ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বরিশালে হাসপাতালের বেডে শুয়েই অশ্লীলতা দুই সমকামী তরুণীর টিফিনে শিক্ষার্থীদের কাঁচা কলা খাওয়ানো সেই শিক্ষিকা বরখাস্ত প্রেমিকের সঙ্গে থাকার দাবিতে মোবাইল টাওয়ারে উঠলেন বিবাহিত নারী মঙ্গলবার দেশের কোথাও লোডশেডিং হয়নি: বিদ্যুৎ বিভাগ সরকার চাইলে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে পারে: রুমিন ফারহানা দেশের ৩৭৮১৪ পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টাকা দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁন যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি, প্রতিরোধের পূর্ণ প্রস্তুতিতে ইরান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের হাজার হাজার সৈন্য রক্ত দিয়ে গেছে: ফজলুর রহমান ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে শিশু হত্যা মামলা হওয়া প্রয়োজন: আইনজীবী সুব্রত

খুব বিপদে আছি, কোথাও গেলে এক পাশে যুবদল দাঁড়ায়, আরেক পাশে ছাত্রদল: নাসীরুদ্দীন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, খুব বিপদে আছি। দিনের বেলায় কোথাও গেলে এক জায়গায় যুবদল এসে দাঁড় করায়, আরেক জায়গায় ছাত্রদল। এসে বলে— ভাই, আপনি এটা করেন না কেন? আমি তখন জিজ্ঞেস করি, আপনারা কোন দলের? ওরা বলে, কোনো দলই করে না। কিন্তু একটু খোঁজ নিলেই দেখা যায়— কেউ যুবদলের সেক্রেটারি, কেউ আবার ছাত্রদলের আহ্বায়ক।

এরপর আর তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। নির্বাচিত হলে ঢাকা-৮ আসনকে শিক্ষার্থীদের জন্য আদর্শ ও নিরাপদ এক নগরীতে রূপান্তর করার অঙ্গীকার করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন নিশ্চিন্তে থাকতে পারে, পুষ্টিকর খাবার পায়, শান্তিতে ঘুমাতে পারে— সে পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে স্কুল-কলেজে ভর্তি বাণিজ্য সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পিজি ও বারডেম হাসপাতালে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী আসেন, কিন্তু সেখানে ভালো মানের খাবারের হোটেল ও থাকার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। রমনা ও শাহজাহানপুর এলাকার দীর্ঘদিনের পানি, বিদ্যুৎ, সড়ক ও মাদকসংক্রান্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাটওয়ারী বলেন, সরকারি জমি যেগুলো দখল হয়ে আছে, সেগুলো উদ্ধার করে শিশুদের জন্য খেলার মাঠ এবং বয়স্কদের জন্য হাঁটা ও ব্যায়ামের উপযোগী পার্ক গড়ে তোলা হবে।

এ ছাড়া তিনি কাঁচাবাজারগুলোকে পরিকল্পিত ও আধুনিক রূপে সাজানো, পলাশী মার্কেটের মতো বহুতল মার্কেট নির্মাণ, নারীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যানজট কমানো, পরিবেশদূষণ রোধে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। অনেকে আমাকে বলছেন, আমি নাকি শুধু মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধেই কথা বলি। কিন্তু আমি কী করব— তা বলি না। তাই আজ এসব বিষয় তুলে ধরলাম। এগুলো কি ভালো, আশাব্যঞ্জক প্রতিশ্রুতি নয়? আমরা কি মানুষের জন্য ভালো কোনো আশ্বাস দিচ্ছি না? তাহলে কি তারা এসব দেখেও দেখছে না, নাকি দেখেও চুপ করে থাকে?

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে হাসপাতালের বেডে শুয়েই অশ্লীলতা দুই সমকামী তরুণীর

খুব বিপদে আছি, কোথাও গেলে এক পাশে যুবদল দাঁড়ায়, আরেক পাশে ছাত্রদল: নাসীরুদ্দীন

আপডেট সময় ১০:৪৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, খুব বিপদে আছি। দিনের বেলায় কোথাও গেলে এক জায়গায় যুবদল এসে দাঁড় করায়, আরেক জায়গায় ছাত্রদল। এসে বলে— ভাই, আপনি এটা করেন না কেন? আমি তখন জিজ্ঞেস করি, আপনারা কোন দলের? ওরা বলে, কোনো দলই করে না। কিন্তু একটু খোঁজ নিলেই দেখা যায়— কেউ যুবদলের সেক্রেটারি, কেউ আবার ছাত্রদলের আহ্বায়ক।

এরপর আর তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। নির্বাচিত হলে ঢাকা-৮ আসনকে শিক্ষার্থীদের জন্য আদর্শ ও নিরাপদ এক নগরীতে রূপান্তর করার অঙ্গীকার করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন নিশ্চিন্তে থাকতে পারে, পুষ্টিকর খাবার পায়, শান্তিতে ঘুমাতে পারে— সে পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে স্কুল-কলেজে ভর্তি বাণিজ্য সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পিজি ও বারডেম হাসপাতালে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী আসেন, কিন্তু সেখানে ভালো মানের খাবারের হোটেল ও থাকার উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। রমনা ও শাহজাহানপুর এলাকার দীর্ঘদিনের পানি, বিদ্যুৎ, সড়ক ও মাদকসংক্রান্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাটওয়ারী বলেন, সরকারি জমি যেগুলো দখল হয়ে আছে, সেগুলো উদ্ধার করে শিশুদের জন্য খেলার মাঠ এবং বয়স্কদের জন্য হাঁটা ও ব্যায়ামের উপযোগী পার্ক গড়ে তোলা হবে।

এ ছাড়া তিনি কাঁচাবাজারগুলোকে পরিকল্পিত ও আধুনিক রূপে সাজানো, পলাশী মার্কেটের মতো বহুতল মার্কেট নির্মাণ, নারীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যানজট কমানো, পরিবেশদূষণ রোধে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। অনেকে আমাকে বলছেন, আমি নাকি শুধু মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধেই কথা বলি। কিন্তু আমি কী করব— তা বলি না। তাই আজ এসব বিষয় তুলে ধরলাম। এগুলো কি ভালো, আশাব্যঞ্জক প্রতিশ্রুতি নয়? আমরা কি মানুষের জন্য ভালো কোনো আশ্বাস দিচ্ছি না? তাহলে কি তারা এসব দেখেও দেখছে না, নাকি দেখেও চুপ করে থাকে?