ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
২০২৭ সালের রমজানের সম্ভাব্য তারিখ ৬ অথবা ৭ ফেব্রুয়ারি বাবার মরদেহ বারান্দায়, সাড়ে তিন হাত জায়গা নিয়ে ২ ভাইয়ের মারামারি হাঁস-মুরগির দোকানে ম্যারেজ মিডিয়ার অফিস ওমরাহর জন্য স্ত্রীর জমানো টাকায় ৫৬ বছরের রাস্তা সংস্কার সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে ৬৭ লাখ টাকা, ঘোষণা সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার আগে বলে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’, পরে বলে ‘গিভ মি ইওর প্ল্যান’: হাসনাত আব্দুল্লাহ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: এমপি শওকতুল ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত, আলোচিত সেই মাদরাসা শিক্ষকই শিশুটির বাবা বিএনপি ক্ষমতায় এলেই সংকট বাড়ে: এনসিপি নেতা সারোয়ার দেশের প্রতিটি সংকটে জিয়া পরিবার জনগণের পাশে থেকেছে: আমানউল্লাহ আমান

“দল থেকে শোকজে হতবাক, শেষ নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা মুক্তিযোদ্ধা এড. ফজলুর রহমানের”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৪৫১ বার পড়া হয়েছে

বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. ফজলুর রহমান বলেছেন, দলের জন্য সারাজীবন কাজ করার পরও তাকে শোকজ করা হয়েছে, যা তিনি কখনো ভাবতে পারেননি। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কিশোরগঞ্জের ইটনা সদরে তার সমর্থনে আয়োজিত বিশাল সমাবেশে তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে কূরুচিপূর্ণ বক্তব্য ও ধর্মবিরোধিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি জবাব দিয়েছি, কিন্তু তা গ্রহণ করা হয়নি। তিন মাসের জন্য সব পদ স্থগিত করা হলো। আমি বুঝলাম না আমার অপরাধ কী। তারপরও দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।”

তিনি আরও জানান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা হলে তিনি প্রতিবাদ করেন। “রাজাকার ও আলবদরের বংশধর যারা মুক্তিযুদ্ধ মানে না, তাদের পাকিস্তানে ফিরে যেতে হবে”— এমন কড়া অবস্থান ব্যক্ত করেন তিনি।

জামায়াতের ধর্মবিরোধী অভিযোগের জবাবে ফজলুর রহমান বলেন, তিনি সুফিবাদে বিশ্বাসী এবং হযরত শাহজালাল, শাহ পরানসহ মহান সুফিদের আদর্শ অনুসরণ করেন। তবে জামায়াত এ ধারার অনুসারীদের হত্যার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমার বয়স ৭৮। আগামী নির্বাচন হবে আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। আপনাদের সমর্থন পেলে আমি এই নির্বাচন করতে চাই।” তিনি দাবি করেন, তাকে দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত করতে বিরোধীরা ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারে।

সমাবেশে হাজারো নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে ইটনা সদরে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শত শত নৌকার বহরে মিছিল বের হয়ে কলেজ মাঠে গিয়ে শেষ হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপক উপস্থিতি এদিন বিশেষভাবে নজর কাড়ে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রওশন আলী রুশো। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, নীহারেন্দু দেবনাথ, নবী হোসেন তজু মিয়া এবং ফজলুর রহমানের স্ত্রী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, ছেলে ব্যারিস্টার অভীক রহমানসহ অনেকে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৭ সালের রমজানের সম্ভাব্য তারিখ ৬ অথবা ৭ ফেব্রুয়ারি

“দল থেকে শোকজে হতবাক, শেষ নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা মুক্তিযোদ্ধা এড. ফজলুর রহমানের”

আপডেট সময় ১২:১৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. ফজলুর রহমান বলেছেন, দলের জন্য সারাজীবন কাজ করার পরও তাকে শোকজ করা হয়েছে, যা তিনি কখনো ভাবতে পারেননি। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কিশোরগঞ্জের ইটনা সদরে তার সমর্থনে আয়োজিত বিশাল সমাবেশে তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে কূরুচিপূর্ণ বক্তব্য ও ধর্মবিরোধিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি জবাব দিয়েছি, কিন্তু তা গ্রহণ করা হয়নি। তিন মাসের জন্য সব পদ স্থগিত করা হলো। আমি বুঝলাম না আমার অপরাধ কী। তারপরও দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।”

তিনি আরও জানান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা হলে তিনি প্রতিবাদ করেন। “রাজাকার ও আলবদরের বংশধর যারা মুক্তিযুদ্ধ মানে না, তাদের পাকিস্তানে ফিরে যেতে হবে”— এমন কড়া অবস্থান ব্যক্ত করেন তিনি।

জামায়াতের ধর্মবিরোধী অভিযোগের জবাবে ফজলুর রহমান বলেন, তিনি সুফিবাদে বিশ্বাসী এবং হযরত শাহজালাল, শাহ পরানসহ মহান সুফিদের আদর্শ অনুসরণ করেন। তবে জামায়াত এ ধারার অনুসারীদের হত্যার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমার বয়স ৭৮। আগামী নির্বাচন হবে আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। আপনাদের সমর্থন পেলে আমি এই নির্বাচন করতে চাই।” তিনি দাবি করেন, তাকে দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত করতে বিরোধীরা ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারে।

সমাবেশে হাজারো নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে ইটনা সদরে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শত শত নৌকার বহরে মিছিল বের হয়ে কলেজ মাঠে গিয়ে শেষ হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপক উপস্থিতি এদিন বিশেষভাবে নজর কাড়ে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রওশন আলী রুশো। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, নীহারেন্দু দেবনাথ, নবী হোসেন তজু মিয়া এবং ফজলুর রহমানের স্ত্রী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, ছেলে ব্যারিস্টার অভীক রহমানসহ অনেকে।