ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিগগিরই ছায়া মন্ত্রিসভার ঘোষণা জামায়াতের, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ডা. শফিকুর জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন প্রায় চূড়ান্ত, থাকছেন যারা রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে সৌদি বাদশাহ সালমানের অভিনন্দন সন্ত্রাসবাদের কালো তালিকা থেকে সিরিয়াকে সরালো যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ ও আসামির শার্ট একই কীভাবে, জানালেন সেই পুলিশ কর্মকর্তা আজ মিলাদুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি স্থানীয় নির্বাচনে কেউ বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেই কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘের টহল দলে অতর্কিত হামলা, ২ শান্তিরক্ষী নিহত ছয় মাসে বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন ৬২ হাজার শ্রমিক: ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ইরানকে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে সৌদি আরব-তুরস্ক-পাকিস্তানের আমন্ত্রণ

‘শিবির’ শব্দ বাদ দিলে রাকিব-নাছির এক মিনিটও কথা বলতে পারবেন না

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • ১০০৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সাদিক কায়েম অভিযোগ করেছেন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এখন ‘কথা বলার মধ্য দিয়েই হাস্যরসে পরিণত’ হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিব-নাছির ভাই পাঁচ মিনিট কথা বললে তার সাড়ে চার মিনিটই শিবিরবিরোধী বক্তব্যে ব্যয় করেন। আমার মনে হয়, ‘শিবির’ শব্দ বাদ দিলে তারা এক মিনিটও কথা বলতে পারবেন না।”

সাদিক কায়েম বলেন, “জুলাই পরবর্তী সময়ে আমরা চেয়েছিলাম, দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হোক। সেই অনুযায়ী প্রথম দফার দাবিতেই ছিল, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করা।”

তিনি জানান, দেরিতে হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের তফসিল ঘোষণাকে শিবির স্বাগত জানায়। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত তফসিল ঘোষণা করা হোক।

ছাত্রদলকে বন্ধুপ্রতিম সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে সাদিক কায়েম বলেন, “তারা যদি জুলাইয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে, শিক্ষার্থীদের বাস্তব দাবি-দাওয়ার ভিত্তিতে কথা বলে, তাহলে শিক্ষার্থীরা তাদের পাশে থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “ছাত্রলীগের কায়দায় ট্যাগিংয়ের ও প্রোপাগান্ডার রাজনীতি ছাত্রদলকেও ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অপ্রাসঙ্গিক দোষারোপমূলক রাজনীতির মাধ্যমে তারা শিক্ষার্থীদের কাছে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছে।”

সাদিক কায়েমের মতে, “শিক্ষার্থীরা এখন আর দোষারোপের রাজনীতি চায় না। বরং তারা চায় কার্যকর, অংশগ্রহণমূলক, প্রতিনিধিত্বশীল ছাত্র রাজনীতি।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিগগিরই ছায়া মন্ত্রিসভার ঘোষণা জামায়াতের, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ডা. শফিকুর

‘শিবির’ শব্দ বাদ দিলে রাকিব-নাছির এক মিনিটও কথা বলতে পারবেন না

আপডেট সময় ০৯:০১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সাদিক কায়েম অভিযোগ করেছেন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এখন ‘কথা বলার মধ্য দিয়েই হাস্যরসে পরিণত’ হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিব-নাছির ভাই পাঁচ মিনিট কথা বললে তার সাড়ে চার মিনিটই শিবিরবিরোধী বক্তব্যে ব্যয় করেন। আমার মনে হয়, ‘শিবির’ শব্দ বাদ দিলে তারা এক মিনিটও কথা বলতে পারবেন না।”

সাদিক কায়েম বলেন, “জুলাই পরবর্তী সময়ে আমরা চেয়েছিলাম, দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হোক। সেই অনুযায়ী প্রথম দফার দাবিতেই ছিল, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করা।”

তিনি জানান, দেরিতে হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের তফসিল ঘোষণাকে শিবির স্বাগত জানায়। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত তফসিল ঘোষণা করা হোক।

ছাত্রদলকে বন্ধুপ্রতিম সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে সাদিক কায়েম বলেন, “তারা যদি জুলাইয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে, শিক্ষার্থীদের বাস্তব দাবি-দাওয়ার ভিত্তিতে কথা বলে, তাহলে শিক্ষার্থীরা তাদের পাশে থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “ছাত্রলীগের কায়দায় ট্যাগিংয়ের ও প্রোপাগান্ডার রাজনীতি ছাত্রদলকেও ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অপ্রাসঙ্গিক দোষারোপমূলক রাজনীতির মাধ্যমে তারা শিক্ষার্থীদের কাছে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছে।”

সাদিক কায়েমের মতে, “শিক্ষার্থীরা এখন আর দোষারোপের রাজনীতি চায় না। বরং তারা চায় কার্যকর, অংশগ্রহণমূলক, প্রতিনিধিত্বশীল ছাত্র রাজনীতি।”