যে ম্যাচের ফল ৩-৩ হওয়ার পথে ছিল, সেই ম্যাচের শেষ মিনিটে অপ্রত্যাশিত এক গোলে কোটি বাঙালির হৃদয় ভেঙে যায়। জাতীয় স্টেডিয়ামের সবুজ গালিচায় ফ্লাডলাইটের আলোর মধ্যেও হামজা চৌধুরী ও শেখ মোরসালিনদের মুখে নেমে আসে হতাশার ছায়া। বৃহস্পতিবার রাতে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে হংকংয়ের কাছে ৪-৩ গোলের সেই কষ্টের হার যেন ফুটবলারদের ঘুম কাড়ে।
তবুও হাল ছাড়েননি তারা। হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার দল গতকালই দেশ ছেড়েছে হংকংয়ের বিপক্ষে ফিরতি লেগ খেলতে। যদিও এশিয়ান কাপে মূল পর্বে বাংলাদেশের জায়গা পাওয়া এখন অনেকটাই কঠিন, অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বাকি তিন ম্যাচে জয়ের আশায় তাকিয়ে আছেন।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের (১৮৪) চেয়ে ৩৮ ধাপ এগিয়ে থাকা হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুটা ছিল রূপকথার মতো—সেট পিসে হামজা চৌধুরীর দুর্দান্ত গোলে লিড নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে রক্ষণভাগের ভুলে সমতা ফেরায় প্রতিপক্ষ। বিরতির পর হংকং ৩-১ গোলে এগিয়ে গেলে অনেকেই ভাবেন, এবারও পরাজয়ের গল্পই লিখতে হবে লাল-সবুজদের।
কিন্তু ৬০ মিনিটের পর কোচের চার বদলি বদলে দেয় ম্যাচের রঙ। চার প্রবাসী খেলোয়াড়—জামাল ভূঁইয়া, শমিত সোম, জায়ান আহমেদ ও ফাহমিদুল প্রতিপক্ষের ওপর একের পর এক আক্রমণ চালান। শেখ মোরসালিন ও শমিতের গোলে বাংলাদেশ ফিরে আসে অবিশ্বাস্যভাবে, স্কোরলাইন হয় ৩-৩। ইতিহাসের পাতায় লেখা যাচ্ছিল এক অনন্য প্রত্যাবর্তনের গল্প।
কিন্তু ঠিক শেষ মিনিটে সেই গল্পেই আসে ট্র্যাজেডি—হংকংয়ের এক পাল্টা আক্রমণে গোল খেয়ে হেরে যায় বাংলাদেশ। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন—জামাল, জায়ান, শমিত ও ফাহিমদুলকে যদি শুরু থেকেই নামানো হতো, তবে হয়তো এই পরিণতি দেখতে হতো না।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























