ভর্তির সুযোগ না পেয়ে ভারতের দুটি শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান—আইআইটি কানপুর ও আইআইটি মাদ্রাজের ওয়েবসাইটে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করেছিলেন এক তরুণ। তবে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে এবার তাকে নিজের দক্ষতা প্রমাণের আরেকটি সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইআইটি কানপুর।
জানা গেছে, সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে নতুন চালু হওয়া ব্যাচেলর কোর্সে আবেদন করেছিলেন ওই তরুণ। কিন্তু প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ পড়ার পর তিনি দুটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে একটি বার্তা রেখে যান। সেখানে লেখা ছিল, “এই সাইট হ্যাক করা হয়েছে। আমার শুধু একটি ন্যায্য সুযোগ প্রয়োজন।”
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি দাবি করেন, কারও ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে নয়; বরং নিজের প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রমাণ করতেই তিনি এ কাজ করেছেন। তার অভিযোগ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও তাকে ভর্তি প্রক্রিয়ার হ্যাকাথন পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
আইআইটি কানপুরের পরিচালক মণীন্দ্র আগরওয়াল জানান, আবেদনকারীর পূর্ব অভিজ্ঞতা নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ না করায় তাকে নির্বাচিত করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া চলতি শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রমও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
তবে ঘটনাটিকে শাস্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তে শিক্ষামূলকভাবে দেখছে প্রতিষ্ঠানটি। আইনি পদক্ষেপের বদলে ওই তরুণকে ক্যাম্পাসে ডেকে একটি বিশেষ দক্ষতা মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। সেই পরীক্ষায় তিনি যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারলে আগামী শিক্ষাবর্ষে তার ভর্তির আবেদন বিবেচনা করা হবে।
একই সঙ্গে আইআইটির শিক্ষক ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা তাকে বুঝিয়ে দেবেন, প্রযুক্তিগত দক্ষতা থাকলেও অনুমতি ছাড়া কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করা আইন ও নৈতিকতার দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















