ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াত এমপির ‘দ্বিতীয় বিয়ে’র ৭ দিন পরও স্ত্রীর বায়োডাটায় লেখা ‌‘আনম্যারিড’ উত্তাল ভারত, এবার রাস্তায় নেমেছে কৃষকরা শিক্ষার্থীদের ওপর ‘নির্মমতা’, মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী জামায়াত এমপির ‘দ্বিতীয় বিয়ে’ নিয়ে প্রশ্ন, দ্বিতীয় স্ত্রী ও শ্বশুরের বক্তব্যে অমিল সাদা পোশাক পরে শিক্ষার্থীদের পেটাচ্ছে পুলিশ সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাশেদ ‘আমার স্বামীর “বিবাহ” নিয়ে কুৎসা রটাচ্ছে, বিরত না থাকলে আইনি ব্যবস্থা নিব’: প্রথম স্ত্রী এখনই জাতীয় দল থেকে বিদায় নিচ্ছেন না মেসি দেশে ফিরলেন না মেসি-ডি পলসহ ৭ ফুটবলার ইরানের বিরুদ্ধে ফের পূর্ণমাত্রায় যুদ্ধ করার মতো ক্ষেপণাস্ত্র নেই যুক্তরাষ্ট্রের

সংঘর্ষের পর স্লিপার বাসে আগুন, মুহূর্তেই ঝরল ৭ জনের প্রাণ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ৯৫০ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের রাজস্থানের দিল্লিমুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে একটি স্লিপার বাস ও ট্রেইলারের ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত সাতজন নিহত এবং ২২ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর দুটি যানবাহনেই আগুন ধরে গেলে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। বুধবার (১ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত প্রায় আড়াইটার দিকে দৌসা জেলার কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরগামী বাসটি দ্রুতগতিতে চলার সময় একটি ট্রেইলারের সঙ্গে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষের পরপরই বাস ও ট্রেইলার আগুনে পুড়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আগুনে দাউদাউ করে জ্বলছে দুটি যানবাহন। ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের চিৎকারে ঘটনাস্থল ভারী হয়ে ওঠে। কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনার ধাক্কায় বাসের ওপরের তলার কয়েকজন যাত্রী নিচে ছিটকে পড়েন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন অগ্নিদগ্ধ হন এবং বাকি দুজন মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে প্রাণ হারান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, দুর্ঘটনার সময় বেশির ভাগ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। খবর পেয়ে দমকল ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে। আহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। তাদের দৌসা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, বাসচালক ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিকেও দুর্ঘটনার অন্যতম সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্ধারকারী দল ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি করেছে। তাদের দাবি, আগুন লাগার প্রায় এক ঘণ্টা পর বাসে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের আরও দাবি, বাসের লাগেজ অংশে বিপুল পরিমাণ সিগারেটের প্যাকেট ছিল, যা আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে ভূমিকা রাখতে পারে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে আহতদের পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত এমপির ‘দ্বিতীয় বিয়ে’র ৭ দিন পরও স্ত্রীর বায়োডাটায় লেখা ‌‘আনম্যারিড’

সংঘর্ষের পর স্লিপার বাসে আগুন, মুহূর্তেই ঝরল ৭ জনের প্রাণ

আপডেট সময় ১১:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

এবার ভারতের রাজস্থানের দিল্লিমুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে একটি স্লিপার বাস ও ট্রেইলারের ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত সাতজন নিহত এবং ২২ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর দুটি যানবাহনেই আগুন ধরে গেলে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। বুধবার (১ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত প্রায় আড়াইটার দিকে দৌসা জেলার কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরগামী বাসটি দ্রুতগতিতে চলার সময় একটি ট্রেইলারের সঙ্গে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষের পরপরই বাস ও ট্রেইলার আগুনে পুড়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আগুনে দাউদাউ করে জ্বলছে দুটি যানবাহন। ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের চিৎকারে ঘটনাস্থল ভারী হয়ে ওঠে। কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনার ধাক্কায় বাসের ওপরের তলার কয়েকজন যাত্রী নিচে ছিটকে পড়েন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন অগ্নিদগ্ধ হন এবং বাকি দুজন মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে প্রাণ হারান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, দুর্ঘটনার সময় বেশির ভাগ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। খবর পেয়ে দমকল ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে। আহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। তাদের দৌসা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, বাসচালক ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিকেও দুর্ঘটনার অন্যতম সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্ধারকারী দল ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি করেছে। তাদের দাবি, আগুন লাগার প্রায় এক ঘণ্টা পর বাসে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের আরও দাবি, বাসের লাগেজ অংশে বিপুল পরিমাণ সিগারেটের প্যাকেট ছিল, যা আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে ভূমিকা রাখতে পারে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে আহতদের পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।