আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে যখন রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থি চূড়ান্তকরণ ও মাঠ–পর্যায়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই প্রশ্ন উঠছে—উপদেষ্টা পরিষদের কেউ কি এবার নির্বাচনী মাঠে নামছেন? বিশেষ করে উপদেষ্টা মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মো. মাহফুজ আলমের সম্ভাব্য পদত্যাগ ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র জল্পনা চলছে।
গুঞ্জন ছিল—অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচিত এই দুই ব্যক্তি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগ দিতে পারেন। যদিও বর্তমান পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে।
ইতোমধ্যে সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম যোগ দিয়েছেন এনসিপিতে। তবে আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলমের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিভিন্ন সূত্রের দাবি—তারা বিএনপি ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোর যেকোনো একটিতে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিতে পারেন।
এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সদ্য পদত্যাগী এনসিপি সংগঠক আরিফুল ইসলাম তালুকদার। ফেসবুকে তিনি পোস্ট করে জানতে চান, “আসিফ মাহমুদ কেন এনসিপিতে যেতে পারছে না?”
তিনি পোস্টে ইঙ্গিত দিয়ে আরও লেখেন—
“প্রিয় বিপ্লবী দেশবাসী, আপনারা ভয়ংকর প্রতারিত হচ্ছেন। বিপ্লবের দল নামে যে এনসিপিকে চেনেন, বাস্তবে নীতিনির্ধারণী পরিষদ তার সম্পূর্ণ বিপরীত। এই পার্টির নীতি–নির্ধারণ এখন ধর্মবিদ্বেষী একটি বলয়ের হাতে।”
আরিফুল দাবি করেন, ২৮ নভেম্বর তিনি এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন একটি বিতর্কিত শর্ত পাওয়ার পর।
“আমাকে ফোনে পরোক্ষভাবে দল বা ধর্মীয় অনুভূতির যেকোনো একটি বেছে নিতে বলা হয়। আমি সঙ্গে সঙ্গে বলেছি—আমি আমার রবকেই বেছে নিলাম।”
তিনি আরও জানান, কথোপকথনের শেষ অংশ তিনি রেকর্ড করেছেন।
আরিফুল ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি আগামীকাল, ১ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার বিকেল ৩টায় সংবাদ সম্মেলনে এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন। তার ভাষায়—
“সংবাদ সম্মেলনে অতি গুরুতর কয়েকটি তথ্য সামনে আনব।”

ডেস্ক রিপোর্ট 



















