পারিবারিক বিরোধের বিচার সম্পন্ন করে দেওয়ার কথা বলে এক নারীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রুহুলার ডেইল কেন্দ্রীয় মসজিদের সমাজ কমিটির সভাপতি সিকান্দার আলীর বিরুদ্ধে । বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হওয়ার পর এলাকা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর ও স্বামীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে তার পারিবারিক একটি বিরোধ মীমাংসার জন্য তিনি সিকান্দার আলীর দ্বারস্থ হন। তিনি সমাজ কমিটির সভাপতি এবং বিএনপির প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় বিবাদের সুষ্ঠু নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়ে আসছিলেন।
অভিযোগ উঠেছে, বিচার শেষ করে দেওয়ার বাহানায় সিকান্দার আলী তাকে শহরের নির্দিষ্ট একটি সময়ে শহরের বাসটার্মিনাল এলাকায় ঢাকা হোটেলে নামে আবাসিক হোটেলে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে যাওয়ার পর তিনি ওই নারীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন এবং ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারী বিষয়টি স্থানীয়দের অবহিত করেন।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর খুরুশকুলের স্থানীয় অধিবাসী ও বিএনপি কর্মীদের একাংশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত নেতার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
অভিযোগের বিষয়ে সিকান্দার আলীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, এটি তার বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। রাজনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করতেই একটি পক্ষ তার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এই বিষয় সমাজ কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি আবুল খাইয়ের জানান : এই বিষয়ে মহলিার স্বামী একটা লিখিত অভিযোগ দিছে আমাদের হাতে, আমরা নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করতেছি ঘটনার কিছু টা সত্য পাওয়া গিয়াছে এবং আরো তদন্ত চলমান রয়েছে, পরে আমরা সমাজের সবাইকে ডেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্তা নেব।
ঘটনার বিষয়ে খুরুশকুল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুুরুল আমিন বলেন: ঘটনার বিষয়টি আমরা মৌখিকভাবে শুনেছি এবং অনলাইনে যোগাযোগ মাধ্যমে দেখছি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এবং দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের প্রমাণ পাওয়া গেলে সিকান্দার আলীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















