ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আম্মার ছিলেন শিবিরের ‘সাথী’, ‘পদ-বাণিজ্য’ করে হন বহিষ্কার নিয়োগের দাবিতে কাফন পরে ২২ প্রার্থীর অনশন ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে উত্তাল মরক্কো, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ক্ষোভ ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে নির্যাতন, ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার ইসরায়েলগামী সেই বিমান বিধ্বস্তের চেষ্টা করেছেন পাইলট, বলল নেতানিয়াহু ডেঙ্গু ঠেকাতে সচেতনতার বার্তা, রমনায় মশক নিধন অভিযানে সাদিক কায়েম ঠাকুরগাঁওয়ে ফার্মেসিতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় ওষধ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মহিউদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার শহীদ হাদির নাম মুছে আগের নামেই ফিরছে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ ভিক্টিম ভিক্টিমের মতো থাকবা, তুমি প্রতিবাদ করবা কেন: আসিফ মাহমুদ

৬ আগস্টের আগে কখনও মাহফুজ ভাইকে দেখিনি, চিনিও নাই, কথাও হয়নি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৪৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • ১৫১৭ বার পড়া হয়েছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রামের অন্যতম সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি জানিয়েছেন, ঢাকায় ৬ আগস্ট বঙ্গভবনে যাওয়ার দিনই তার প্রথমবারের মতো পরিচয় হয় আলোচিত ‘মাহফুজ ভাই’-এর সঙ্গে। এর আগে কখনো তাকে দেখেননি বা চিনতেন না বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে দেওয়া দীর্ঘ এক পোস্টে রাফি এসব মন্তব্য করেন।

রাফি জানান, চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনটি শুরু হয় ছোট পরিসরে এবং নানা বাধা-বিপত্তি ও রাজনৈতিক চাপের মধ্যেও তা সামনে এগিয়ে যায়। ৩ জুলাই ১ নম্বর গেট অবরোধের দিন ছাত্রলীগ কর্মীরা তাকে আটকে রেখে তল্লাশি চালায় এবং বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক ট্যাগ দিতে চায়, তবে কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, “চট্টগ্রামে আন্দোলনের সমন্বয়ের কাজ আমরা নিজেরাই করেছি। তখন ঢাকার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগও সীমিত ছিল। তবে প্রতিদিন মহিউদ্দিন রনি ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা কর্মসূচি পরিচালনা করতাম।”

পোস্টে রাফি আরও উল্লেখ করেন, ‘ডিবি হেফাজতের বাইরে থাকা চট্টগ্রামের সমন্বয়কারীরা পরবর্তীতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ঢাকার কিছু ফেইস হাইলাইট করলেও বাস্তবে আন্দোলনের নেতৃত্ব ছিল বিস্তৃত এবং বিকেন্দ্রীকৃত।’

বঙ্গভবন যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “৬ আগস্ট রিফাত রশিদ ভাই আমাকে ফোন করে কার্জন হলের সামনে যেতে বলেন। পরে জানতে পারি, বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ৮/৯ জন প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয়েছে। সেখানেই প্রথমবারের মতো মাহফুজ ভাই, আসিফ নজরুল স্যার ও তানজিম স্যারের সঙ্গে দেখা হয়।”

রাফি তাঁর পোস্টে জানান, এরপর টিএসসিতে ফিরে আন্দোলনকারীরা যার যার মতো সরে যান। সেদিনই উপদেষ্টা শারমিন মুর্শিদ ম্যাডামের সঙ্গেও তাঁর প্রথম দেখা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আম্মার ছিলেন শিবিরের ‘সাথী’, ‘পদ-বাণিজ্য’ করে হন বহিষ্কার

৬ আগস্টের আগে কখনও মাহফুজ ভাইকে দেখিনি, চিনিও নাই, কথাও হয়নি

আপডেট সময় ০৮:৪৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রামের অন্যতম সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি জানিয়েছেন, ঢাকায় ৬ আগস্ট বঙ্গভবনে যাওয়ার দিনই তার প্রথমবারের মতো পরিচয় হয় আলোচিত ‘মাহফুজ ভাই’-এর সঙ্গে। এর আগে কখনো তাকে দেখেননি বা চিনতেন না বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে দেওয়া দীর্ঘ এক পোস্টে রাফি এসব মন্তব্য করেন।

রাফি জানান, চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনটি শুরু হয় ছোট পরিসরে এবং নানা বাধা-বিপত্তি ও রাজনৈতিক চাপের মধ্যেও তা সামনে এগিয়ে যায়। ৩ জুলাই ১ নম্বর গেট অবরোধের দিন ছাত্রলীগ কর্মীরা তাকে আটকে রেখে তল্লাশি চালায় এবং বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক ট্যাগ দিতে চায়, তবে কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, “চট্টগ্রামে আন্দোলনের সমন্বয়ের কাজ আমরা নিজেরাই করেছি। তখন ঢাকার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগও সীমিত ছিল। তবে প্রতিদিন মহিউদ্দিন রনি ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা কর্মসূচি পরিচালনা করতাম।”

পোস্টে রাফি আরও উল্লেখ করেন, ‘ডিবি হেফাজতের বাইরে থাকা চট্টগ্রামের সমন্বয়কারীরা পরবর্তীতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ঢাকার কিছু ফেইস হাইলাইট করলেও বাস্তবে আন্দোলনের নেতৃত্ব ছিল বিস্তৃত এবং বিকেন্দ্রীকৃত।’

বঙ্গভবন যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “৬ আগস্ট রিফাত রশিদ ভাই আমাকে ফোন করে কার্জন হলের সামনে যেতে বলেন। পরে জানতে পারি, বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ৮/৯ জন প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয়েছে। সেখানেই প্রথমবারের মতো মাহফুজ ভাই, আসিফ নজরুল স্যার ও তানজিম স্যারের সঙ্গে দেখা হয়।”

রাফি তাঁর পোস্টে জানান, এরপর টিএসসিতে ফিরে আন্দোলনকারীরা যার যার মতো সরে যান। সেদিনই উপদেষ্টা শারমিন মুর্শিদ ম্যাডামের সঙ্গেও তাঁর প্রথম দেখা হয়।