সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর এলাকায় ব্যাপক পাথর উত্তোলন ও লুটপাটের ফলে মনোমুগ্ধকর পর্যটন কেন্দ্রটি ক্ষতবিক্ষত ও বিবর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে দিনে-রাতে পাথরের অবাধ উত্তোলন চলছে। প্রতিরাতে শতাধিক গাড়ি পাথর নিয়ে বের হতে দেখা যায়। স্থানীয় প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক নেতার নেতৃত্বে এই লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন, আগের চার বছর জাফলংয়ে পাথর উত্তোলন বন্ধ রাখতে সক্ষম হয়েছিলাম, কিন্তু এখন সামর্থ্য হয়নি। তিনি বলেন, দেশের চাহিদার মাত্র ৬ শতাংশ পাথর স্থানীয়ভাবে পাওয়া যায়, বাকি ৯৪ শতাংশ আমদানি করা হয়; তবু কেন স্থানীয় পাথর উত্তোলন বন্ধ রাখা যাচ্ছে না তা বোঝা যায় না।
উপদেষ্টা রিজওয়ানা বলেন, আমরা ভিয়েতনামে নদীর ইকো ট্যুরিজম দেখি, কিন্তু বাংলাদেশের জাফলং-এ ঐ রকম উন্নয়ন হয়নি। পাথর উত্তোলনের বদলে ইকো ট্যুরিজমে বেশি আয় সম্ভব হলেও তা করছে না দেশ। তিনি এই পাথর উত্তোলনকে শ্রমের শোষণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং বলেন, এভাবে জাফলংয়ের প্রকৃতি ধ্বংস করে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।
সাদাপাথর এলাকায় প্রতিবছর লাখ লাখ পর্যটক সৌন্দর্যের জন্য আসেন, কিন্তু লুটপাটের কারণে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নষ্ট হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















