এবার ইরাক থেকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটের সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে। ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেশটিতে এখন আর মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের কোনো সেনা নেই। বুধবারের মধ্যে পূর্ণ প্রত্যাহার শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তার এক দিন আগেই শেষ মার্কিন ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রত্যাহারকে ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ‘ঐতিহাসিক বিজয়’ হিসেবে দেখছে।
মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে ইরান তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য বিজয় হিসেবে দেখছে। ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আজিজি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একসময় অঞ্চলটি ছেড়ে যাবে, কিন্তু ইরান ও তার প্রতিবেশীরাই সেখানে থেকে যাবে।
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের উপপ্রধান আমির হায়াত মোঘাদ্দামও মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তার দাবি, মার্কিন বাহিনী ও বিদেশি সেনা চলে গেলে ইরাকে স্থায়ী নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হবে।
যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য ইরান–সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াগুলোর বিরুদ্ধে আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িত থাকার অভিযোগ করে আসছে। সম্প্রতি সৌদি আরবও জানিয়েছে, দেশটির ইস্ট–ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে হামলার উৎস ইরাকের ভূখণ্ড থেকে ছিল। বাগদাদ ওই হামলার নিন্দা জানিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। সূত্র: রয়টার্স ও আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট 






















