ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আ.লীগের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলাই বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ,  যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ মারা গেলেন আফগানিস্তানের সাবেক পেসার শাপুর জাদরান স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি মৌলিক অধিকার: জুবাইদা রহমান ঘুষ নেওয়ার দায়ে চীনের সাবেক সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড বিচারে নিষিদ্ধ না হলে কর্মকাণ্ড চালাতে পারবে আওয়ামী লীগ : তথ্য উপদেষ্টা ভারতের বিরুদ্ধে সব ফ্রন্টে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের স্থানীয় সরকার নির্বাচন অক্টোবরে শুরু: তথ্য উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী খামেনির শেষ শ্রদ্ধা অনুষ্ঠানে খাবার বিতরণ ও স্বেচ্ছাসেবী ভূমিকায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

তিস্তা প্রকল্পে আগ্রহী চীন, পাঠাচ্ছে কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল

সহায়তায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে প্রায় ৫৫ কোটি ডলারের ঋণ চেয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করছে ঢাকা। সোমবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে বসেন ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠকে রাষ্ট্রদূত জানান, তিস্তা প্রকল্পে চীন গভীর আগ্রহী এবং ঋণ প্রদানের বিষয়েও তারা ইতিবাচক।

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রকল্প যাচাই করতে বাংলাদেশে আসছে চীনের একটি কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল। গত মার্চে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফরের পর থেকেই এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ গতি পেয়েছে। ইতোমধ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের কাছে ঋণ চেয়ে চিঠি দিয়েছে।

 

তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপ বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৫ কোটি ডলার। এর মধ্যে ৫৫ কোটি ডলার চীনের ঋণ এবং বাকিটা সরকারি অর্থায়নে বহন করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে ২০২৯ সালে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

এর আগে ভারতও তিস্তা প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। তবে বর্তমানে চীনই এ বিষয়ে কার্যকর অগ্রগতি দেখাচ্ছে। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, কৌশলগত দিক থেকেও তিস্তা প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, তিস্তা ও আরও কিছু নদীর উৎপত্তিস্থল চীনে হওয়ায় পানি প্রবাহ নিয়ে আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

 

বৈঠকে তিস্তা প্রকল্প ছাড়াও চীনের অর্থায়নে হাসপাতাল নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়ন উদ্যোগ, বৈশ্বিক সুশাসন উদ্যোগে (জিজিআই) বাংলাদেশের যোগদানের বিষয় এবং জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর চীনের নতুন বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা হয়। চীনের রাষ্ট্রদূত জানান, গত কয়েক মাসেই বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ৮০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে।

 

সুত্র: সমকাল 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আ.লীগের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলাই বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী

তিস্তা প্রকল্পে আগ্রহী চীন, পাঠাচ্ছে কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল

আপডেট সময় ১০:৪৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সহায়তায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে প্রায় ৫৫ কোটি ডলারের ঋণ চেয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করছে ঢাকা। সোমবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে বসেন ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠকে রাষ্ট্রদূত জানান, তিস্তা প্রকল্পে চীন গভীর আগ্রহী এবং ঋণ প্রদানের বিষয়েও তারা ইতিবাচক।

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রকল্প যাচাই করতে বাংলাদেশে আসছে চীনের একটি কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল। গত মার্চে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফরের পর থেকেই এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ গতি পেয়েছে। ইতোমধ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের কাছে ঋণ চেয়ে চিঠি দিয়েছে।

 

তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপ বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৫ কোটি ডলার। এর মধ্যে ৫৫ কোটি ডলার চীনের ঋণ এবং বাকিটা সরকারি অর্থায়নে বহন করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে ২০২৯ সালে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

এর আগে ভারতও তিস্তা প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। তবে বর্তমানে চীনই এ বিষয়ে কার্যকর অগ্রগতি দেখাচ্ছে। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, কৌশলগত দিক থেকেও তিস্তা প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, তিস্তা ও আরও কিছু নদীর উৎপত্তিস্থল চীনে হওয়ায় পানি প্রবাহ নিয়ে আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

 

বৈঠকে তিস্তা প্রকল্প ছাড়াও চীনের অর্থায়নে হাসপাতাল নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়ন উদ্যোগ, বৈশ্বিক সুশাসন উদ্যোগে (জিজিআই) বাংলাদেশের যোগদানের বিষয় এবং জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর চীনের নতুন বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা হয়। চীনের রাষ্ট্রদূত জানান, গত কয়েক মাসেই বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ৮০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে।

 

সুত্র: সমকাল