ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতের কেরালায় ইসলাম ত্যাগের চেয়ে ইসলাম গ্রহণের হার বাড়ছে নিখোঁজের ৫০ দিন পর রান্নাঘরের মাটি খুঁড়ে মিলল বৃদ্ধের মরদেহ দীপিকা-ক্যাটরিনাকে ছাড়িয়ে শীর্ষে আলিয়া ভাট বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জানাজা: ৯ জুলাই চিরবিদায় খামেনির সংঘর্ষের পর স্লিপার বাসে আগুন, মুহূর্তেই ঝরল ৭ জনের প্রাণ খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশুর মৃত্যু কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে: প্রেসিডেন্ট মারিয়া নেভেস যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হরমুজে শুল্কারোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান

যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ব্যানার তৈরির সময় ছাপাখানা থেকে গ্রেপ্তার ২

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

এবার যুবলীগের নামে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি হিসেবে ব্যানার বানানোর সময় যশোরে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের একজন ছাপাখানার মালিক। অপরজন যুবলীগের পলাতক নেতা ও যশোর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানের কর্মচারী। গতকাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের আই এন বি ডিজিটাল নামে একটি ছাপাখানা থেকে ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন— দেবু মল্লিক ও ছাপাখানার মালিক নাহিদ ইসলাম। এ সময় কয়েকটি ব্যানারও জব্দ করা হয়। দেবু মল্লিক আনোয়ার হোসেন বিপুলের কর্মচারী হিসেবে তার ব্যবসায় দেখাশোনা করেন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি কাজী বাবুল।

এ সময় থানা পুলিশের সাথে ডিবি ও সাইবার ক্রাইম ইউনিটের একাধিক টিমও অভিযানে অংশ নিয়েছিল। জব্দ ব্যানারগুলোতে লেখা ছিল— ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার কর, ‘অবৈধ আইসিটি আইন বন্ধ কর।’ এর আয়োজক হিসেবে ব্যানারে লেখা রয়েছে আনোয়ার হোসেন বিপুলের নাম। তিনি যশোর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা।

শেখ হাসিনার পতনের পর তিনি পলাতক রয়েছেন। যশোর-৩ আসনের সাবেক এমপি কাজী নাবিল আহমেদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে আনোয়ার হোসেন বিপুল যশোরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন বলে অভিযোগ আছে। শহরের প্রতিটি এলাকায় টিনএজদের দিয়ে তিনি তৈরি করেছিলেন কিশোর গ্যাং। তাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন মাদক ও অস্ত্র। যার খেসারত এখনো দিচ্ছেন শহরবাসী।

পুলিশের দাবি, বিক্ষোভের নামে নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়েই এসব ব্যানার তৈরি করা হচ্ছিল। বর্তমানে আওয়ামী লীগ ও তাদের লোকজন আত্মগোপনে থেকে পরিচিতদের দিয়ে এসব অপকর্ম সংঘটিত করছে। তবে এ ব্যাপারে কঠোর নজরদারি রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ব্যানার তৈরির সময় ছাপাখানা থেকে গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় ০২:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

এবার যুবলীগের নামে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি হিসেবে ব্যানার বানানোর সময় যশোরে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের একজন ছাপাখানার মালিক। অপরজন যুবলীগের পলাতক নেতা ও যশোর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানের কর্মচারী। গতকাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের আই এন বি ডিজিটাল নামে একটি ছাপাখানা থেকে ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন— দেবু মল্লিক ও ছাপাখানার মালিক নাহিদ ইসলাম। এ সময় কয়েকটি ব্যানারও জব্দ করা হয়। দেবু মল্লিক আনোয়ার হোসেন বিপুলের কর্মচারী হিসেবে তার ব্যবসায় দেখাশোনা করেন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি কাজী বাবুল।

এ সময় থানা পুলিশের সাথে ডিবি ও সাইবার ক্রাইম ইউনিটের একাধিক টিমও অভিযানে অংশ নিয়েছিল। জব্দ ব্যানারগুলোতে লেখা ছিল— ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার কর, ‘অবৈধ আইসিটি আইন বন্ধ কর।’ এর আয়োজক হিসেবে ব্যানারে লেখা রয়েছে আনোয়ার হোসেন বিপুলের নাম। তিনি যশোর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা।

শেখ হাসিনার পতনের পর তিনি পলাতক রয়েছেন। যশোর-৩ আসনের সাবেক এমপি কাজী নাবিল আহমেদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে আনোয়ার হোসেন বিপুল যশোরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন বলে অভিযোগ আছে। শহরের প্রতিটি এলাকায় টিনএজদের দিয়ে তিনি তৈরি করেছিলেন কিশোর গ্যাং। তাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন মাদক ও অস্ত্র। যার খেসারত এখনো দিচ্ছেন শহরবাসী।

পুলিশের দাবি, বিক্ষোভের নামে নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়েই এসব ব্যানার তৈরি করা হচ্ছিল। বর্তমানে আওয়ামী লীগ ও তাদের লোকজন আত্মগোপনে থেকে পরিচিতদের দিয়ে এসব অপকর্ম সংঘটিত করছে। তবে এ ব্যাপারে কঠোর নজরদারি রয়েছে।