ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুর্নীতিবাজ, দখলবাজ ও চাঁদাবাজদের দলে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়ে নজর রাখছে ভারত টানা ৪০ বছর দায়িত্ব পালন, ঘোড়ারগাড়িতে বাড়ি ফিরলেন মুয়াজ্জিন শুক্কুর আলী দুধ দিয়ে গোসল করে প্রেমের ইতি টানলেন যুবক ‘আগে বিদ্যুতের জন্য ফোন চার্জ দিতে পারতাম না, এখন ২ ফোনেই চার্জ’ মিনাবে স্কুলে হামলা কখনো ‘ভুলবে না’ কিংবা ‘ক্ষমাও করবে না’ ইরান: আরাঘচি ইমরান খানের সুচিকিৎসার দাবি জানালেন কামিন্স পটুয়াখালীতে যুবদলের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল ভাঙচুর বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬ এর জমকালো সমাপনী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন উত্তর দিতে পারেন না তখন শাহবাগ-পল্টন নিয়ে আসেন: সারজিস

চীন ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করলে ‘আমি খুবই হতাশ হব’: ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চীন যদি ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে, তাহলে তিনিখুবই হতাশহবেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং তাকে ব্যক্তিগতভাবে আশ্বাস দিয়েছেন যে বেইজিং তেহরানের কাছে কোনো অস্ত্র বিক্রি করবে না। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরান চীনে তৈরি কাঁধে বহনযোগ্য সর্বোচ্চ ৪০০টি ক্ষেপণাস্ত্র পেতে পারে। এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘এটা হলে সত্যিই অবাক হওয়ার মতো হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট শি আমাকে খুব জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি এতে অংশ নেবেন না। আর তিনি জানেন, এমন কিছু হলে আমি খুবই হতাশ হব।এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রকাশিত একটি গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছিল, চীন ইরানে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন সময় এই তথ্য সামনে আসে, যখন তেহরান বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় নিজেদের সামরিক সক্ষমতা আবার শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। গত সপ্তাহেও ট্রাম্প একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তখন তিনি চীন ও রাশিয়াকে ইরানে অস্ত্র না পাঠানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শি চিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনদুজনই তাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে তাদের কোনো দেশই বর্তমানে ইরানকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছে না। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, চীন ও রাশিয়াদুই দেশই ইরানে অস্ত্র পাঠানো থেকে বিরত রয়েছে।

তিনি আরো লেখেন, ‘ইরানের বিষয়ে যেসব বড় দেশের নাম প্রায়ই বলা হয়, আমার বিশ্বাস তারা কেউই এতে জড়িত নয়।একই পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি তারা ইরানকে অস্ত্র দিত, তাহলে সেটি তাদের জন্য খুবই খারাপ হতো। এটি তাদের নিজেদের স্বার্থেও থাকত না।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোতে ধারাবাহিক হামলার পর নতুন একটি বিষয় নিয়ে তদন্ত করছে ওয়াশিংটন। তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে, রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে ইরানকে কোনো তথ্য বা সহায়তা দিয়েছে কি না।

ট্রাম্প জানান, মে মাসে বেইজিং সফরের সময় প্রেসিডেন্ট শি তাকে স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, কোনো পরিস্থিতিতেই চীন ইরানকে অস্ত্র দেবে না। তিনি বলেন, ‘আমাদের সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে আমি তার কথাই বিশ্বাস করি।ট্রাম্প আরো বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও তাকে একই ধরনের আশ্বাস দিয়েছেন। তার ভাষ্য, পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির নীতিও ভালোভাবে বোঝেন। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ইউক্রেনের কাছে অস্ত্র বিক্রি করি না। আমি ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রি করি। তারা পুরো দাম পরিশোধ করে। এরপর সেই অস্ত্র কীভাবে বিতরণ করা হয়, সে বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই।’  শেষে আবারও শি চিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের আশ্বাসের ওপর নিজের আস্থার কথা তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট শি বলেছেন তিনি এতে অংশ নেবেন না। প্রেসিডেন্ট পুতিনও একই কথা বলেছেন। আমি তাদের বিশ্বাস করি।এরপর তিনি যোগ করেন, ‘আমার মনে হয় না তারা চাইবেন যে আমি হতাশ হই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতিবাজ, দখলবাজ ও চাঁদাবাজদের দলে জায়গা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চীন ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করলে ‘আমি খুবই হতাশ হব’: ট্রাম্প

আপডেট সময় ১১:৫৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চীন যদি ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করে, তাহলে তিনিখুবই হতাশহবেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং তাকে ব্যক্তিগতভাবে আশ্বাস দিয়েছেন যে বেইজিং তেহরানের কাছে কোনো অস্ত্র বিক্রি করবে না। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরান চীনে তৈরি কাঁধে বহনযোগ্য সর্বোচ্চ ৪০০টি ক্ষেপণাস্ত্র পেতে পারে। এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘এটা হলে সত্যিই অবাক হওয়ার মতো হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট শি আমাকে খুব জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি এতে অংশ নেবেন না। আর তিনি জানেন, এমন কিছু হলে আমি খুবই হতাশ হব।এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রকাশিত একটি গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছিল, চীন ইরানে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন সময় এই তথ্য সামনে আসে, যখন তেহরান বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় নিজেদের সামরিক সক্ষমতা আবার শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। গত সপ্তাহেও ট্রাম্প একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তখন তিনি চীন ও রাশিয়াকে ইরানে অস্ত্র না পাঠানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শি চিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনদুজনই তাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে তাদের কোনো দেশই বর্তমানে ইরানকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছে না। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, চীন ও রাশিয়াদুই দেশই ইরানে অস্ত্র পাঠানো থেকে বিরত রয়েছে।

তিনি আরো লেখেন, ‘ইরানের বিষয়ে যেসব বড় দেশের নাম প্রায়ই বলা হয়, আমার বিশ্বাস তারা কেউই এতে জড়িত নয়।একই পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি তারা ইরানকে অস্ত্র দিত, তাহলে সেটি তাদের জন্য খুবই খারাপ হতো। এটি তাদের নিজেদের স্বার্থেও থাকত না।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোতে ধারাবাহিক হামলার পর নতুন একটি বিষয় নিয়ে তদন্ত করছে ওয়াশিংটন। তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে, রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে ইরানকে কোনো তথ্য বা সহায়তা দিয়েছে কি না।

ট্রাম্প জানান, মে মাসে বেইজিং সফরের সময় প্রেসিডেন্ট শি তাকে স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, কোনো পরিস্থিতিতেই চীন ইরানকে অস্ত্র দেবে না। তিনি বলেন, ‘আমাদের সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে আমি তার কথাই বিশ্বাস করি।ট্রাম্প আরো বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও তাকে একই ধরনের আশ্বাস দিয়েছেন। তার ভাষ্য, পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির নীতিও ভালোভাবে বোঝেন। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ইউক্রেনের কাছে অস্ত্র বিক্রি করি না। আমি ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রি করি। তারা পুরো দাম পরিশোধ করে। এরপর সেই অস্ত্র কীভাবে বিতরণ করা হয়, সে বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই।’  শেষে আবারও শি চিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের আশ্বাসের ওপর নিজের আস্থার কথা তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট শি বলেছেন তিনি এতে অংশ নেবেন না। প্রেসিডেন্ট পুতিনও একই কথা বলেছেন। আমি তাদের বিশ্বাস করি।এরপর তিনি যোগ করেন, ‘আমার মনে হয় না তারা চাইবেন যে আমি হতাশ হই।