ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে তারা মালয়েশিয়া এজেন্সি সিন্ডিকেটে জড়িত নয়: জামায়াত আমির ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি রাকিবুল ডিবি হেফাজতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকে জামিন না দেওয়ায় জেল সুপারকে শোকজ বিচারকের তারেক রহমানের শুভেচ্ছা পেয়ে ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রেতা ছিলেন: ফজলুর রহমান মাহবুবা হাকিমের হলফনামায় তথ্য গোপন নয়, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল’ জাকির নায়েকের সঙ্গে আজহারির সাক্ষাৎ, উপহার পেলেন ‘বিশেষ আতর’ আবারও বাড়ল নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম ঢাবির বিজয় একাত্তর হলের ক্লাব রুমের নাম ফলক ভাঙচুর ইরানের সরকার পতন ও হামাস-হিজবুল্লাহকে নির্মূল করব: নেতানিয়াহু

প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে দেয়া উচিত মোদির, দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিন: অভিজিৎ দিপকে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, বুধবার (২৯ জুলাই) নিজ রাজ্য মহারাষ্ট্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে তীব্র কটাক্ষ করে এসব মন্তব্য করেন অভিজিৎ দিপকে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তরুণদের উদ্দেশে মোদির প্রকাশিত ভিডিওগুলোর প্রসঙ্গও এসময় টানেন তিনি।

দিপকে বলেন, ‘আমার মনে হয়, মোদির ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়া উচিত। তিনি সেটা খুব ভালোই করছেন। যদি তিনি এত ভালো ইনফ্লুয়েন্সার হন, তাহলে আপনার (মোদির) প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে দেয়া উচিত এবং ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়া উচিত। আর দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে পালন করতে দিন।

এর আগে গত মঙ্গলবার কংগ্রেসের সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও মোদির ইনস্টাগ্রাম ভিডিও নিয়ে মন্তব্য করেন। সংসদে তিনি বলেন, ‘নতুন নতুন অ্যাঙ্গেলে ভিডিও বানিয়ে জেন জির সমর্থন পাওয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল নয়, বদলাতে হবে তার মনের অ্যাঙ্গেল।এদিকে লোকসভায় পাস হওয়া প্রশ্নফাঁসবিরোধী বিল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অভিজিৎ দিপকে। তিনি বলেন, ‘শুধু আইন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। যারা আইন বাস্তবায়ন করবেন, তাদের সদিচ্ছা না থাকলে কোনও লাভ নেই। এ দেশে একের পর এক ভালো আইন হয়েছে, কিন্তু শুধু আইন পাস করলেই সবকিছু বদলে যায় না।

প্রশ্নফাঁসের মামলার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির ঘোষিত ফাস্টট্র্যাক আদালতের প্রসঙ্গ টেনে দিপকে বলেন, ‘তিন দিন আগে নরেন্দ্র মোদি ফাস্টট্র্যাক আদালতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এতে মানুষ ভেবেছিল প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত বিচার হবে। কিন্তু কী হলো?’ তিনি বলেন, ‘প্রথম শুনানিতেই সিবিআইয়ের আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় শুনানি পিছিয়ে গেছে। তাই যত আইনই করা হোক, যারা তা বাস্তবায়ন করবেন তারা যদি দায়িত্বশীল না হন, তাহলে সেই আইনের কোনও অর্থ থাকে না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে তারা মালয়েশিয়া এজেন্সি সিন্ডিকেটে জড়িত নয়: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে দেয়া উচিত মোদির, দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিন: অভিজিৎ দিপকে

আপডেট সময় ১২:০৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, বুধবার (২৯ জুলাই) নিজ রাজ্য মহারাষ্ট্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে তীব্র কটাক্ষ করে এসব মন্তব্য করেন অভিজিৎ দিপকে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তরুণদের উদ্দেশে মোদির প্রকাশিত ভিডিওগুলোর প্রসঙ্গও এসময় টানেন তিনি।

দিপকে বলেন, ‘আমার মনে হয়, মোদির ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়া উচিত। তিনি সেটা খুব ভালোই করছেন। যদি তিনি এত ভালো ইনফ্লুয়েন্সার হন, তাহলে আপনার (মোদির) প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে দেয়া উচিত এবং ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়া উচিত। আর দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে পালন করতে দিন।

এর আগে গত মঙ্গলবার কংগ্রেসের সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও মোদির ইনস্টাগ্রাম ভিডিও নিয়ে মন্তব্য করেন। সংসদে তিনি বলেন, ‘নতুন নতুন অ্যাঙ্গেলে ভিডিও বানিয়ে জেন জির সমর্থন পাওয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল নয়, বদলাতে হবে তার মনের অ্যাঙ্গেল।এদিকে লোকসভায় পাস হওয়া প্রশ্নফাঁসবিরোধী বিল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অভিজিৎ দিপকে। তিনি বলেন, ‘শুধু আইন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। যারা আইন বাস্তবায়ন করবেন, তাদের সদিচ্ছা না থাকলে কোনও লাভ নেই। এ দেশে একের পর এক ভালো আইন হয়েছে, কিন্তু শুধু আইন পাস করলেই সবকিছু বদলে যায় না।

প্রশ্নফাঁসের মামলার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির ঘোষিত ফাস্টট্র্যাক আদালতের প্রসঙ্গ টেনে দিপকে বলেন, ‘তিন দিন আগে নরেন্দ্র মোদি ফাস্টট্র্যাক আদালতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এতে মানুষ ভেবেছিল প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত বিচার হবে। কিন্তু কী হলো?’ তিনি বলেন, ‘প্রথম শুনানিতেই সিবিআইয়ের আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় শুনানি পিছিয়ে গেছে। তাই যত আইনই করা হোক, যারা তা বাস্তবায়ন করবেন তারা যদি দায়িত্বশীল না হন, তাহলে সেই আইনের কোনও অর্থ থাকে না।