হামলার কারণে তিনি সেই সফর পিছিয়ে দেন। গত মঙ্গলবার সৌদি সামরিক বাহিনী এবং মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড যৌথভাবে ইরাকে ইরানপন্থী মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে হামলা চালায়।

সেন্টকম জানায়, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নির্দেশনায় পরিচালিত এবং মিলিশিয়াদের মাধ্যমে সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে ৩০টিরও বেশি ড্রোন হামলার জবাব হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। পরে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও নিশ্চিত করে যে তারা এই হামলায় অংশ নিয়েছিল এবং জানায়, এটি সেন্টকমের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতিবাজ, দখলবাজ ও চাঁদাবাজদের দলে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 ইরাকে হামলার পর জরুরি বৈঠকে ট্রাম্প-সৌদি প্রিন্স

আপডেট সময় ১১:৪৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

এবার ইরাকে দুই দেশের যৌথ হামলার পর জরুরি আলোচনার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। মিডিলিস্ট আইয়ের প্রতিবেদন অনযায়ী, মার্কিন একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে বুধবার (২৯ জুলাই)  বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জানায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফরসূচিতে এই বৈঠকটি যুক্ত করা হয়। ওই বৈঠকে তিনি ভ্যান্সকে জানান, সৌদি আরব ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর পক্ষে। যদিও চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব যৌথভাবে ইরানপন্থী ইরাকি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে।

সূত্রটি জানায়, এই বৈঠকগুলোর উদ্দেশ্য ছিল যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পক্ষ থেকে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং অঞ্চলের পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি বার্তা পৌঁছে দেয়া। সৌদি আরব এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান মিত্র। গত পাঁচ মাসে বিভিন্ন সময়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলেও, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রিয়াদ একাধিকবার ট্রাম্পের ইরাননীতি প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছে।

যুবরাজ মোহাম্মদের ভাই এবং ঘনিষ্ঠ আস্থাভাজন প্রিন্স খালিদের গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফরে যাওয়ার কথা ছিল। তবে ইরাকে হামলার কারণে তিনি সেই সফর পিছিয়ে দেন। গত মঙ্গলবার সৌদি সামরিক বাহিনী এবং মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড যৌথভাবে ইরাকে ইরানপন্থী মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে হামলা চালায়।

সেন্টকম জানায়, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নির্দেশনায় পরিচালিত এবং মিলিশিয়াদের মাধ্যমে সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে ৩০টিরও বেশি ড্রোন হামলার জবাব হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। পরে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও নিশ্চিত করে যে তারা এই হামলায় অংশ নিয়েছিল এবং জানায়, এটি সেন্টকমের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হয়েছে।