ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আজ সেই জুলাই, যেখান থেকে শুরু হয়েছিল ইতিহাস বদলের যাত্রা হাসনাত-সারজিস অতিগোপনীয় অভিযোগ নিয়ে নাকি দরবেশ বাবাকে বাঁচাতে দুদকে গিয়েছিলো?: রাশেদ খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতের কেরালায় ইসলাম ত্যাগের চেয়ে ইসলাম গ্রহণের হার বাড়ছে নিখোঁজের ৫০ দিন পর রান্নাঘরের মাটি খুঁড়ে মিলল বৃদ্ধের মরদেহ দীপিকা-ক্যাটরিনাকে ছাড়িয়ে শীর্ষে আলিয়া ভাট বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জানাজা: ৯ জুলাই চিরবিদায় খামেনির সংঘর্ষের পর স্লিপার বাসে আগুন, মুহূর্তেই ঝরল ৭ জনের প্রাণ খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশুর মৃত্যু

সংঘর্ষের পর স্লিপার বাসে আগুন, মুহূর্তেই ঝরল ৭ জনের প্রাণ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের রাজস্থানের দিল্লিমুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে একটি স্লিপার বাস ও ট্রেইলারের ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত সাতজন নিহত এবং ২২ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর দুটি যানবাহনেই আগুন ধরে গেলে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। বুধবার (১ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত প্রায় আড়াইটার দিকে দৌসা জেলার কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরগামী বাসটি দ্রুতগতিতে চলার সময় একটি ট্রেইলারের সঙ্গে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষের পরপরই বাস ও ট্রেইলার আগুনে পুড়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আগুনে দাউদাউ করে জ্বলছে দুটি যানবাহন। ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের চিৎকারে ঘটনাস্থল ভারী হয়ে ওঠে। কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনার ধাক্কায় বাসের ওপরের তলার কয়েকজন যাত্রী নিচে ছিটকে পড়েন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন অগ্নিদগ্ধ হন এবং বাকি দুজন মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে প্রাণ হারান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, দুর্ঘটনার সময় বেশির ভাগ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। খবর পেয়ে দমকল ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে। আহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। তাদের দৌসা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, বাসচালক ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিকেও দুর্ঘটনার অন্যতম সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্ধারকারী দল ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি করেছে। তাদের দাবি, আগুন লাগার প্রায় এক ঘণ্টা পর বাসে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের আরও দাবি, বাসের লাগেজ অংশে বিপুল পরিমাণ সিগারেটের প্যাকেট ছিল, যা আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে ভূমিকা রাখতে পারে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে আহতদের পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ সেই জুলাই, যেখান থেকে শুরু হয়েছিল ইতিহাস বদলের যাত্রা

সংঘর্ষের পর স্লিপার বাসে আগুন, মুহূর্তেই ঝরল ৭ জনের প্রাণ

আপডেট সময় ১১:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

এবার ভারতের রাজস্থানের দিল্লিমুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে একটি স্লিপার বাস ও ট্রেইলারের ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত সাতজন নিহত এবং ২২ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর দুটি যানবাহনেই আগুন ধরে গেলে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। বুধবার (১ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত প্রায় আড়াইটার দিকে দৌসা জেলার কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরগামী বাসটি দ্রুতগতিতে চলার সময় একটি ট্রেইলারের সঙ্গে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষের পরপরই বাস ও ট্রেইলার আগুনে পুড়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আগুনে দাউদাউ করে জ্বলছে দুটি যানবাহন। ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের চিৎকারে ঘটনাস্থল ভারী হয়ে ওঠে। কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনার ধাক্কায় বাসের ওপরের তলার কয়েকজন যাত্রী নিচে ছিটকে পড়েন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন অগ্নিদগ্ধ হন এবং বাকি দুজন মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে প্রাণ হারান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, দুর্ঘটনার সময় বেশির ভাগ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। খবর পেয়ে দমকল ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে। আহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। তাদের দৌসা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, বাসচালক ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিকেও দুর্ঘটনার অন্যতম সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্ধারকারী দল ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি করেছে। তাদের দাবি, আগুন লাগার প্রায় এক ঘণ্টা পর বাসে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের আরও দাবি, বাসের লাগেজ অংশে বিপুল পরিমাণ সিগারেটের প্যাকেট ছিল, যা আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে ভূমিকা রাখতে পারে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে আহতদের পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।