ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঠাকুরগাঁওয়ে ফার্মেসিতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় ওষধ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মহিউদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার শহীদ হাদির নাম মুছে আগের নামেই ফিরছে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ ভিক্টিম ভিক্টিমের মতো থাকবা, তুমি প্রতিবাদ করবা কেন: আসিফ মাহমুদ মার্কিন সেনামুক্ত ইরাককে স্বাগত জানাল ইরান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের মন্ত্রণালয়ের কাজ বাদ দিয়ে সংবিধান নিয়ে ব্যস্ত: গোলাম পরওয়ার সারের সংকট নিয়ে আন্দোলন বিএনপিকে হেয় করার চক্রান্ত: মীর শাহে আলম চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন সেনা বিদায়, ইরাকে ৪ দিনের ছুটির ঘোষণা মিরপুরে উচ্ছেদ চলমান থাকবে, ফ্যাসিবাদের দোসররা হামলা করছে: ডিএনসিসি প্রশাসক

একাত্তর নিয়ে বক্তেব্যের পর দুঃখ প্রকাশ করলেন আইন উপদেষ্টা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৭:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • ৪৩৪ বার পড়া হয়েছে

এবার ‘শেখ হাসিনা ও তার দোসররা যে অপরাধ বাংলাদেশে করেছে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীও মনে হয় এত জঘন্য অপরাধ করেনি’ এমন মন্তব্য করার কয়েক ঘন্টা পরই দুঃখ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন।

আসিফ নজরুল লিখেছেন, শেখ হাসিনার নৃশংসতা অবিশ্বাস্য। লাশ ও আহত মানুষকে আগুনে পোড়ানো, নির্বিচারে নারী-কিশোর-শিশু হত্যা, হেলিকপ্টার দিয়ে গুলি করে বেসামরিক মানুষ মারা, মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতর তরুণকে গুলি করে মারা, হাসপাতালে চিকিৎসা না দিয়ে হত্যা করার নির্দেশদাতা ছিলেন শেখ হাসিনা। যুদ্ধের ময়দানেও এসব কর্মকান্ডকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

তিনি আরও লিখেছেন, কিন্তু তাই বলে তার নৃশংসতার সঙ্গে একাত্তরে বাংলাদেশের মানুষের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতার তুলনা করা ঠিক হয়নি আমার। দুটোই জঘন্যতম অপরাধ। আমার কথায় যারা ভেবেছেন আমি একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞকে ছোট করে দেখেছি, তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। এর আগে, মঙ্গলবার (২৯ জুলাই)  জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হওয়া হত্যাকাণ্ডের বিচার বিষয়ে আয়োজিত এক আলোচনা ও তথ্য প্রদর্শনীতে হাসিনার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্বরতার তুলনা করেন আসিফ নজরুল।

সেখানে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও তার দোসররা যে অপরাধ বাংলাদেশে করেছে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীও মনে হয় এত জঘন্য অপরাধ করেনি। মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলা, আহতদের গুলি করে মেরে ফেলা, নিরস্ত্র মানুষকে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছে। আপনারা বলতে পারেন, ২৫ মার্চ কালরাতে হয়েছে। অবশ্যই হয়েছে, ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু ওটা তো অন্য দেশের বাহিনী। আমরা তো স্বাধীনতা ঘোষণা করেছি তারপর।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭১ সালে মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলেছে, এরকম কোনো ফুটেজ আমি দেখিনি। ১৯৭১ সালে একজন গুলি খেয়েছে, তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে তার বন্ধু, সে অবস্থায় তাকে গুলি করেছে। কোনো মুক্তিযোদ্ধার এমন কোনো বর্ণনা আমি পড়িনি বা ফুটেজ দেখিনি। অন্যরকম নৃশংসতা থাকতে পারে, কিন্তু এরকম নৃশংসতা করেনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে ফার্মেসিতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় ওষধ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

একাত্তর নিয়ে বক্তেব্যের পর দুঃখ প্রকাশ করলেন আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০২:০৭:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

এবার ‘শেখ হাসিনা ও তার দোসররা যে অপরাধ বাংলাদেশে করেছে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীও মনে হয় এত জঘন্য অপরাধ করেনি’ এমন মন্তব্য করার কয়েক ঘন্টা পরই দুঃখ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন।

আসিফ নজরুল লিখেছেন, শেখ হাসিনার নৃশংসতা অবিশ্বাস্য। লাশ ও আহত মানুষকে আগুনে পোড়ানো, নির্বিচারে নারী-কিশোর-শিশু হত্যা, হেলিকপ্টার দিয়ে গুলি করে বেসামরিক মানুষ মারা, মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতর তরুণকে গুলি করে মারা, হাসপাতালে চিকিৎসা না দিয়ে হত্যা করার নির্দেশদাতা ছিলেন শেখ হাসিনা। যুদ্ধের ময়দানেও এসব কর্মকান্ডকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

তিনি আরও লিখেছেন, কিন্তু তাই বলে তার নৃশংসতার সঙ্গে একাত্তরে বাংলাদেশের মানুষের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতার তুলনা করা ঠিক হয়নি আমার। দুটোই জঘন্যতম অপরাধ। আমার কথায় যারা ভেবেছেন আমি একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাযজ্ঞকে ছোট করে দেখেছি, তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। এর আগে, মঙ্গলবার (২৯ জুলাই)  জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হওয়া হত্যাকাণ্ডের বিচার বিষয়ে আয়োজিত এক আলোচনা ও তথ্য প্রদর্শনীতে হাসিনার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্বরতার তুলনা করেন আসিফ নজরুল।

সেখানে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও তার দোসররা যে অপরাধ বাংলাদেশে করেছে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীও মনে হয় এত জঘন্য অপরাধ করেনি। মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলা, আহতদের গুলি করে মেরে ফেলা, নিরস্ত্র মানুষকে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছে। আপনারা বলতে পারেন, ২৫ মার্চ কালরাতে হয়েছে। অবশ্যই হয়েছে, ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু ওটা তো অন্য দেশের বাহিনী। আমরা তো স্বাধীনতা ঘোষণা করেছি তারপর।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭১ সালে মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলেছে, এরকম কোনো ফুটেজ আমি দেখিনি। ১৯৭১ সালে একজন গুলি খেয়েছে, তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে তার বন্ধু, সে অবস্থায় তাকে গুলি করেছে। কোনো মুক্তিযোদ্ধার এমন কোনো বর্ণনা আমি পড়িনি বা ফুটেজ দেখিনি। অন্যরকম নৃশংসতা থাকতে পারে, কিন্তু এরকম নৃশংসতা করেনি।